---Advertisement---

‘কতই রঙ্গ দেখি দুনিয়ায়’, সাংসদ জগদীশের কথা শুনে তুলোধনা করলেন কুণাল

By Suman Debnath

September 14, 2026 7:10 PM

‘কতই রঙ্গ দেখি দুনিয়ায়’, সাংসদ জগদীশের কথা শুনে তুলোধনা করলেন কুণাল

---Advertisement---


এনসিপিআই-তে থাকা ২০ জন বিধায়কের মধ্যে ১৭ জন দুর্গাপুজোর আগেই যোগ দেবে বিজেপিতে। সোমবার সংবাদমাধ্যমের সামনে এমনই দাবি করেছেন সাংসদ জগদীশ বর্মা বসুনিয়া। বাকি তিনজন কেন্দ্রীয় সরকারের নানা কমিটিতে থাকবে। কিন্তু বিজেপিতে যোগ দেবেন না। তাঁরা এনডিএ-কে সমর্থন করবেন। এই কথা সংবাদমাধ্যমে সম্প্রচারিত হওয়ার পর রাজ্য-রাজনীতিতে ব্যাপক আলোড়ন পড়ে গিয়েছে। যদিও এই দাবিকে সিলমোহর দেয়নি বঙ্গ-বিজেপি। এমন বিচিত্র পরিস্থিতি দেখে এবার জগদীশ বর্মা বসুনিয়া এবং এনসিপিআই সাংসদদের তুলোধনা করলেন বেলেঘাটার তৃণমূল কংগ্রেস বিধায়ক কুণাল ঘোষ।

এই ২০ জন সাংসদরা তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে এনসিপিআই দলে যোগ দিয়েছিলেন। তাঁর মধ্যে ১৭ জনের সরাসরি বিজেপিতে যোগ দেওয়ার কথা এবার সামনে এসেছে। জগদীশ বর্মার এমন দাবির পর রীতিমতো তাঁদের নিয়ে হাসির খোরাক করলেন কুণাল ঘোষ। এই দলত্যাগী ২০ জন সাংসদকে ‘নীতিহীন’, ‘বিশ্বাসঘাতক’ এবং ‘বিজেপির দালাল’ বলে তুলোধনা করেন তিনি। কুণাল জানান, তৃণমূলের প্রতীকে এবং বিজেপি-বিরোধী ভোটে জিতে এভাবে অন্য দলের দুয়ারে দুয়ারে ঘুরে বেড়ানো সাধারণ মানুষের জনমতের সঙ্গে চরম বেইমানি। জগদীশের কথা শুনে কুণালের তোপ, ‘যেখানে ধোঁয়া বেরোচ্ছে, তার পিছনে নিশ্চয়ই শুভেন্দুর উস্কে দেওয়া আগুন আছে। এটার থেকেই প্রমাণিত হয়, কতখানি নীতিহীন, দিকশূন্য এবং সুবিধাবাদী রাজনীতি করছেন এই দলবদলুরা।’

ইতিমধ্যেই বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য এনসিপিআই-তে থাকা ১৭ জন সাংসদের বিজেপিতে যোগদান নিয়ে বলেছেন, মঙ্গল গ্রহের বিজেপির কথা হয়তো বলেছেন কোচবিহারের সাংসদ। সুতরাং জগদীশ বর্মা বসুনিয়ার কথা পুরোপুরি খারিজ করে দিয়েছেন তিনি। বেলেঘাটার বিধায়ক অবশ্য এনসিপিআই-তে যাওয়া সাংসদদের কীর্তিকলাপকে নোংরামো বলে ব্যাখ্যা করেছেন। কুণালের খোঁচা, ‘দিল্লিতে ধোপার বাড়ি যাওয়া ওই ২০ জন সাংসদ রাজনীতিকে আর কত নীচে নামাবেন? নীতি বা আদর্শের তো কোনও বালাই নেই! যত মুখ খুলছেন, তত দুর্গন্ধ বেরোচ্ছে। কতই রঙ্গ দেখি দুনিয়ায়।’

তাছাড়া এই ২০ জন সাংসদ যে ধান্দাবাজ সেটা আরও একবার ফুটে উঠেছে কুণালের মন্তব্যে। তাই বেলেঘাটার বিধায়কের কথায়, ‘বিজেপি ভাল করেই বুঝেছিল যে, এই নোংরা এবং নীতিহীন নেতাদের সরাসরি দলে নিলে জনসমক্ষে ভাবমূর্তি নষ্ট হবে। তাই ওদের এনসিপিআই নামে একটা আলাদা দোকান বা ‘শেল কোম্পানি’ খুলে দিয়েছিল। এখন তো এদের সমস্ত কেলেঙ্কারি ও সুবিধাবাদী বিষয় প্রকাশ্যে চলে এসেছে। দিশাহীন এই সাংসদরা নিজেরাও জানে না যে আজ তারা কোথায় দাঁড়িয়ে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মুখ্যমন্ত্রী পদে নেই দেখেই এরা দিল্লিতে গিয়ে রঙের খেলা দেখাতে শুরু করেছিল। কিন্তু বাংলায় এই বেইমান এবং গিরগিটির রাজনীতি ব্যর্থ হতে বাধ্য। এই বিশ্বাসঘাতকদের বাংলার মানুষ স্থায়ীভাবে প্রত্যাখ্যান করেছেন।’

---Advertisement---

Suman Debnath

Journalist

No comments to show.

Leave a Comment