---Advertisement---

সোনামুড়ার সীমান্তে উচ্চক্ষমতা লাইটে ধান নষ্ট, নতুন কাঁটাতারে আহত কৃষক—ফসলহানিতে চরম ক্ষোভ!

By Suman Debnath

December 6, 2025 2:46 PM

---Advertisement---

ত্রিপুরা টিভি | সোনামুড়া, ৬ ডিসেম্বর: ভারত বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক সীমান্ত কাঁটাতারের ওপারের ভারত ভূখণ্ডের কৃষকদের একেবারে মাথায় হাত।কাঁটাতার লাগুয়া শত শত প্রান্তিক বা বর্গা চাষি যারা তাদের অনেকের ধানের গাছ উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন (এলআইডি) লাইটের আলোতে ধান গাছ ছনের মতো হয়ে গেছে।
ফলন মোটেই হয়নি, ধান গাছগুলো এমনিতেই বড় হয়েছে কিন্তু মরে গেছে লাইটের আলোতে। এছাড়াও কাঁটাতার থেকে পাঁচ মিটার ওপারে ভারত ভূখণ্ডে আবার নতুন করে একটি কাঁটাতার মাটির সাথে বিছিয়ে রাখা হয়েছে। তাতে করে সমস্যা আরো জটিল আকার ধারণ করেছে।কৃষক এবং কৃষি শ্রমিক যারাই মরশুমে যখন কাজকর্ম করে কৃষি জমিতে অজান্তে সেই কাঁটাতারের আঘাত লাগে পায়ে।
তাতে করে রক্তাক্ত হয়ে যায়। এই জাতীয় ঘটনাও ঘটেছে একাধিক।এখন সবচেয়ে বড় বিষয় হচ্ছে, সোনামুড়া মহকুমার দক্ষিণাঞ্চলে যেমন কাঠালিয়া ব্লক এলাকার সীমান্ত এলাকাগুলিতে এই জাতীয় উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন লাইট থাকার কারণে অধিকাংশ কৃষি জমির অবস্থায় এমনই।বিগত সময়তে এই জাতীয় লাইভ ছিল না। গত এক বছর ধরে এই জাতীয় উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন লাইট সেটিং করার পরিপ্রেক্ষিতে এবারের আমন মৌসুমে কৃষকদের মধ্যে একেবারে হাহাকার শুরু হয়েছে।যেমন, কাঠালিয়া ব্লকের অন্তর্গত যতগুলি সীমান্ত গ্রাম রয়েছে সবগুলিই একই অবস্থা।উত্তরের, উত্তর পাহাড়পুর গ্রাম পঞ্চায়েত সীমান্ত থেকে শুরু করে দক্ষিনে ভবানীপুর সীমান্ত পর্যন্ত একই অবস্থা।

আরও পড়ুন:  মেলাঘরজুড়ে DYFI-এর সবুজায়ন কর্মসূচি, বিশ্ব পরিবেশ দিবসে রোপণ করা হলো অর্ধশতাধিক চারাগাছ!


শনিবার সংবাদকর্মীকে ডেকে নিয়ে কতিপয় কৃষক যেমন, নির্ভয় পুরের রহিম মিয়া, শৈলেন সরকার, হারাধন দে, নারায়ণ মজুমদার সহ অনেকেই এই জাতীয় অভিযোগ করেন।
তাদের দাবি আগেই কম পাওয়ারের লাইট ছিল! ফসলের এমন কোন ক্ষতি হয় নাই।বিগত এক বছর ধরে উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন (এল আই ডি) রাইট প্রায় ৩০ ফুট উচ্চতায় খাম পোষ্টের সাথে সেটিং করা হয়েছে।
সন্ধ্যার পরেই এই লাইটগুলো সারা রাত্র জ্বালিয়ে রাখে।
তারা অভিযোগ করেন বহু টাকা পয়সা খরচ করে কৃষিকাজ করা হয়েছে, কিন্তু ফসল হলো না একমাত্র লাইটের কারণে। তাদের দাবি, আমাদের এই ক্ষতিপূরণ কে দেবে!


সীমান্ত পাহারায় দায়িত্বে থাকা বিএসএফের সাথেও সমস্যা নিয়ে কথা হয়েছে, তারা নাকি বলেছে এটা আমাদের কিছু করার নেই। অপরদিকে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি যেমন ব্লক পঞ্চায়েত সমিতি বা বিধায়কের কাছেও এই সমস্যা নিয়ে আলোচনা করেছেন। তারা শুধু ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের নাকি আশ্বস্ত করেছেন যে দেখা যাক কিছু করা যায় কিনা! এখন তাদের দাবি হচ্ছে মাননীয় কৃষি মন্ত্রী যেন এই বিষয়ে একটু দৃষ্টি রাখেন। নতুবা আগামী দিন কাঁটাতারের এপারে ভারত ভূখণ্ডে ওপারে তাও ভারত ভূখণ্ডে কৃষি জমি গুলি একেবারেই পতিত পড়ে থাকবে। তার কারণ সম্পর্কে কৃষকরা জানান টাকা পয়সা খরচ করে, শারীরিক পরিশ্রম করে কৃষি কাজ করে ফলন যদি না হয় কি লাভ হবে আমাদের!

আরও পড়ুন:  সাত চাঁদ লোকনাথ সেবা মন্দির কমিটির উদ্যোগে আয়োজন করা হয় একদিনের মেঘা স্বাস্থ্য শিবির………,,,,,

Suman Debnath

Journalist

No comments to show.

Leave a Comment