---Advertisement---

কলকাতা লিগে টানা দ্বিতীয় হার, পিছিয়ে পড়ল মোহনবাগান, জয়ের ধারা অব্যহত ভবানীপুরের

By Suman Debnath

August 7, 2026 6:35 PM

কলকাতা লিগে টানা দ্বিতীয় হার, পিছিয়ে পড়ল মোহনবাগান, জয়ের ধারা অব্যহত ভবানীপুরের

---Advertisement---


সবুজ-মেরুন বাহিনীর কাছে এই ম্যাচ ছিল ঘুরে দাঁড়ানোর লড়াই। কিন্তু শেষ পর্যন্ত হতাশ হতে হল তাদের। ভবানীপুরের কাছে ১-২ গোলে হেরে লিগ তালিকায় অনেকটা পিছিয়ে পড়ল মোহনবাগান সুপার জায়ান্ট। অন্যদিকে, দুর্দান্ত জয়ের ফলে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে উঠে এল ভবানীপুর।

গত ম্যাচে সিনিয়র দলের তারকাদের খেলিয়েও কাস্টমসের কাছে হারতে হয়েছিল মোহনবাগানকে। এ দিনের ম্যাচে দুরন্ত ছন্দে থাকা ভবানীপুর উজ্জীবিত ফুটবল উপহার দেয়। আগাগোড়া ভালো খেলে শেষ পর্যন্ত দুর্দান্ত জয় পায় তারা। তাদের ফর্মে থাকা আক্রমণভাগের ফুটবলার সাহিল হরিজন, জিতেন মুর্মুরা নিজেদের উজাড় করে দেন। যার ফলে বেশ চাপে পড়ে যায় কিয়ান নাসিরির নেতৃত্বাধীন দল।

এ দিন ম্যাচের ৮০ মিনিট পর্যন্ত ম্যাচ ছিল গোলশূন্য। শেষ দশ মিনিটের জমজমাট নাটকই ম্যাচের ফলাফল গড়ে দেয়। ভবানীপুরের হয়ে গোল করেন সাহিল হরিজন ও রবি হাঁসদা। মোহনবাগানের হয়ে একমাত্র গোলটি করেন জ্যোতি লস্কর। এই জয়ের ফলে লিগ টেবলের শীর্ষে উঠে পড়ল ভবানীপুর। টানা দুই ম্যাচ হেরে সুপার সিক্সের আশা আরও ক্ষীণ হয়ে গেল সবুজ-মেরুনের। তারা এখন চার নম্বরে, ভবানীপুর, ইস্টবেঙ্গল ও কাস্টমসের পরে। শীর্ষে থাকা ভবানীপুরের চেয়ে ছ’পয়েন্ট পিছিয়ে তারা।

আরও পড়ুন:  ৪৮ ঘণ্টা নিখোঁজ থাকার পর বাড়ি ফিরলেন শুটার দময়ন্তী সেন, কারণ কী? তদন্তে সামনে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য

এই ম্যাচের আগে লিগ টেবিলে সবুজ-মেরুনের উপরেই ছিল ভবানীপুর। পাঁচ ম্যাচে তিন ম্যাচে জয় ও একটিতে ড্র করে বাস্তব রায়ের ছেলেরা তৃতীয় স্থানে ছিল। এ দিন লিগের ছ’নম্বর ম্যাচে খেললেও সেভাবে ছন্দে পাওয়া যায়নি তাদের। দুরন্ত ছন্দে থাকা ভবানীপুর বরং উজ্জীবিত ফুটবল উপহার দেয় সারা ম্যাচেই।

সাহিল-জিতেনরা দুর্দান্ত ফর্মেই ছিলেন। এই ম্যাচে সেই ফর্মেরই ধারাবাহিকতা বজায় রাখলেন তাঁরা। ম্যাচের ১২ মিনিটের মাথায় জিতেন মুর্মুর দূরপাল্লার শট বাঁচান মোহনবাগান গোলকিপার দীপ্রভাত ঘোষ।

বল দখলের লড়াই থেকে আক্রমণ—এদিন সবেতেই মোহনবাগানকে টেক্কা দেয় ভবানীপুর। সবুজ-মেরুন বাহিনী একাধিক আক্রমণ করেও ব্যর্থ হয়। ১৯ মিনিটের মাথায় অফসাইডের কারণে গোল বাতিল হয় তাদের। এর পরই পাল্টা আক্রমণে ভবানীপুরের গোলমুখী শট দুর্দান্ত দক্ষতায় রুখে দেন বাগান গোলরক্ষক। কিয়ান নাসিরির জোরালো শট পোস্টে লেগে ফিরে আসে। প্রথমার্ধের সংযুক্ত সময়ে বাঁদিক থেকে কিয়ানের ফ্রিকিক দুরন্ত দক্ষতায় ফিস্ট করে বের করে দেন ভবানীপুরের গোলরক্ষক আদিত্য পাত্র। প্রথমার্ধে খুব একটা গোছানো ফুটবল খেলতে পারেনি মোহনবাগান।

আরও পড়ুন:  রোহিত-কাণ্ডে চাপে অজিত আগরকর! প্রধান নির্বাচকের পদে ইতি, বোর্ডের নজরে লক্ষ্মণ?

গোলশূন্য অবস্থায় বিরতিতে যাওয়ার পর মাঠে ফিরেও তেমন বদলায়নি ম্যাচের ছবি। বরং ক্রমশ আক্রমণের ধারা বাড়াতে থাকে ভবানীপুর। ৮০ মিনিটের মাথায় গোলের মুখ খুলে ফেলে ভবানীপুর। দুই ডিফেন্ডারকে ধোঁকা দিয়ে বাঁ পায়ের ইনস্টেপে দুর্দান্ত গোল করেন সাহিল হরিজন। মোহনবাগানের বিরুদ্ধে গোল করে গ্যালারিতে বাবার দিকেও ছুটে যান তিনি।

তবে তাদের এই আনন্দ অবশ্য বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। ৮৬ মিনিটেই সমতা ফেরান বিভান জ্যোতি লস্কর। কিন্তু নাটক জমে ওঠে একেবারে শেষ দিকে। মোহনবাগানের গোলের দু’মিনিট পরেই দূরপাল্লার দুরন্ত শটে মোহনবাগানের জালে বল জড়িয়ে দেন রবি হাঁসদা। এই গোলের পর আর সমতা আনতে পারেনি মোহনবাগান এসজি।

---Advertisement---

Suman Debnath

Journalist

No comments to show.

Leave a Comment