---Advertisement---

দত্তপুকুরের নেশামুক্তি কেন্দ্রে নারী নির্যাতনের অভিযোগ, গণধর্ষণ মামলায় গ্রেপ্তার মালিক

By Suman Debnath

July 28, 2026 10:10 PM

দত্তপুকুরের নেশামুক্তি কেন্দ্রে নারী নির্যাতনের অভিযোগ, গণধর্ষণ মামলায় গ্রেপ্তার মালিক

---Advertisement---


উত্তর ২৪ পরগনার (North 24 Parganas) দত্তপুকুর (Duttapukur)-এর একটি নেশামুক্তি কেন্দ্রকে ঘিরে সামনে এল গুরুতর অভিযোগ। চিকিৎসার জন্য ভর্তি এক মহিলাকে দীর্ঘদিন ধরে যৌন নির্যাতন ও গণধর্ষণের অভিযোগে কেন্দ্রের মালিককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। অভিযোগে আরও দাবি করা হয়েছে, নির্যাতনের ভিডিও ধারণ করে ব্ল্যাকমেল করা হত এবং প্রাণনাশের হুমকিও দেওয়া হয়েছিল। ঘটনায় এলাকাজুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। পুলিশ এখন খতিয়ে দেখছে, অন্য কোনও আবাসিকও একই ধরনের নির্যাতনের শিকার হয়েছেন কি না।

পুলিশ সূত্রের দাবি, নির্যাতিতার অভিযোগের ভিত্তিতে দত্তপুকুরের একটি নেশামুক্তি কেন্দ্রের মালিক সন্দীপন মজুমদারকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। একই মামলায় অভিযুক্ত কেন্দ্রের এক কর্মী অজয় সর্দার এখনও পলাতক। মঙ্গলবার ধৃতকে বারাসত (Barasat) আদালতে তোলা হলে বিচারক তাঁকে পাঁচ দিনের পুলিশি হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

তদন্তকারীদের দাবি, প্রায় এক বছর আগে মদের নেশা থেকে মুক্তির চিকিৎসার জন্য ৩১ বছরের ওই মহিলাকে পরিবারের সদস্যরা নেশামুক্তি কেন্দ্রে ভর্তি করেছিলেন। অভিযোগ, চিকিৎসার আড়ালে তাঁকে বারবার অফিসঘরে ডেকে নিয়ে কেন্দ্রের মালিক ও এক কর্মী যৌন নির্যাতন চালাতেন। অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, নির্যাতনের ভিডিও তুলে তা দেখিয়ে ব্ল্যাকমেল করা হত এবং বিষয়টি প্রকাশ করলে প্রাণনাশের হুমকিও দেওয়া হয়।

আরও পড়ুন:  হাই কোর্টে বড় ধাক্কা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের, সব মামলায় মিলবে না রক্ষাকবচ

নির্যাতিতা পুলিশের কাছে আরও অভিযোগ করেছেন, কেন্দ্রে থাকা অন্য কয়েকজন মহিলা আবাসিকের সঙ্গেও একই ধরনের অমানবিক আচরণ করা হত। তবে এই অভিযোগের সত্যতা যাচাই করছে তদন্তকারী দল। চলতি বছরের ১৩ মে তিনি কোনওভাবে কেন্দ্র থেকে পালিয়ে আসেন। এরপরও অভিযুক্তদের তরফে তাঁকে হুমকি দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগে উল্লেখ রয়েছে।

সোমবার রাতে দত্তপুকুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের হওয়ার পরই তদন্ত শুরু করে পুলিশ। রাতেই বারাসতের পূর্বাশা এলাকা থেকে সন্দীপন মজুমদারকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁর বিরুদ্ধে গণধর্ষণ, বেআইনি আটকে রাখা, শারীরিক নির্যাতন-সহ একাধিক ফৌজদারি ধারায় মামলা রুজু হয়েছে।

পুলিশ জানিয়েছে, ধৃতকে জিজ্ঞাসাবাদ করে পলাতক অভিযুক্ত অজয় সর্দারের সন্ধান চালানো হচ্ছে। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট নেশামুক্তি কেন্দ্রের কার্যকলাপ, চিকিৎসার নামে অন্য কোনও অনিয়ম বা অপরাধমূলক কার্যকলাপ চলছিল কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

আরও পড়ুন:  পশ্চিমবঙ্গে শিল্পযুগের সূচনায় মুখ্যমন্ত্রী, আগের জমি নীতি আউট নয়া পথ ইন শুভেন্দুর

তদন্তকারী আধিকারিকদের মতে, অভিযোগ অত্যন্ত গুরুতর। তাই সমস্ত তথ্য, নথি এবং সম্ভাব্য সাক্ষ্যপ্রমাণ সংগ্রহ করে ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত করা হচ্ছে। একই সঙ্গে অভিযোগে উল্লেখিত অন্যান্য সম্ভাব্য ভুক্তভোগীদের বিষয়েও খোঁজ নেওয়া হচ্ছে। আদালতে বিচারপ্রক্রিয়া এবং তদন্তের অগ্রগতির উপরই এখন নির্ভর করছে মামলার পরবর্তী পদক্ষেপ।

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে



Google News







এবং Google Discover



Google Discover



-এ নজরবন্দি-কে Follow করে রাখুন।

---Advertisement---

Suman Debnath

Journalist

No comments to show.

Leave a Comment