---Advertisement---

ব্রিকসের আগে দিল্লিতে নাশকতার আশঙ্কা, নজরে পাক-মদতপুষ্ট ভাট্টি নেটওয়ার্ক

By kolamkotha.com

September 11, 2026 6:30 PM

ব্রিকসের আগে দিল্লিতে নাশকতার আশঙ্কা, নজরে পাক-মদতপুষ্ট ভাট্টি নেটওয়ার্ক

---Advertisement---


ব্রিকস সম্মেলনের আগে রাজধানী দিল্লি ও সংলগ্ন এলাকায় নাশকতার আশঙ্কায় নিরাপত্তা জোরদার করল কেন্দ্র। গোয়েন্দা সূত্রের দাবি, পাকিস্তান থেকে পরিচালিত শাহজাদ ভাট্টি নেটওয়ার্কের সক্রিয় সদস্যরা ব্রিকস সম্মেলনের সময় গোপনে কোনও নাশকতার চেষ্টা করতে পারে। এই আশঙ্কায় প্রথমবার পাক-ভিত্তিক আইএসআই হ্যান্ডলার শাহজাদ ভাট্টির নামকে বিশেষ সতর্কতার তালিকায় রাখা হয়েছে। বাড়তি নজরদারি করার জন্য নিরাপত্তা সংস্থাগুলিকে সতর্ক করা হয়েছে।

গোয়েন্দাদের আশঙ্কা, সীমান্তের ওপার থেকে নির্দেশ পেয়ে স্থানীয় সহযোগীদের কাজে লাগিয়ে দিল্লির বিভিন্ন এলাকায় রেইকি চালানো হতে পারে। ভিড় বাজার, সরকারি দপ্তর এবং গুরুত্বপূর্ণ জায়গাগুলি চিহ্নিত করার পাশাপাশি বেআইনি অস্ত্র সংগ্রহের চেষ্টাও হতে পারে। পুলিশ ও সাধারণ মানুষকে নিশানা করে গুলি, গ্রেনেড বা অন্য কোনও উপায়ে হামলার আশঙ্কাও উড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে না। এই সতর্কতার পর দিল্লি ও আশেপাশের এলাকায় সন্দেহজনক গতিবিধির উপর নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ সরকারি বা সামরিক কেন্দ্রে নজরদারি ও তল্লাশি চলছে।

কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের তথ্য অনুযায়ী, গত ১২ আগস্ট স্বাধীনতা দিবসের আগে ভাট্টি নেটওয়ার্কের বিরুদ্ধে ১৪টি রাজ্যে একযোগে অভিযান চালানো হয়েছিল। উত্তরপ্রদেশ, হরিয়ানা, দিল্লি, পাঞ্জাব, রাজস্থান, মহারাষ্ট্র, উত্তরাখণ্ড, কর্নাটক, গুজরাত, বিহার, তেলেঙ্গানা, হিমাচলপ্রদেশ, জম্মু ও কাশ্মীর এবং কেরলে চালানো ওই অভিযানে ২৫৩ জন সন্দেহভাজনকে আটক করা হয়। অভিযানে আইইডি, পাকিস্তান অর্ডিন্যান্স ফ্যাক্টরির চিহ্ন থাকা হ্যান্ড গ্রেনেড, পিস্তল, কার্তুজ এবং সিসিটিভি ক্যামেরা উদ্ধার করা হয়েছে দাবি করেছে তদন্তকারী সংস্থাগুলি।২০০-র বেশি অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলেও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের সূত্রে জানা গিয়েছে।

তদন্তকারীদের দাবি, আইএসআইয়ের মদতে পরিচালিত এই চক্র অতীতে গ্রেনেড বিস্ফোরণ, আইইডি ও পেট্রল বোমা হামলা এবং পরিকল্পিত হামলায় যুক্ত ছিল। স্থানীয় যুবকদের অর্থের প্রলোভন দেখিয়ে কাজে লাগানো এবং পুলিশ-সেনা ঘাঁটি, সরকারি ভবন ও ধর্মীয় স্থানে নজরদারি চালানোর অভিযোগও রয়েছে।

সাম্প্রতিক অভিযানে নেটওয়ার্কটির বড় অংশ ভেঙে দেওয়া হলেও কিছু ‘স্লিপার সেল’ সক্রিয় থাকতে পারে বলে আশঙ্কা গোয়েন্দাদের। ব্রিকস সম্মেলনের সময় ছোটখাটো হামলা চালিয়ে আতঙ্ক তৈরি বা নিরাপত্তাবাহিনীর নজর ঘোরানোর চেষ্টা হতে পারে। সেই আশঙ্কাতেই দিল্লি ও সংলগ্ন এলাকায় নিরাপত্তা আরও আঁটোসাঁটো করা হয়েছে।

---Advertisement---

No comments to show.

Leave a Comment