---Advertisement---

সাংবাদিক কেএম বাচ্চু নৃশংস হামলার শিকার

By Suman Debnath

July 25, 2026 4:00 PM

সাংবাদিক কেএম বাচ্চু নৃশংস হামলার শিকার

---Advertisement---


কুয়াকাটায় দৈনিক দেশ রূপান্তর-এর কুয়াকাটা প্রতিনিধি, পরিবেশ ও পর্যটনকর্মী সাংবাদিক কেএম বাচ্চুর ওপর নৃশংস হামলার অভিযোগ উঠেছে ছাত্রদল ও যুবদলের কয়েকজন নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে। শনিবার (২৫ জুলাই) রাত প্রায় ১১টার দিকে কুয়াকাটা সৈকত হোটেলের সামনে সংঘটিত এ হামলায় গুরুতর আহত হন তিনি।


স্থানীয়রা আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে প্রথমে কুয়াকাটা ২০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে ভর্তি করেন। পরবর্তীতে অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।


প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রাত প্রায় ১১টার দিকে সৈকত হোটেলের সামনে এক ব্যক্তির সঙ্গে কথা বলছিলেন সাংবাদিক বাচ্চু। এ সময় সংবাদ প্রকাশকে কেন্দ্র করে কয়েকজন ব্যক্তি তার সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়ানোর চেষ্টা করেন। তিনি বিষয়টি এড়িয়ে চলে যেতে চাইলে অতর্কিতভাবে তার ওপর হামলা চালানো হয়। লাঠিসোঁটা দিয়ে বেধড়ক মারধরের একপর্যায়ে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। পরে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে হামলাকারীরা দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।

আরও পড়ুন:  উত্তরায় সড়ক দুর্ঘটনায় ২ সাংবাদিক নিহত!


হামলার ঘটনায় হারুন মুসল্লী (পৌর যুবদলের ধর্মবিষয়ক সম্পাদক), বাইজিদ (৮ নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রদলের সভাপতি), শহিদ সিকদার (৮ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সভাপতি), শহিদ সিকদার ওরফে পচা (পৌর যুবদলের সহ-সাধারণ সম্পাদক) সহ আরও ৫ থেকে ৬ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে।


ঘটনাস্থলে উপস্থিত অটোচালক জামাল মোল্লা বলেন, “আমি গাড়ি নিয়ে সৈকত হোটেলের সামনে পৌঁছে দেখি কয়েকজন বাচ্চু ভাইকে বলছে, ‘আমাদের নিউজ করছো কেন?’ তিনি সরে যেতে চাইলে হঠাৎ সবাই মিলে তাকে মারধর শুরু করে। তার চিৎকার শুনে লোকজন এগিয়ে এলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। পরে আমরা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাই।”


এ বিষয়ে কুয়াকাটা পৌর ছাত্রদলের আহ্বায়ক জোবায়ের আহমেদ রিয়াজ বলেন, “ঘটনাটি আমি মাত্র জেনেছি। এটি অত্যন্ত দুঃখজনক। ছাত্রদলের কেউ জড়িত থাকলে তদন্ত করে তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

আরও পড়ুন:  সাত অঞ্চলে ঝড়ের আভাস | Amar Bangla BANGLADESH


কুয়াকাটা পৌর যুবদলের সভাপতি সৈয়দ মো. ফারুক বলেন, “আমরা কুয়াকাটায় শান্তিপূর্ণ রাজনীতিতে বিশ্বাস করি। কেউ যদি যুবদলের পরিচয়ে এ ধরনের ঘটনা ঘটিয়ে থাকে, তদন্ত করে তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”


অভিযুক্তদের সঙ্গে একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

মহিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শামীম হাওলাদার বলেন, “ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”


আমার বাঙলা/ রাব্বি



---Advertisement---

Suman Debnath

Journalist

No comments to show.

Leave a Comment