---Advertisement---

কলকাতা হাইকোর্টে এনআইএ-র বিশেষ আদালত গঠন নিয়ে বৈঠক, দ্রুত পরিকাঠামো তৈরির আশ্বাস পিডব্লিউডি-র

By Suman Debnath

July 15, 2026 11:55 AM

কলকাতা হাইকোর্টে এনআইএ-র বিশেষ আদালত গঠন নিয়ে বৈঠক, দ্রুত পরিকাঠামো তৈরির আশ্বাস পিডব্লিউডি-র

---Advertisement---


এনআইএ-র মামলাগুলির দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যে বিশেষ এনআইএ আদালত গঠনের বিষয় নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক হয়েছে। মঙ্গলবারের সেই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের স্বরাষ্ট্রসচিব সঙ্গমিত্রা ঘোষ, পূর্ত (পিডব্লিউডি) সচিব অন্তরা আচার্য, অতিরিক্ত সলিসিটর জেনারেল ধীরাজ ত্রিবেদী, কলকাতা হাইকোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল, ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তী, এনআইএ-র ডিএসপি, এনআইএ-র প্যানেলভুক্ত আইনজীবীরা অরুণ কুমার মাইতি-সহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের অন্যান্য আধিকারিকরা।

উল্লেখ্য, গত ৯ জুলাইও এই বিষয়ে একটি বৈঠক হয়েছিল। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুসারে তখন সিটি সেশনস কোর্টের চতুর্থ তলায় দুটি এনআইএ বিশেষ আদালত গড়ে তোলার প্রস্তাব রাখা হয়েছিল। সূত্রের খবর, মঙ্গলবার প্রায় দেড় ঘণ্টা ধরে সেই বৈঠকে এনআইএ-র পক্ষ থেকে চতুর্থ তলায় আদালত স্থাপন নিয়ে একাধিক বাস্তব সমস্যার কথা তুলে ধরা হয়। এনআইএ-র প্রতিনিধিরা জানান, ওই তলাতেই একটি পকসো আদালত রয়েছে। ফলে সেখানে অতিরিক্ত ভিড়ের সম্ভাবনা রয়েছে। এর পাশাপাশি, এনআইএ আদালতের জন্য প্রস্তাবিত কক্ষগুলিও আয়তনে যথেষ্ট ছোট বলে তারা জানান।

আরও পড়ুন:  ‘সুখেন্দুবাবুকে কেউ বদমাশ বলবে না’, রাজ্যসভার প্রার্থীকে নিয়ে অকপট দিলীপ

এছাড়াও এনআইএ-র ডিএসপি এবং প্যানেলভুক্ত আইনজীবীরা জানান, আদালত যদি চতুর্থ তলায় হয় তবে প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ নথি, ফাইল, ফোল্ডার ও নথির বাক্স উপরে নিয়ে যাওয়া অত্যন্ত কঠিন হবে। সেক্ষেত্রে এনআইএ-র জন্য লিফট ব্যবহারে পূর্ণাঙ্গ অগ্রাধিকার অথবা চতুর্থ তলাতেই একটি পৃথক রেকর্ড রুমের প্রয়োজনীয়তার বিষয়টি বৈঠকে তুলে ধরা হয়।

এনআইএ-র এই উদ্বেগের পরিপ্রেক্ষিতে পূর্ত সচিব অন্তরা আচার্য আশ্বাস দিয়ে জানান, দ্রুত প্রয়োজনীয় পরিকাঠামো গড়ে তোলার কাজ সম্পন্ন করা হবে। এর পাশাপাশি চতুর্থ তলাটি সম্পূর্ণভাবে দুটি এনআইএ আদালত এবং একটি পৃথক রেকর্ড রুমের জন্য বরাদ্দ করার বিষয়েও উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে তিনি জানিয়েছেন।

বৈঠকে দুটি এনআইএ আদালতে কীভাবে মামলার বণ্টন হবে সেই বিষয়েও বিস্তারিত আলোচনা হয়। একটি প্রস্তাবে বিভিন্ন জেলার ভিত্তিতে দুটি আদালতের এক্তিয়ার ভাগ করে দেওয়ার কথা বলা হলেও এনআইএ-র পক্ষ থেকে সেই প্রস্তাবের বিরোধিতা করা হয়। তাদের বক্তব্য, জেলা-ভিত্তিক এক্তিয়ার নির্ধারণ করা হলে আদালতের কার্যক্ষমতা সীমাবদ্ধ হয়ে পড়বে এবং দ্রুত বিচার প্রক্রিয়া ব্যাহত হতে পারে। কারণ কোনও কোনও জেলার মামলার সংখ্যা কম হলে আদালতের কার্যকর ব্যবহার বাধাগ্রস্ত হবে।

আরও পড়ুন:  বিমানবন্দর থেকে সরছে বাঁকড়া মসজিদ, শনিবার থেকে বন্ধ নমাজ ও এন্ট্রি পাস

এই বিষয়ে চূড়ান্ত মতামত জানাতে কলকাতা হাইকোর্টে এনআইএ-র প্যানেলভুক্ত আইনজীবীরা তাঁদের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে একটি লিখিত রিপোর্ট রেজিস্ট্রার জেনারেলের কাছে জমা দেবেন। সূত্রের খবর, আজ অর্থাৎ বুধবার সন্ধ্যা কিংবা বৃহস্পতিবার সকালেই সেই রিপোর্ট জমা পড়তে পারে।

---Advertisement---

Suman Debnath

Journalist

No comments to show.

Leave a Comment