---Advertisement---

ইরানের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন, শীর্ষ নেতৃত্বের তথ্য ফাঁসের আশঙ্কা বিদেশমন্ত্রীর  

By Suman Debnath

July 22, 2026 7:40 PM

ইরানের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন, শীর্ষ নেতৃত্বের তথ্য ফাঁসের আশঙ্কা বিদেশমন্ত্রীর  

---Advertisement---


ইরানের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ব্যবস্থায় এখনও ফাঁকফোকর রয়ে গিয়েছে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করলেন ইরানের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি। তাঁর দাবি, ইরানের শীর্ষ নেতৃত্বের উপর হামলার ক্ষেত্রে যে সংবেদনশীল গোয়েন্দা তথ্য ব্যবহার করা হয়েছিল, সেই তথ্য ফাঁসের উৎস এখনও পুরোপুরি বন্ধ করা সম্ভব হয়নি।

, হামলাকারীদের কাছে ইরানের প্রাক্তন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ্ আলী খামেনির দৈনন্দিন কর্মসূচি, গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকের সময় এবং স্থান সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য ছিল। তাঁর মতে, এত নির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতেই হামলার পরিকল্পনা করা সম্ভব হয়েছিল।

আরাঘচির কথায়, ‘একটি তথ্য ফাঁসের মাধ্যমে শত্রুপক্ষের কাছে এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকগুলির তথ্য পৌঁছেছিল। যা সম্ভবত এখনও রয়েছে।’ তাঁর এই মন্তব্যের পরই ইরানের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও গোয়েন্দা বিভাগের কার্যকারিতা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। ইরানের বিদেশমন্ত্রী জানান, হামলার দিন খামেনি তাঁর কার্যালয়ে ছিলেন। একই সময়ে দেশের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক চলছিল। সেই সময় শীর্ষ রাজনৈতিক ও সামরিক কর্তাদের অবস্থান সম্পর্কে হামলাকারীরা কীভাবে এত নির্দিষ্ট তথ্য পেলেন তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

আরও পড়ুন:  পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধপরিস্থিতিতে বদলে গেল আন্তজার্তিক উড়ানপথ, চাপে ভারতীয় বিমান সংস্থাগুলি

ইরানের অভিযোগ, ওই হামলার নেপথ্যে ইজরায়েলের গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের ভূমিকা থাকতে পারে। তবে এই বিষয়ে ইজরায়েলের পক্ষ থেকে কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তেহরান ইতিমধ্যেই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। নিরাপত্তা ব্যবস্থার দুর্বলতার জায়গাগুলি চিহ্নিত করার চেষ্টা করছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, কোনও দেশের সর্বোচ্চ নেতৃত্বের গতিবিধি, বৈঠকের সময়সূচি বা নিরাপত্তা সংক্রান্ত তথ্য শত্রুপক্ষের হাতে পৌঁছনো বড় ধরনের গোয়েন্দা ব্যর্থতার ইঙ্গিত দেয়। বিশেষ করে ইরানের মতো কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থার দেশের ক্ষেত্রে এমন তথ্য ফাঁস হলে তা শাসকগোষ্ঠীর জন্য বড় উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

আরাঘচির মন্তব্যে আরও একটি বিষয় উঠে এসেছে। ইরানের নেতৃত্বের অন্দরমহলে এখনও অবিশ্বাসের পরিবেশ রয়েছে। কারণ, একদিকে যেমন বহিরাগত হামলার আশঙ্কা রয়েছে। তেমনি অন্যদিকে, অভ্যন্তরীণ স্তরে কেউ তথ্য পাচার করছে কি না, তা নিয়েও উদ্বেগ বাড়ছে। ঘটনার পর ইরানের নিরাপত্তা সংস্থাগুলি অভ্যন্তরীণ নজরদারি আরও বাড়িয়েছে বলে জানা গিয়েছে। তবে বিদেশমন্ত্রীর স্বীকারোক্তি থেকেই স্পষ্ট, শীর্ষ নেতৃত্বের নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা ব্যবস্থার বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

আরও পড়ুন:  ইউক্রেনের ওদেসা বন্দরের কাছে পণ্যবাহী জাহাজ হামলায় নিহত ৪ ভারতীয়, নিন্দা কেন্দ্রের

---Advertisement---

Suman Debnath

Journalist

No comments to show.

Leave a Comment