---Advertisement---

বিজেপি নেতাকে খুনের ঘটনায় আসাম থেকে গ্রেপ্তার তৃণমূল কর্মী, পুরষ্কার ঘোষণা করেছিল সিবিআই

By Suman Debnath

August 6, 2026 3:00 PM

বিজেপি নেতাকে খুনের ঘটনায় আসাম থেকে গ্রেপ্তার তৃণমূল কর্মী, পুরষ্কার ঘোষণা করেছিল সিবিআই

---Advertisement---


২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে বিপুল জয় আসে তৃণমূল কংগ্রেসের। আর তার পর থেকে বিজেপি নেতা-কর্মীদের উপর আক্রমণ নামিয়ে আনে তারা বলে অভিযোগ। এই ভোট পরবর্তী হিংসায় বেলেঘাটা এলাকার বিজেপি নেতা অভিজিৎ সরকারকে হত্যা করা হয় বলে অভিযোগ। যা নিয়ে তদন্ত করছিল সিবিআই। এবার বড়সড় সাফল্য পেল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। দীর্ঘদিন ধরে সিবিআইয়ের নজর এড়িয়ে গা-ঢাকা দিয়েছিল অভিযুক্ত তৃণমূল কর্মী অরূপ দাস। এবার এই অরূপ দাসকে গ্রেপ্তার করল সিবিআই। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে তার উপর ভিত্তি করে আসাম থেকে অরূপকে গ্রেপ্তার করল সিবিআই আধিকারিকরা।

আসাম থেকে দিল্লিগামী একটি ট্রেন থেকে অরূপ দাসকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরিচয় গোপন করে ট্রেনে কোচ অ্যাটেন্ড্যান্টের কাজ করছিল এই অরূপ। তার খোঁজ পেতে ৫০ হাজার টাকা পুরষ্কার ঘোষণা করেছিল সিবিআই। ধৃতকে ট্রানজিট রিমান্ডে কলকাতায় নিয়ে আসা হচ্ছে বলে সূত্রের খবর। ধৃত অরূপ দাস কলকাতা পুরসভার প্রাক্তন পুরপ্রতিনিধি তথা এই মামলার অন্যতম অভিযুক্ত স্বপন সমাদ্দারের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ বলেই পরিচিত। সিবিআই সূত্রে খবর, বৃহস্পতিবার আসামে সংশ্লিষ্ট স্থানীয় আদালতে পেশ করে অরূপ দাসকে ট্রানজিট রিমান্ডে কলকাতায় নিয়ে আসার আইনি প্রক্রিয়া করা হয়।

আরও পড়ুন:  ‘ছাত্র, ইডিয়ট আর অন্ধভক্ত’— NEET ইস্যুতে রাহুল গান্ধীর বিস্ফোরক মন্তব্য সংসদে, শুরু বিতর্ক

২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের ফলপ্রকাশের পরে রাজ্যের নানা প্রান্তে ভোট পরবর্তী হিংসা ছড়ানোর অভিযোগ উঠেছিল। তখনই ভোট-পরবর্তী হিংসায় কাঁকুড়গাছির অভিজিৎ সরকার খুন হন বলে অভিযোগ। অভিজিতের পরিবারের অভিযোগ, ফলপ্রকাশের পরেই গলায় তার পেঁচিয়ে এবং পিটিয়ে মেরে ফেলা হয় অভিজিৎকে। প্রথমে নারকেলডাঙা থানার পুলিশ ওই ঘটনার তদন্ত শুরু করে। পরে কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে পুলিশের হাত থেকে তদন্তভার যায় সিবিআইয়ের হাতে। অভিজিৎ সরকার হত্যাকাণ্ডের পর থেকেই গা-ঢাকা দিয়েছিলেন অরূপ দাস। দীর্ঘদিন ধরে নানা চেষ্টা করেও পুলিশ এবং সিবিআই অরূপের কোনও সন্ধান পাচ্ছিল না। এরপর সিবিআইয়ের পক্ষ থেকে ওই পলাতক অভিযুক্তের মাথার উপর ৫০ হাজার টাকার নগদ পুরষ্কারও ঘোষণা করা হয়েছিল।

তাছাড়া সিবিআই অনুসন্ধানের পর এই মূল অভিযুক্তের গ্রেপ্তারিতে স্বস্তির আলো দেখছে নিহত বিজেপি নেতার পরিবার। এই ভোট পরবর্তী হিংসা মামলায় পুলিশ প্রথমে ১৫ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট জমা দিয়েছিল। পরে ২০২১ সালের সেপ্টেম্বরে প্রথম অতিরিক্ত চার্জশিট জমা করে সিবিআই। তাতে ২০ জন অভিযুক্তের নাম ছিল পুলিশের দেওয়া ১৫ জনের নাম ধরে। ২০২৫ সালের জুলাই মাসে দ্বিতীয় অতিরিক্ত চার্জশিট জমা দেয় সিবিআই। দ্বিতীয় অতিরিক্ত চার্জশিটে মোট ১৮ জন অভিযুক্তের নাম উল্লেখ করেছিল সিবিআই।

আরও পড়ুন:  ‘বিদেশি মদতে দেশবিরোধী চক্রান্ত! বাংলায় অশান্তি করলে কড়া ব্যবস্থা’, নিট-আন্দোলন নিয়ে হুঁশিয়ারি তাপসের

---Advertisement---

Suman Debnath

Journalist

No comments to show.

Leave a Comment