---Advertisement---

‘পুলিশ তুলছে ২০ হাজার টাকা করে তোলা’, বিস্ফোরক অভিযোগ পঞ্চায়েতমন্ত্রীর

By Suman Debnath

August 6, 2026 12:00 PM

‘পুলিশ তুলছে ২০ হাজার টাকা করে তোলা’, বিস্ফোরক অভিযোগ পঞ্চায়েতমন্ত্রীর

---Advertisement---


তোলাবাজির অভিযোগে জর্জরিত রাজ্য। পশ্চিমবঙ্গকে স্বচ্ছ করতে চাইছে বিজেপি সরকার। কিন্তু কিছুতেই তা হচ্ছে না। কখনও দলের নেতা-কর্মীরা তোলাবাজি করছে, কখনও পুলিশ তোলাবাজির কাজে যুক্ত হচ্ছে। এমন সব অভিযোগ এসে জমা হচ্ছে বিজেপির রাজ্য দপ্তরে। যা নিয়ে রীতিমতো বিরক্ত বিজেপি নেতারা। ইতিমধ্যেই বিজেপির শীর্ষ নেতারা তোলাবাজি সংস্কৃতি নিয়ে সরব হয়েছেন। জিতেন্দ্র তিওয়ারি থেকে শুরু করে শমীক ভট্টাচার্য, অগ্নিমিত্রা পাল, অর্জুন সিং এবং দিলীপ ঘোষ মুখ খুলেছেন তোলাবাজির বিরুদ্ধে। সেগুলি সবই ছিল দলের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে। এবার খোদ পুলিশের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ করলেন রাজ্যের পঞ্চায়েতমন্ত্রী দিলীপ ঘোষ।

তোলাবাজি যেন কিছুতেই বন্ধ করা যাচ্ছে না। এবার তা নিয়ে রাজ্যের মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ কাঠগড়ায় তুললেন পুলিশের একাংশকে। কৃষকদের কাজের যন্ত্রপাতি রাজ্যের সীমান্ত দিয়ে ঢোকার সময় চাওয়া হচ্ছে ২০ হাজার টাকা। পুলিশ এই টাকা চাইছে বলে সরব হলেন রাজ্যের পঞ্চায়েতমন্ত্রী। যা নিয়ে রীতিমতো ঢি-ঢি পড়ে গিয়েছে। পুলিশে রাজনীতিকরণ হবে না, তোলাবাজি, কাটমানি থাকবে না এবং আইনের শাসন তৈরি হবে বলে বারবার ঘোষণা করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সেখানে পুলিশের বিরুদ্ধেই এমন অভিযোগ তাঁর মন্ত্রীসভার সদস্য তোলায় জোর আলোড়ন পড়ে গিয়েছে।

আরও পড়ুন:  জয় গোস্বামীকে চোর স্লোগান, তসলিমার সভায় হইচই! ‘ভরসা ইন’ বলতে গিয়ে মুখ ফসকে ‘ভরসা আউট’ সঞ্চালকের

আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করতে মুখ্যমন্ত্রী থেকে শুরু করে অন্যান্য মন্ত্রীরা যথেষ্ট চেষ্টা করছেন। থানাগুলিতে ছুটে যাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী স্বয়ং। জিরো এফআইআর পদ্ধতি থেকে শুরু করে গুন্ডা দমন আইন নিয়ে আসা হচ্ছে। কোনও দুর্নীতি বা অপরাধে জিরো টলারেন্স নীতি নেওয়া হয়েছে। সেখানে দলের নেতা-কর্মীদের তোলাবাজির অভিযোগের পাশাপাশি কাঠগড়ায় রাজ্য পুলিশের একাংশকে দাঁড় করিয়ে দিলেন পঞ্চায়েতমন্ত্রী। দিলীপ ঘোষের অভিযোগ, ‘ভিন রাজ্য থেকে এই রাজ্যে কৃষকদের জন্য আসা যন্ত্রপাতি ঢোকার মুখে তোলাবাজি দিতে হচ্ছে।২০ হাজার টাকা তোলা দিয়ে মেশিন সীমান্ত থেকে নিয়ে আসতে বাধ্য হচ্ছেন কৃষকরা। পুলিশ দাঁড়িয়ে থেকে টাকা তুলছে। টাকা তুলছে এজেন্সিও। যে কারণে কৃষকদের কাছে যন্ত্রপাতি হয় অনেক দামে পৌঁছচ্ছে অথবা সেগুলি পৌঁছচ্ছেই না।’

আরও পড়ুন:  পালাবদলের রাজ্যে হয়ে গেল বিজনেস মিট

তাছাড়া এখানেই থেমে থাকেননি রাজ্যের পঞ্চায়েতমন্ত্রী। কাউকে যে রেয়াত করা হবে না সেই হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন তিনি। একদিন আগেই ‘বিশ্ব বাংলা কনভেনশন সেন্টারে’ বিকশিত এগফুড টেক সামিটে উপস্থিত হয়ে সরাসরি তোলাবাজি নিয়ে সুর চড়িয়ে দিলীপ ঘোষের হুঁশিয়ারি, ‘রাজ্যের একাংশের যেন এই রোগ কিছুতেই সারতেই চাইছে না। তোলাবাজির কারণে কৃষকরা জর্জরিত। বাংলা সীমান্তে নো এন্ট্রি বোর্ড লেগে গিয়েছে। তোলার টাকা না দিলে গাড়ি ঢুকতে দেওয়া হবে না। যে কারণে কৃষকদের কাছে সার থেকে হারভেস্টিং মেশিন অনেক দেরিতে পৌঁছচ্ছে। কারা কারা রাজ্য সীমান্তগুলিতে দাঁড়িয়ে তোলাবাজি করছে, তাদের প্রত্যেককে চিহ্নিত করা হচ্ছে। কাউকে ছাড়া হবে না। কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মানুষের স্বার্থ যাঁরা বিপন্ন করবে এই সরকার তাঁদের কোনওভাবেই ছাড় দেবে না।’

---Advertisement---

Suman Debnath

Journalist

No comments to show.

Leave a Comment