---Advertisement---

স্বার্থান্বেষীদের রক্ষা অগ্রহণযোগ্য: ইশরাক | Amar Bangla BANGLADESH

By Suman Debnath

July 24, 2026 5:15 PM

স্বার্থান্বেষীদের রক্ষা অগ্রহণযোগ্য: ইশরাক | Amar Bangla BANGLADESH

---Advertisement---


মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন বলেছেন, কোনো স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠীকে রক্ষা করা অত্যন্ত দুঃখজনক ও অগ্রহণযোগ্য। একই সঙ্গে বিএনপির প্রার্থী ও ত্যাগী নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র এবং অপপ্রচার বন্ধের আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।


শুক্রবার (২৪ জুলাই) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পোস্টে এসব কথা জানান প্রতিমন্ত্রী।


পোস্টে ইশরাক বলেন, কেউ যদি কোনো স্বার্থান্বেষী মহলকে সুরক্ষা দেওয়ার চেষ্টা করেন, তা গ্রহণযোগ্য নয়। তিনি আরও বলেন, অতীতে বিভিন্ন বড় শিল্পগোষ্ঠী ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে অর্থনৈতিক অনিয়ম, রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তার এবং স্বৈরাচারী সরকারকে সহযোগিতার অভিযোগ উঠেছে।


তবে কোনো প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তিকে প্রমাণ ছাড়া দোষী সাব্যস্ত না করে অভিযোগগুলোর সত্যতা যাচাইয়ের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তিনি।


তিনি আরও বলেন, যে গোষ্ঠী গণমাধ্যম, অর্থ ও রাজনৈতিক পরিচয়ধারী ভাড়াটে ব্যক্তিদের ব্যবহার করে বিএনপির প্রার্থী ও ত্যাগী নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করবে, তাদের কর্মকাণ্ড রাজনৈতিক ও আইনগতভাবে প্রতিহত করতে হবে। অন্যথায় ভবিষ্যৎ স্থানীয় ও জাতীয় নির্বাচনে এর গুরুতর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।

আরও পড়ুন:  চীনের সঙ্গে সম্পর্ক দৃঢ় হবে: ফখরুল


তিনি বলেন, যারা বিএনপি করেন, তাদের মনে রাখা উচিত—ব্যক্তিস্বার্থের ঊর্ধ্বে দল ও দেশের স্বার্থ। কোনো ব্যক্তির আর্থিক বা ব্যবসায়িক সুবিধার জন্য দলের একটি আসন, একটি অঞ্চল কিংবা একটি শহরের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎকে ক্ষতিগ্রস্ত করার অধিকার কারও নেই।


প্রতিমন্ত্রী ইশরাক বলেন, প্রথমে দলের শীর্ষ নেতৃত্ব ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে এসব বিষয়ে প্রতিকার ও দিকনির্দেশনা চাওয়া হবে। এরপরও যদি ষড়যন্ত্র, অপপ্রচার ও অনৈতিক প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা বন্ধ না হয়, তবে গণতান্ত্রিক, সাংগঠনিক ও আইনানুগ সব পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।


তিনি আরও বলেন, যারা আজ বিভিন্ন বৃহৎ গোষ্ঠীর স্বার্থরক্ষাকারী বা ‘গেটকিপার’ হিসেবে কাজ করছেন, তাদের মনে রাখা উচিত—এই ভূমিকা সাময়িক। খুনি হাসিনার শাসনকে যারা অর্থায়ন করেছে এবং যাদের সহায়তায় জনগণের ওপর দমন-পীড়ন ও হত্যাযজ্ঞ পরিচালিত হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে, তাদের প্রত্যেককে আইনের আওতায় আনতে হবে।

আরও পড়ুন:  এক দাবি পূরণ, বাকি দুই দাবিতে অনড় ককরোচ জনতা পার্টি


একই সঙ্গে প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন বলেন, কোনো শিল্পপ্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে গেলে হাজারো শ্রমিক-কর্মচারীর জীবিকা ক্ষতিগ্রস্ত হবে, যা কোনোভাবেই কাম্য নয়। তাই অভিযুক্ত মালিক ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের জবাবদিহির আওতায় আনার পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানগুলো যাতে পেশাদার, স্বচ্ছ ও আইনসম্মত ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে চালু থাকে, সরকারকে সে বিষয়টিও নিশ্চিত করতে হবে।


তিনি আরও বলেন, ব্যক্তিগত প্রতিহিংসা নয়; বরং সত্য উদ্ঘাটন, জবাবদিহি নিশ্চিত করা, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা এবং দলের ত্যাগী নেতাকর্মীদের সম্মান ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই তাদের মূল দাবি।


আমার বাঙলা/ তালহা

---Advertisement---

Suman Debnath

Journalist

No comments to show.

Leave a Comment