পশ্চিমবঙ্গে কয়েক হাজার টাকা কোটি পাঠাল কেন্দ্র, উৎসবের মরশুমে লক্ষ্মীলাভ

By Suman Debnath

November 6, 2026 11:10 AM

পশ্চিমবঙ্গে কয়েক হাজার টাকা কোটি পাঠাল কেন্দ্র, উৎসবের মরশুমে লক্ষ্মীলাভ


দুর্গাপুজো, লক্ষ্মীপুজো কেটে গেলেও বাকি আছে কালীপুজো, জগদ্ধাত্রী পুজো, ভাইফোঁটা এবং নানা পার্বণ। এই আবহে পশ্চিমবঙ্গে প্রায় ৮ হাজার কোটি টাকা পাঠাল কেন্দ্রীয় সরকার। ধনতেরাসের দিনই রাজ্যের লক্ষ্মীলাভ হল। উৎসবের মরশুমে রাজ্যগুলিকে বাড়তি অর্থের জোগান দিতে আগেভাগেই করের ভাগ ছেড়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। সেই টাকাই এসেছে বঙ্গে। শুক্রবার এক লহমায় রাজ্যগুলির জন্য ১ লক্ষ ৯ হাজার ১৯ কোটি টাকা কর বাবদ প্রাপ্য টাকা ছেড়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। তার মধ্যে পশ্চিমবঙ্গের প্রাপ্তি ৭,৮৬৬ কোটি টাকা। এই টাকা আসায় আর্থিক পরিস্থিতি আরও ভাল হল কোষাগারের বলে খবর।

এখন উৎসবের মরশুম চলছে বলে খরচও হচ্ছে। তার উপর বহু টাকা দিতে হচ্ছে অন্নপূর্ণা যোজনা-সহ নানা প্রকল্পে। তাই টাকা আসলে সেটা অত্যন্ত উপকারে লাগবে। তার উপর উন্নয়নের কাজ করে যেতে হচ্ছে শুভেন্দু অধিকারীর সরকারকে। সুতরাং টাকার যে দরকার তা বলাই বাহুল্য। সেখানে এই পরিমাণ টাকা আসায় নিঃসন্দেহে কোষাগারকে স্বাস্থ্যকর করবে। সাধারণত প্রত্যেক মাসের ১০ তারিখে করের এই কিস্তি রাজ্যগুলিকে দেওয়া হয়। কিন্তু উৎসবের মরশুমে রাজ্যগুলির মূলধন খাতে ব্যয় বাড়ানো এবং উন্নয়ন ও জনকল্যাণমূলক প্রকল্পের খরচ মেটানোর সুবিধায় এবার পাঁচ দিন আগেই অর্থ ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। আর তাই ১০ নভেম্বর তারিখের বদলে ৫ নভেম্বরই রাজ্যগুলির অ্যাকাউন্টে পৌঁছে গেল সেই অর্থ।

আরও পড়ুন:  শরৎ এল রে: মহাষ্টমীতে বেলুড় মঠে কুমারী পুজো, পুণ্যার্থীদের ঢল

এই বিপুল পরিমাণ টাকা আগাম ডলে আসায় উন্নয়নের কাজ বাড়বে বলেই মনে করা হচ্ছে। এখন রাজ্যগুলি নতুন করে একাধিক উন্নয়নমূলক প্রকল্পে খরচ করতে পারবে। এমনকী উৎসবের মরশুমে বাড়তি আর্থিক চাহিদা থাকেই। সেই চাহিদাও মিটে যাবে। যা এককথায় সুখবর। তবে শুধু পশ্চিমবঙ্গ পেয়েছে এমন নয়, অন্য রাজ্যগুলিও একইভাবে কেন্দ্রীয় সরকারের ওই বরাদ্দ করের টাকা আগাম পেয়ে গিয়েছে। আসলে কেন্দ্রীয় সরকার চাইছে উৎসবের মরশুমে ওই টাকা রাজ্য সরকারগুলি উন্নয়ন খাতে খরচ করে মানুষের উপকার করুক। তার ফলে অর্থনীতিতে বাড়তি অর্থ খরচের প্রবণতা দেখা যাবে।

আগে পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেস সরকার থাকাকালীন কেন্দ্র এবং রাজ্যের সম্পর্ক তলানিতে পৌঁছে গিয়েছিল। বারবার অভিযোগ উঠত, কেন্দ্র বকেয়া টাকা আটকে রেখেছে। তা দিচ্ছে না। ফলে অনেক ক্ষেত্রে অসুবিধা হতো। তার জেরে কেন্দ্রের যে কোনও প্রকল্পে পশ্চিমবঙ্গে কার্যকর হওয়া কঠিন হয়ে পড়ত। এখন সেই পরিস্থিতি আর নেই। এখন ডবল ইঞ্জিন রাজ্য। এখন সব কেন্দ্রীয় প্রকল্প কার্যকর করা হচ্ছে। ফলে এখন প্রকল্পের পরিষেবা ঠিকমতো পৌঁছে যাচ্ছে। কেন্দ্র-রাজ্য সরকার যৌথভাবে কাজ করছে।

আরও পড়ুন:  এবার মদন ছাড়লেন দিদির হাত! সব সাংগঠনিক পদ থেকে ইস্তফা

Suman Debnath

Journalist

No comments to show.

Leave a Comment