‘ঘাঁটাঘাঁটি কম করুন’, মমতার পা ভাঙা ইস্যুতে আবার তোপ দাগলেন মুখ্যমন্ত্রী

By Suman Debnath

October 5, 2026 6:40 PM

‘ঘাঁটাঘাঁটি কম করুন’, মমতার পা ভাঙা ইস্যুতে আবার তোপ দাগলেন মুখ্যমন্ত্রী


২০২১ সালে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পা ভাঙেনি বলে আগেই দাবি করেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। গত শনিবারই সাংবাদিক বৈঠক করে সেই দাবির স্বপক্ষে কাগজ সামনে এনেছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। সোমবার এই ইস্যুতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আইনজীবী এসএসকেএম কর্তৃপক্ষকে আইনি নোটিস পাঠিয়েছেন। কেমন করে ব্যক্তিগত তথ্য সামনে আনা হল সেটা জানতে চেয়েছেন তিনি। এই ইস্যুতে এবার বড় ইঙ্গিত দিয়ে তোপ দাগলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। একইসঙ্গে পরোক্ষ হুঁশিয়ারিও দিয়ে রাখলেন প্রাক্তনকে।

এদিকে নবান্নে মন্ত্রীসভার বৈঠক ছিল। তা শেষ করে পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন মুখ্যমন্ত্রী। সেখানেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পা ভাঙা ইস্যু উঠতেই শুভেন্দু অধিকারীর তোপ, ‘ভুল করছেন উনি। স্বাস্থ্য দপ্তরকে বলব, যে অভিযোগ উনি করেছেন সেটা আমার কাছে পাঠাতে। উনি বোধহয় জানেন না, উনি কী করেছিলেন। উনি নিজে এফ‌আই‌আর করেছিলেন সব বিজেপি নেতাদের নামে। সিআইডি তদন্ত করছিল। তাই ঘাঁটাঘাঁটি কম করুন। যদি এক্স রে প্লেট, এমআরআই রিপোর্ট দেখাতে শুরু করি, বাড়ি থেকে বেরতে পারবেন না।’

আরও পড়ুন:  ‘মমতাকে ডাকেনি একুশে জুলাই কমিশন’, বিস্ফোরক সব তথ্য দিলেন মুখ্যমন্ত্রী

অন্যদিকে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে মিথ্যাচারের অভিযোগ তুলে বেশ কিছু মেডিক্যাল রিপোর্ট প্রকাশ করেছেন বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী। এভাবে কি বিনা অনুমতিতে কারও রিপোর্ট প্রকাশ্যে আনা যায়? উঠেছে প্রশ্ন। এই নিয়ে এসএসকেএমের ডিরেক্টর, সুপার ও বিভাগীয় প্রধানকে আইনি চিঠি পাঠালেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আইনজীবী অর্ক নাগ। আর নিয়ে বলতে গিয়েই মুখ্যমন্ত্রীর হুঁশিয়ারি, ‘আমি ওঁর আইনজীবীকে বলব এসব নিয়ে বেশি ঘাঁটাঘাঁটি করবেন না। উনি ভেবেছিলেন চতুর্থবারের জন্য মুখ্যমন্ত্রী হবেন। তাই সব কাগজপত্র ওঁর ড্রয়ারে ছেড়ে গিয়েছিলেন। দরকার পড়লে এক্স-রে এবং এমআরআই রিপোর্টও প্রকাশ্যে আনা হবে। তখন এমন অবস্থা হবে ঘর থেকে বেরতে পারবেন না।’

তাছাড়া আইনি নোটিসে ডিজিটাল পার্সোনাল ডেটা প্রোটেকশন অ্যাক্ট, ২০২৩ সালের কথাও উল্লেখ করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আইনজীবী। আর সেই প্রসঙ্গ তুলেই শুভেন্দু অধিকারীর খোঁচা, ‘স্বাস্থ্য দপ্তর থেকে আমার কাছে পাঠিয়ে দিতে বলব, ওনার আইনজীবীর চিঠি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মনে হয় জানেন না, উনি কেস করেছিলেন। কেসটা সিআইডি নিয়েছিল। স্বাভাবিকভাবে এসএসকেএমে কোনও নথি পাওয়ার কথা নয়। বিজেপির বিরুদ্ধে এফআইআর হয়েছিল। সিআইডি তদন্ত হয়। উনি অনেক কাগজই ড্রয়ারে রেখে দিয়ে গিয়েছিলেন। অনেক কাগজ বের করে নিয়ে যেতে পারেননি।’

আরও পড়ুন:  ‘একদিন মমতার রাজনৈতিক উত্থান-পতন নিয়ে স্ক্রিপ্ট লিখব’—দল ছাড়ার পর বিস্ফোরক শতাব্দী রায়, নিশানায় অভিষেকও

Suman Debnath

Journalist

No comments to show.

Leave a Comment