---Advertisement---

মিড-ডে মিলের খাবার বহনকারী যান নিয়ে এসওপি রাজ্যের, নয়া নির্দেশিকা জারি

By Suman Debnath

August 5, 2026 2:15 PM

মিড-ডে মিলের খাবার বহনকারী যান নিয়ে এসওপি রাজ্যের, নয়া নির্দেশিকা জারি

---Advertisement---


মিড-ডে মিল নিয়ে ইতিমধ্যেই বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য সরকার। ইসকনকে দায়িত্ব দিয়ে পড়ুয়াদের নিরামিষ সুষম খাবারের ব্যবস্থা করেছে। তার সঙ্গে রয়েছে ডিমও। যা পড়ুয়াদের কাছে বিশেষ আকর্ষণের। ডিম অবশ্য পৃথকভাবে দেওয়া হবে। বাহারি মেনুর ব্যবস্থা করা হয়েছে। যাতে একদিকে প্রোটিন অপরদিকে আকর্ষণ বজায় থাকে। একেক দিন একেকরকম মেনু থাকলে পড়ুয়াদের কাছে তা হয়ে উঠবে বাড়তি আকর্ষণের বিষয়। তার জেরে স্কুলে আসবে পড়াশোনা করতে। ফলে ঘটবে না ড্রপ আউট। এবার কলকাতার স্কুলগুলিতে মিড-ডে মিলের খাবার বহনকারী ট্রাকগুলিকে নির্দিষ্ট একই রুট ধরে যাতায়াত করতে হবে এমন নির্দেশিকা জারি হয়েছে।

এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যাতে চালকরা রাস্তা সম্পর্কে অবহিত থাকেন। তাহলে পড়ুয়াদের খাবার পেতে দেরি হবে না। সঠিক সময়ে পড়ুয়ারা স্কুলে বসেই গরম গরম খাবার খেতে পারবেন। রাজ্যের ‘পিএম পোষণ’ বা মিড-ডে মিল প্রকল্পে এবার ইসকনের খাবার পরিবেশনে স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিওর (এসওপি) সংক্রান্ত নির্দেশিকা জারি কর‍ল রাজ্যের স্কুলশিক্ষা দপ্তর। সুতরাং এবার থেকে সেই নির্দেশিকা মেনেই মিড-ডে মিলের কাজ করতে হবে। মিড-ডে মিল নিয়ে কোনও অভিযোগ বা অনিয়ম যাতে না হয় সেদিকেও নজর দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন:  ‘কুচুপুচু ইস্তফা দিন’, ‘ঝুট ইজ মাই এনার্জি’! মোদী-ধর্মেন্দ্রকে বিঁধে কলকাতার ছাত্র মিছিলে ভাইরাল পোস্টারের হাট

ওই নির্দেশিকায় উল্লেখ করা হয়েছে, এবার থেকে মিড-ডে মিলের গাড়িতে জিপিএস ট্র্যাকিং বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। কলকাতা পুরসভা এলাকার ৫০০ স্কুলে ৪৪ হাজার পড়ুয়াকে ১ আগস্ট থেকে মিড–ডে মিল সরবরাহের দায়িত্ব ইসকন পেলেও সব স্কুলে সময়ে খাবার পৌঁছচ্ছে না, আর পৌঁছলে সেটা দেরিতে পৌঁছচ্ছে বলে অভিযোগ উঠতে শুরু করেছে। সেই অভিযোগ যাতে আর না ওঠে তার জন্যই এমন পদক্ষেপ করা হয়েছে বলে সূত্রের খবর। তবে সমস্যা যতক্ষণ না সম্পূর্ণ মিটছে ততক্ষণ সংশয় থেকেই যাচ্ছে।

রাজ্য সরকারের নয়া বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, মর্নিং স্কুলে সকাল সাড়ে ৮টা এবং ডে স্কুলে বেলা দেড়টার মধ্যে খাবার পৌঁছে দিতেই হবে। এই দায়িত্ব থাকবে ইসকনের খাবার পরিবেশনকারী নির্ধারিত ফাউন্ডেশনের উপর। ডেডিকেটেড ডেলিভারি কর্মীদের কাছ থেকে স্কুলের ভারপ্রাপ্ত শিক্ষক খাবারের হিসেব বুঝে নেবেন এবং চালানে সই করবেন। কোনও অবস্থায় খাবার পরিবহণকারী গাড়িকে স্কুলে দাঁড় করিয়ে রাখা যাবে না। একইসঙ্গে কোনও স্কুল এককভাবে শিফটের সময় বদলের দাবিও করতে পারবে না। কোনও বিশেষ প্রয়োজন থাকলে নোডাল অফিসারকে কারণ দেখিয়ে লিখিত আবেদন করতে হবে। প্রত্যেকটি স্কুলে ছাত্র সংখ্যার অনুপাতে ‘কুক-কাম-হেল্পার’ নিযুক্ত থাকবে।

আরও পড়ুন:  কলেজস্ট্রিট ও পার্কস্ট্রিটে ফুটপাথ দখল করে দোকান, কড়া নির্দেশঅগ্নিমিত্রার, ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম!

---Advertisement---

Suman Debnath

Journalist

No comments to show.

Leave a Comment