---Advertisement---

‘তৃণমূলীকরণ হলে বিজেপি থাকবে না’, কর্মীদের কড়া হুঁশিয়ারি দিলেন শমীক

By Suman Debnath

August 2, 2026 6:10 PM

‘তৃণমূলীকরণ হলে বিজেপি থাকবে না’, কর্মীদের কড়া হুঁশিয়ারি দিলেন শমীক

---Advertisement---


রাজ্য বিজেপিকে ঢেলে সাজাতে চাইছেন রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। আর তার জন্য দলীয় কর্মীদের একের পর এক সতর্কবার্তা দিয়ে চলেছেন তিনি। তোলাবাজি সংস্কৃতি নিয়ে একদিন আগেই সরব হয়েছিলেন। যা নিয়ে রাজ্য-রাজনীতিতে আলোড়ন পড়ে গিয়েছিল। এবার বিজেপির মধ্যে তৃণমূলীকরণ যাতে না হয় তার জন্য কড়া ভাষায় সতর্ক করলেন বিজেপির এই রাজ্যসভার সাংসদ। কিন্তু কেন বারবার দলীয় নেতা-কর্মীদের সতর্ক করতে হচ্ছে? এই প্রশ্নের সরাসরি উত্তর হলো, দলের গাইডলাইন না মেনে বহু নেতা-কর্মী কাজ করছেন। যার জন্য নানা অভিযোগ এসে জমা পড়ছে রাজ্য দপ্তরে।

এই সব অভিযোগ দেখে বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব বেজায় খাপ্পা। কারণ তৃণমূল কংগ্রেস ক্ষমতায় থাকাকালীন তাদের নেতা-কর্মীরা তোলাবাজি, কাটমানি, সিন্ডিকেট করত বলে অভিযোগ। দুর্নীতির অভিযোগ বারবার উঠেছে। সেই একই জিনিস বিজেপিতে হোক সেটা চান না শীর্ষ নেতারা। আর তাই শমীক ভট্টাচার্য রবিবার কড়া ভাষায় বলেন, ‘তৃণমূলীকরণ হলে বিজেপি থাকবে না। এটা হবেই না। দু’একটি জায়গায় ছোটখাটো বিচ্যুতি আছে কর্মীদের। তাঁরাই নিজেদের সংশোধন করে নেবেন। বিজেপির তৃণমূলীকরণ হয় না, হতে পারে না। হলে সেটা আর বিজেপি থাকবে না। সুতরাং এটা হবেই না।’

আরও পড়ুন:  রাসবিহারী বসুর ভিটেয় সুলভ শৌচালয়! ‘বুলডোজার চালিয়ে গুঁড়িয়ে দাও’, দাবি বিজেপি বিধায়কের

ইতিমধ্যেই তৃণমূলের তিনজন রাজ্যসভার সাংসদ বিজেপির টিকিটে রাজ্যসভায় গিয়েছেন। বহু নেতা-কর্মী ছিলেন তৃণমূল, ৪ মে তারিখের পর রাতারাতি বিজেপি হয়ে গিয়েছেন। আর বিজেপিতে গিয়ে একই ধরণের খারাপ কাজ করে চলেছেন। যা নিয়ে রাজ্য নেতৃত্বের কাছে অভিযোগ জমা পড়েছে প্রচুর। আর সেটা দলের একাংশ কর্মীদের হাত ধরেই হতে শুরু করেছে। এই আবহে শমীকের কড়া বার্তা, ‘কেউ কেউ নিজেদের স্বঘোষিত কাউন্সিলর করে ফেলেছেন এলাকায় এলাকায়। রক্তদান শিবির করছেন ভাল কথা। ৪৪ জন রক্ত দেবেন, আর ৪৪৪টি মাইকের চোঙা থাকবে! এসবের থেকে বেরোতে হবে সমাজকে। এসব পরিবর্তন করার জন্যই তো মানুষ আমাদের ভোট দিয়েছেন।’

একদিন আগেই তোলাবাজি সংস্কৃতি নিয়ে দলীয় নেতা-কর্মীদের সতর্ক করেছিলেন শমীক ভট্টাচার্য। এই তোলাবাজি নিয়ে আগে সরব হয়েছিলেন বিধায়ক জিতেন্দ্র তিওয়ারি। রবিবার তা নিয়ে সুর চড়িয়েছেন রাজ্যের পঞ্চায়েতমন্ত্রী দিলীপ ঘোষ। তবে শমীক ভট্টাচার্যের বক্তব্য ছিল, ‘সবকিছুর সমাধান করা সম্ভব হয়নি। আমি যদি আমার দলের প্রতিনিধি হয়ে আপনাদের বলি যে, রাজ্যের সব জায়গা থেকে তোলাবাজি বন্ধ করে দিতে পেরেছি, তাহলে ভুল বলা হবে। বিচ্যুতি রয়ে গিয়েছে। আসলে একটা বিশেষ পদ্ধতির মধ্য দিয়ে মানুষ দীর্ঘদিন ধরে পরিচালিত হয়েছে। শুধু ক্ষমতার পটপরিবর্তন হলেই যে সমস্ত কিছু রাতারাতি বদলে যাবে, তেমনটা নয়। অভিমুখ বদলাতে সময় লাগবে না।’

আরও পড়ুন:  রথযাত্রায় শহরে মোতায়েন ২ হাজার পুলিশ, প্রতিটি রথের উপর থাকবে নজরদারি

---Advertisement---

Suman Debnath

Journalist

No comments to show.

Leave a Comment