---Advertisement---

বদ্রীনাথে প্রণামীর টাকায় অনিয়মের অভিযোগ, বরখাস্ত কর্মীর বিরুদ্ধে এফআইআর

By Suman Debnath

July 10, 2026 9:35 AM

বদ্রীনাথে প্রণামীর টাকায় অনিয়মের অভিযোগ, বরখাস্ত কর্মীর বিরুদ্ধে এফআইআর

---Advertisement---





বদ্রীনাথ মন্দিরে প্রণামীর অর্থে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছিল। এবার সেই ঘটনায় বড়সড় পদক্ষেপ নিল উত্তরাখণ্ড প্রশাসন। মন্দির কমিটির এক বরখাস্ত কর্মীর বিরুদ্ধে চুরি ও বিশ্বাসভঙ্গের অভিযোগে এফআইআর দায়ের করেছে পুলিশ। প্রাথমিক তদন্তে প্রণামীর টাকা নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ ওঠার পর শুধু মন্দির কমিটিই নয়, পৃথক তদন্তে নেমেছে রাজ্য সরকার। অযোধ্যার রামমন্দিরে অনুদান সংক্রান্ত বিতর্কের রেশ কাটতে না কাটতেই এবার দেশের অন্যতম পবিত্র তীর্থস্থান বদ্রীনাথ মন্দিরে প্রণামীর অর্থের হিসাব নিয়ে অনিয়মের অভিযোগে তোলপাড় রাজ্য।

পুলিশ সূত্রের খবর, বরখাস্ত হওয়া কর্মীর নাম প্রমোদ নৌটিয়াল। তিনি বদ্রীনাথ-কেদারনাথ মন্দির কমিটির প্রাক্তন চেয়ারম্যানের ব্যক্তিগত সচিব হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তাঁর বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার চুরি ও বিশ্বাসভঙ্গ সংক্রান্ত মামলা রুজু হয়েছে। তদন্তে অনুদানের অর্থ নিয়ে কী ধরনের অনিয়ম হয়েছে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

আরও পড়ুন:  তাজমহল কি আসলে ‘তেজো মহালয়’? কেন্দ্র ও ASI-কে হলফনামার নির্দেশ এলাহাবাদ হাই কোর্টের

বদ্রীনাথ-কেদারনাথ মন্দির কমিটি বা বিকেটিসির চেয়ারম্যান হেমন্ত দ্বিবেদী জানান,  ৪ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি প্রাথমিকভাবে কিছু অসঙ্গতির ইঙ্গিত পেয়েছে। সেই কারণেই প্রমোদ নৌটিয়ালকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে। তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, মন্দির কমিটি দুর্নীতির ক্ষেত্রে শূন্য সহনশীলতা নীতি মেনে চলে। তদন্তে কেউ দোষী প্রমাণিত হলে তাঁর বিরুদ্ধে কঠোর বিভাগীয় এবং আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। উল্লেখ্য, বিকেটিসি এমন একটি সংস্থা যা উত্তরাখণ্ডের বদ্রীনাথ মন্দির ও অন্যান্য তীর্থস্থানগুলি পরিচালনা করে।

মন্দির কমিটির গঠিত ৪ সদস্যের তদন্তদল ইতিমধ্যেই কাজ শুরু করেছে। তারা সিসিটিভি ফুটেজ, অনুদান গণনার নথি, সংশ্লিষ্ট কর্মীদের বয়ান এবং অন্যান্য প্রমাণ খতিয়ে দেখছে। সাতদিনের মধ্যে কমিটিকে তাদের রিপোর্ট জমা দিতে বলা হয়েছে। এদিকে মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিং ধামীর নির্দেশে উত্তরাখণ্ড সরকারও পৃথকভাবে ৩ সদস্যের একটি উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। গাড়ওয়াল বিভাগের কমিশনারের নেতৃত্বে গঠিত এই কমিটিকে ১৫ দিনের মধ্যে তদন্ত শেষ করে রিপোর্ট ও সুপারিশ জমা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন:  বাংলাদেশের ক্রিকেটকর্তারা কেন ভারতে না খেলতে অনড়? ক্ষতি কার—বাংলাদেশের না ভারতের?

মুখ্যমন্ত্রী ধামী এই ঘটনাকে অত্যন্ত গুরুতর বলে উল্লেখ করে বলেছেন, ‘ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের অনুদান নিয়ে দুর্নীতি অত্যন্ত জঘন্য অপরাধ। তাই তদন্তে যদি অভিযোগ প্রমাণিত হয়, তাহলে কাউকে ছেড়ে দেওয়া হবে না।’ তাঁর কথায়, ‘উক্ত অপরাধটি গো-হত্যার সমতুল্য একটি জঘন্য পাপ।’একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে এবং দোষী প্রমাণিত হলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

---Advertisement---

Suman Debnath

Journalist

No comments to show.

Leave a Comment