---Advertisement---

হবিগঞ্জে এনসিপির বহরে হামলা: ছাত্রদল সভাপতিসহ আসামি ১১১, সাড়ে ৪ ঘণ্টা ব্যারিকেডের পর কামাইছড়ায় মামলা দায়ের

By Suman Debnath

July 30, 2026 12:00 AM

হবিগঞ্জে এনসিপির বহরে হামলা: ছাত্রদল সভাপতিসহ আসামি ১১১, সাড়ে ৪ ঘণ্টা ব্যারিকেডের পর কামাইছড়ায় মামলা দায়ের

---Advertisement---


হবিগঞ্জে এনসিপির বহরে হামলা: ছাত্রদল সভাপতিসহ আসামি ১১১, সাড়ে ৪ ঘণ্টা ব্যারিকেডের পর কামাইছড়ায় মামলা দায়ের


হবিগঞ্জ প্রতিনিধিঃ জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) গাড়িবহরে হামলা, ভাঙচুর ও শীর্ষ নেতাদের ওপর আক্রমণের ঘটনায় উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে হবিগঞ্জের রাজনৈতিক ময়দান। মঙ্গলবার রাতের ওই সহিংসতার জের ধরে জেলা ছাত্রদল সভাপতি রাজিব আহমদ রিংগনকে প্রধান আসামি করে ১১ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও ১০০ জনের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

বুধবার (২৯ জুলাই) রাত সাড়ে ৮টায় বাহুবল উপজেলার কামাইছড়া পুলিশ ফাঁড়িতে উপস্থিত হয়ে এনসিপির সহযোগী সংগঠন জেলা যুবশক্তির আহ্বায়ক তন্ময় তাহের বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। এ সময় এনসিপির কেন্দ্রীয় শীর্ষ নেতারা পুলিশ ক্যাম্পে উপস্থিত ছিলেন।

পূর্বঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী বুধবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে মৌলভীবাজার-হবিগঞ্জ সড়কের শ্রীমঙ্গল উপজেলার ‘চা কন্যা’ ভাস্কর্য এলাকায় পুলিশি ব্যারিকেডের মুখে পড়ে এনসিপির বহর।

আরও পড়ুন:  বঙ্গভবনে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতিকে গার্ড অব অনার প্রদান

নিরাপত্তাজনিত কারণে পুলিশ তাদের সামনে এগোতে বাধা দিলে রাস্তায় নেমে অবস্থান নেন এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, সদস্য সচিব আখতার হোসেন, দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ, উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম, মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী এবং ডা. মাহমুদা মিতুসহ কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ।

দীর্ঘ সাড়ে চার ঘণ্টা ধরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে চরম বাগবিতণ্ডা ও অবস্থান কর্মসূচির পর রাত ৮টার দিকে তারা কামাইছড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে গিয়ে মামলার এজাহার জমা দেন। হবিগঞ্জের পুলিশ সুপার (এসপি) তারেক মাহমুদসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা সেখানে অবস্থান করছিলেন।

মঙ্গলবার রাতে হবিগঞ্জ শহরে এনসিপির কর্মসূচি শেষে ফেরার পথে বিএনপি, ছাত্রদল ও যুবদলের সশস্ত্র নেতাকর্মীরা তাদের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে বলে দলটির পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়।

হামলায় এনসিপির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলমসহ অন্তত ১৫ জন নেতাকর্মী আহত হন। এ সময় নেতাদের বহনকারী মাইক্রোবাস ও সাংবাদিকদের গাড়ি ভাঙচুর করা হয়।

আরও পড়ুন:  মার্শাল আর্টের আড়ালে উগ্রবাদ, ২ জনের স্বীকারোক্তি

হামলার মুখে আত্মরক্ষার্থে সারজিস আলম ও নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী হবিগঞ্জ শহরের একটি সোনালী ব্যাংক শাখায় আশ্রয় নিতে বাধ্য হন। পরে পুলিশ গিয়ে তাদের অবরুদ্ধ অবস্থা থেকে উদ্ধার করে নিরাপদ স্থানে পৌঁছে দেয়।

বুধবার এনসিপি তাদের মৌলভীবাজারের কর্মসূচি স্থগিত করে হবিগঞ্জ শহরে বিক্ষোভ ও সমাবেশের ডাক দেয়। একই সময়ে জেলা বিএনপি ও ছাত্রদলও পাল্টা কর্মসূচির ঘোষণা দিলে সংঘাতের আশঙ্কায় পুরো হবিগঞ্জ পৌর এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করে প্রশাসন।

শহরের স্পর্শকাতর স্থানগুলোতে অতিরিক্ত পুলিশ ও আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন) মোতায়েন রাখা হয়েছে। আইনি পদক্ষেপ শেষ করে এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতারা মৌলভীবাজারে ফিরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

---Advertisement---

Suman Debnath

Journalist

No comments to show.

Leave a Comment