---Advertisement---

বসুন্ধরা হলে জেলার উদ্যোগে একদিনের মৎস্য মেলা, সফল চাষিদের সংবর্ধনা ও ক্ষতিপূরণ প্রদান!

By Suman Debnath

December 20, 2025 6:42 PM

---Advertisement---

নবারুন চক্রবর্তী, ২০শে ডিসেম্বর ২০২৫:  জেলার উদ্যোগে শনিবার বসুন্ধরা হলে একদিনের মৎস্য মেলা অনুষ্ঠিত হয়। মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রী শুক্লা চরন নোয়াতীয়া, ব্লক চেয়ারম্যান প্রবাস লোধ, রাজ্যের মৎস্য অধিকর্তা সন্তস দাস, বিশিষ্ট সমাজসেবক দীপায়ন চৌধুরী সহ অন্যান্য জনপ্রতিনিধি ও নেতৃত্ববৃন্দ।

অনুষ্ঠানে জেলার ১০ জন সফল মৎস্য চাষি বেনিফিশিয়ারিকে মেমেন্টো ও রিসা পরিয়ে সম্মানিত করা হয়। আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, এই সম্মাননার মাধ্যমে মৎস্য চাষে তাঁদের সাফল্য ও অবদানকে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে, যা ভবিষ্যতে অন্যান্য চাষিদের অনুপ্রাণিত করবে।

মেলায় বিভিন্ন পোস্টার ও প্রদর্শনীর মাধ্যমে আধুনিক ও বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে মাছ চাষের উপযোগিতা সম্পর্কে চাষিদের অবগত করা হয়। পাশাপাশি বিভিন্ন প্রজাতির মাছ নিয়ে স্টল বসানো হয়, যেখানে মৎস্য চাষ সংক্রান্ত নতুন প্রযুক্তি ও তথ্য তুলে ধরা হয়। এছাড়াও দুষ্কৃতীদের আক্রমণে ক্ষতিগ্রস্ত মৎস্য শিল্পীদের প্রত্যেককে ১০,০০০ টাকা করে ক্ষতিপূরণ প্রদান করা হয়।

আরও পড়ুন:  বিশালগড় আদালত চত্বরে উত্তেজনা, তদন্তকারী অফিসারের বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির অভিযোগ ঘিরে বিক্ষোভ!

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে রাজ্যের মৎস্য অধিকর্তা সন্তস দাস বলেন, “আমরা এখন বিজ্ঞানের যুগ থেকে আরও এক ধাপ এগিয়ে এআই-এর যুগে প্রবেশ করেছি। তাই এখন শুধু মৎস্য মেলা বললে চলবে না, এআই-এর যুগে একে বলতে হবে ‘নিবিড় মৎস্য মেলা’।” তিনি আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে উৎপাদন বৃদ্ধি ও চাষিদের আয় বাড়ানোর উপর গুরুত্ব আরোপ করেন।

অন্যদিকে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মন্ত্রী শুক্লা চরন নোয়াতীয়া বলেন, “আমাদের কাছে সমস্ত চাষিরাই ভগবান। এক সময় বিভিন্ন চাষযোগ্য পণ্য বাইরের রাজ্য থেকে আমদানি করতে হতো। বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর চাষিরা আজ উন্নয়নের পথে হাঁটছে।” তিনি সরকারের কৃষি ও মৎস্যবান্ধব নীতির কথা তুলে ধরে ভবিষ্যতেও চাষিদের সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

আরও পড়ুন:  যাত্রাপুর থানার তৎপরতায় কলকাতা থেকে উদ্ধার গৃহবধূ প্রমিতা ভৌমিক!

সার্বিকভাবে এই একদিনের মৎস্য মেলা জেলার মৎস্য চাষিদের মধ্যে নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টি করেছে বলে মত প্রকাশ করেন উপস্থিত চাষি ও দর্শনার্থীরা।

Suman Debnath

Journalist

No comments to show.

Leave a Comment