---Advertisement---

ত্রিপুরায় আইপিএল বেটিং চক্রের বিরুদ্ধে ইডির বড় পদক্ষেপ, বাজেয়াপ্ত ১ কোটি ৫ লক্ষ টাকার সম্পত্তি!

By Suman Debnath

August 1, 2026 9:17 PM

ত্রিপুরায় আইপিএল বেটিং চক্রের বিরুদ্ধে ইডির বড় পদক্ষেপ, বাজেয়াপ্ত ১ কোটি ৫ লক্ষ টাকার সম্পত্তি!

---Advertisement---

আগরতলা, ১ আগস্ট: ত্রিপুরায় অবৈধ আইপিএল ও ক্রিকেট বেটিং চক্রের বিরুদ্ধে তদন্তে বড় পদক্ষেপ নিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। অর্থ পাচার প্রতিরোধ আইন (পিএমএলএ), ২০০২-এর আওতায় আগরতলা সাব-জোনাল অফিস প্রায় ১ কোটি ৫ লক্ষ টাকা মূল্যের স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি অস্থায়ীভাবে বাজেয়াপ্ত করেছে।

ইডি সূত্রে জানা গেছে, বাজেয়াপ্ত সম্পত্তির মধ্যে অভিযুক্ত ব্যক্তি এবং তাঁর স্ত্রীর নামে থাকা মোট নয়টি স্থাবর সম্পত্তি এবং বিভিন্ন ব্যাংক অ্যাকাউন্টে জমা থাকা অর্থ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

ত্রিপুরা পুলিশের আমতলী থানায় ভারতীয় দণ্ডবিধি এবং ত্রিপুরা গ্যাম্বলিং অ্যাক্ট, ১৯২৬-এর বিভিন্ন ধারায় প্রসেনজিৎ পাল ও লক্ষ্মণ পালের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া এফআইআরের ভিত্তিতে ইডি পিএমএলএ-র আওতায় তদন্ত শুরু করে।

তদন্তে উঠে আসে, ২০২৩ সালের ১১ মে প্রসেনজিৎ পালের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে ত্রিপুরা পুলিশ ৯৩ লক্ষ টাকা নগদ অর্থ, একটি ল্যাপটপ, একাধিক মোবাইল ফোন, চারটি ডেবিট কার্ড এবং বেটিং-সংক্রান্ত লেনদেনের হিসাব-সংবলিত ১৭টি নোটবই উদ্ধার করেছিল।

আরও পড়ুন:  সাব্রুমে কর্মজীবী মহিলাদের জন্য ‘সখী নিবাস’ হোস্টেলের উদ্বোধন, নারী সুরক্ষায় নতুন দিগন্ত

ইডির অভিযোগ, প্রসেনজিৎ পাল তাঁর মামা লক্ষ্মণ পাল এবং আরও কয়েকজন সহযোগীকে নিয়ে আইপিএল ও অন্যান্য ক্রিকেট ম্যাচকে কেন্দ্র করে একটি সংঘবদ্ধ অবৈধ বেটিং চক্র পরিচালনা করতেন। পাশাপাশি, লক্ষ্মণ পালের বিরুদ্ধে প্রসেনজিৎ পালকে এই কাজে সহযোগিতা করা এবং তাঁকে গ্রেফতার এড়াতে সহায়তা করার অভিযোগও উঠেছে।

তদন্তে আরও জানা যায়, লক্ষ্মণ পাল তাঁর স্ত্রী ঝুমা দে পালের নামে পরিচালিত একাধিক ব্যাংক অ্যাকাউন্টে বিপুল পরিমাণ অর্থ জমা করেছিলেন। সেই অর্থ দিয়ে পশ্চিম ত্রিপুরা এবং কলকাতায় একাধিক জমি ও অন্যান্য স্থাবর সম্পত্তি কেনা হয় বলে অভিযোগ। ইডির দাবি, এসব সম্পদের বৈধ আয়ের কোনও নথিভুক্ত উৎস খুঁজে পাওয়া যায়নি।

বর্তমান বাজেয়াপ্তির আওতায় পশ্চিম ত্রিপুরা ও কলকাতার কৃষিজমি এবং আবাসিক জমিসহ মোট নয়টি স্থাবর সম্পত্তি ও বিভিন্ন ব্যাংক অ্যাকাউন্টে থাকা অর্থ অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

আরও পড়ুন:  মন্ত্রী বিকাশের এলাকায়, যাতায়াতের প্রধান সড়কে ঘটছে না বিকাশ! ভগ্নদশাগ্ৰস্থ সড়ক!

উল্লেখ্য, এই মামলায় এটি ইডির দ্বিতীয় অস্থায়ী বাজেয়াপ্তির নির্দেশ। এর আগে চলতি বছরের ১৬ মার্চ প্রসেনজিৎ পাল এবং তাঁর মায়ের নামে থাকা সম্পত্তিও বাজেয়াপ্ত করা হয়েছিল।

---Advertisement---

Suman Debnath

Journalist

No comments to show.

Leave a Comment