মোহনবাগান কোচ হিসেবে এর চেয়ে ভালো শুরু আর কী হতে পারে? সমর্থকেরা আনন্ন্দে মাতোয়ারা। সবুজ মেরুনের গ্রিক কোচ প্যানাগিওতিস দিলম্পেরিস তবু নির্বিকার।
তিনি মাটিতেই পা রাখতে চান।প্যানোস নামেই বেশি জনপ্রিয় সবুজ-মেরুন কোচ মরসুমের প্রথম ডার্বি জয়ের পর বললেন, ‘ম্যাচটা কঠিন ছিল।প্রস্তুতির বেশি সময় ছিল না বলে ভালো মানের ফুটবল খেলতে পারিনি। ৬৫ মিনিট পর্যন্ত তো আমরাই দাপট দেখিয়েছি। তখন তো একটা দলই খেলেছে’।
শেষ দিকে তারা অতিরিক্ত রক্ষ্মণাত্মক হয়ে যাওয়ায় ইস্টবেঙ্গল একাধিক গোলের সুযোগ তৈরি করে। কেন এত ডিফেন্সিভ ফুটবল? প্যানোস বলেন, ‘আমরা ইচ্ছাকৃত রক্ষণাত্মক ফুটবল খেলিনি। ছেলেরা কিছুটা ক্লান্তও হয়ে পড়েছিল। পরের ম্যাচের ইউ আমাদের হাতে অনেকটা সময় আছে। দ্বিতীয় ম্যাচে মোহনবাগানকে আরও শক্তিশালী দেখবেন।’
ইস্টবেঙ্গল শেষ দিকে একাধিক গোলের সুযোগ তৈরি করলেও গোলকিপার বিশাল কয়েথের অসাধারণ দক্ষতা মোহনবাগানকে ড্রয়ের হাত থেকে বাঁচিয়ে দেয়।
তবে আলাদা করে বিশালের প্রশংসা করতে রাজি নন প্যানোস। তাঁর যুক্তি, এটাই বিশালের কাজ। তিনি বলেন, ‘বিশাল তার কাজ করেছে মাত্র। যেটা ওর করার কথা, সেটাই করেছে। বাড়তি কিছুই করেনি। তাই আলাদা করে বলার কিছু নেই’।
হবে প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। তাই সবুজ-মেরুন কোচের বক্তব্য, ‘সব বিভাগে উন্নতি করতে হবে আমাদের। ফুটবল আমার কাছে একটা ধর্ম। এই দলটাকে নিয়ে সমর্থকদের প্রচুর প্রত্যাশা। তাই আমাদের অনেক উন্নতি করতে হবে।’
অন্যদিকে, ইস্টবেঙ্গল কোচ আন্তোনিও লোপেজ হাবাস তার প্রাক্তন দলের কাছে হেরেও বর্তমান দলের লড়াইয়ে সন্তুষ্ট। কিন্তু অসন্তোষ প্রকাশ করলেন রেফারিং নিয়ে।
একটি ফাউলে শুভাশিস বোসকে শুধু হলুদ কার্ড দেখানোয় হাবাস খুশি নন। হাবাসের মতে, ওটা লাল কার্ড হতে পারত।
লাল-হলুদের নতুন কোচ বললেন, ‘আমি তো আমার দলকে ভালোভাবে চিনি না। বিদেশিরা তো মাত্র একটা সেশন অনুশীলন করেছে। তবে দলের লড়াইয়ে আমি খুশি। দ্বিতীয়ার্ধে আমরা সাত-আটটা সুযোগ তৈরি করেছি। তবে গোল করতে পারিনি। এই জায়গাটা আমাদের শোধরাতে হবে। মোহনবাগান মাত্র একটা সুযোগ পেয়েছে। দলের এই স্পিরিটটাই আসল।’ তবে হাবাস প্রশংসা করলেন তাঁর পুরনো ছাত্র বিশাল কয়েথের। স্প্যানিশ কোচের মত, বিশাল ভারতের সেরা গোলকিপার। সেই সঙ্গে জানিয়ে দিলেন, লাল-হলুদের নতুন বিদেশি নাচো মনসালভে সোমবার আসবেন।
Leave a Comment