ত্রিপুরা টিভি | আগরতলা, ৮ ডিসেম্বর: ত্রিপুরার সীমান্তবর্তী এলাকায় সম্প্রতি চরম উদ্বেগ ও আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, বাংলাদেশের কুমিল্লা জেলার দুই ব্যক্তিকে ঘিরে বিভিন্ন উদ্বেগজনক তথ্য ছড়িয়ে পড়েছে। সীমান্ত অঞ্চলে কথিতভাবে অস্ত্র প্রশিক্ষণ, উগ্রপন্থা এবং পাচারচক্র সক্রিয় থাকার গুজব দ্রুত ছড়িয়ে পড়ায় বাসিন্দাদের মধ্যে নিরাপত্তা নিয়ে আশঙ্কা বেড়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কুমিল্লার বাসিন্দা আলমগীর নামে এক ব্যক্তিকে কুখ্যাত অস্ত্র ব্যবসায়ী হিসেবে চিহ্নিত করা হচ্ছে। অভিযোগ অনুযায়ী, তিনি অতীতে অস্ত্র আমদানি-রপ্তানির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং বর্তমানে যুবকদের অস্ত্র ধরিয়ে উগ্রবাদী কর্মকাণ্ডে প্রলুব্ধ করার চেষ্টা করছেন বলে দাবি উঠেছে।
অন্যদিকে, জুয়েল নামে কুমিল্লার আরেক ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ—তিনি নাকি দীর্ঘদিন ধরে ত্রিপুরা সীমান্ত ব্যবহার করে অবৈধভাবে মাদকসহ বিভিন্ন চোরাচালানযোগ্য পণ্য বাংলাদেশে পাচারের সঙ্গে জড়িত। আরও অভিযোগ রয়েছে, ওই ব্যক্তি বাংলাদেশ পুলিশের একটি সোর্স হিসেবেও কাজ করেন, ফলে আইনগত ব্যবস্থা নিতে বিলম্ব হচ্ছে বলেও দাবি স্থানীয়দের।
অভিযোগকারীদের ভাষ্যে, বাংলাদেশে ক্ষমতার পালাবদলের পর এই দুই ব্যক্তির তৎপরতা আরও বেড়েছে। তাঁদের আশঙ্কা, এদের কর্মকাণ্ডের জেরে ত্রিপুরা সীমান্তে যেকোনো সময় অঘটন ঘটতে পারে। তাই সীমান্ত সুরক্ষায় অতিরিক্ত সতর্কতা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন বাসিন্দারা। তবে এসব অভিযোগ নিয়ে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বা স্থানীয় প্রশাসনের তরফে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনও মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
Leave a Comment