---Advertisement---

যোগীর সফরের পরই বড় ধাক্কা! বর্ষার প্রথম বৃষ্টিতেই ধসে পড়ল ৩০০ বছরের প্রাচীন বাবা বৈজুনাথ মন্দির

By Suman Debnath

July 20, 2026 1:55 PM

যোগীর সফরের পরই বড় ধাক্কা! বর্ষার প্রথম বৃষ্টিতেই ধসে পড়ল ৩০০ বছরের প্রাচীন বাবা বৈজুনাথ মন্দির

---Advertisement---


উত্তরপ্রদেশে (Uttar Pradesh) যোগী আদিত্যনাথ (Yogi Adityanath)-এর সফরের আগে জাঁকজমক করে সংস্কার ও সৌন্দর্যায়ন করা হয়েছিল ৩০০ বছরের প্রাচীন বাবা বৈজুনাথ মন্দির। কিন্তু বর্ষার প্রথম দফার বৃষ্টির পরই ভেঙে পড়ল ঐতিহাসিক সেই মন্দিরের বড় অংশ। সন্ত কবিরনগর (Sant Kabir Nagar) জেলার বাসওয়ারী গ্রামে ঘটে যাওয়া এই ঘটনায় সৌভাগ্যবশত কোনও প্রাণহানি হয়নি। ইতিমধ্যেই ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে মন্দির পুনর্নির্মাণের আশ্বাস দিয়েছে প্রশাসন।

রবিবার সকাল থেকে এলাকায় হালকা বৃষ্টি শুরু হয়। স্থানীয়দের দাবি, বৃষ্টির কিছুক্ষণের মধ্যেই মন্দিরের মূল কাঠামোয় ফাটল দেখা যায়। এরপর দুপুর প্রায় ১টা নাগাদ আচমকাই গর্ভগৃহের গম্বুজ এবং মন্দিরের পিছনের প্রায় ৭০ শতাংশ অংশ হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ে। বর্তমানে কেবল সামনের বারান্দার অংশটুকুই অক্ষত রয়েছে।

আরও পড়ুন:  জয়পুরে সম্পত্তি ও চাকরির লোভে মাকে খুনের অভিযোগ, গ্রেপ্তার মেয়ে

ঘটনার সময় মন্দিরে বহু ভক্ত উপস্থিত ছিলেন। তবে দ্রুত পরিস্থিতি সামাল দেওয়ায় বড় দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয়েছে। কেউ আহত না হওয়ায় স্বস্তি ফিরেছে স্থানীয়দের মধ্যে। তবুও তিন শতাব্দী প্রাচীন এই ঐতিহ্যবাহী মন্দিরের এমন পরিণতিতে এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

উল্লেখযোগ্যভাবে, গত ২৫ জুন এই মন্দিরে পুজো দিতে এসেছিলেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। তাঁর সফরকে কেন্দ্র করে মন্দিরে ব্যাপক সংস্কার ও সৌন্দর্যায়নের কাজ হয়েছিল। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, এই মন্দির অত্যন্ত জাগ্রত হিসেবে পরিচিত এবং প্রতি সোমবার এখানে হাজার হাজার ভক্তের সমাগম হয়।

জানা গিয়েছে, প্রায় ৩০০ বছর আগে নির্মিত এই মন্দিরটি ঐতিহ্যবাহী লাখোরি ইট এবং সুড়কি দিয়ে তৈরি হয়েছিল। দীর্ঘদিনের পুরনো কাঠামো এবং বর্ষার জলের প্রভাবে মন্দিরের বড় অংশ ধসে পড়েছে বলে প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে। যদিও ধসের প্রকৃত কারণ জানতে প্রশাসন বিস্তারিত তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে।

আরও পড়ুন:  ‘ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ মানেই নাগরিকত্ব শেষ নয়’, বাংলার ‘SIR’ মামলায় গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ সুপ্রিম কোর্টের

খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছন ধানঘাটার বিধায়ক গণেশ চৌহান, জেলাশাসক অলোক কুমার, পুলিশ সুপার সন্দীপ কুমার মীনা-সহ প্রশাসনের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা। তাঁদের উপস্থিতিতে ধ্বংসস্তূপ সরানোর কাজ শুরু হয়েছে। পাশাপাশি শিবলিঙ্গকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে সংরক্ষণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যাতে শ্রাবণ মাসে ভক্তদের পুজো-অর্চনায় কোনও বিঘ্ন না ঘটে।

জেলাশাসক অলোক কুমার জানিয়েছেন, ঐতিহাসিক গুরুত্ব বিবেচনা করে সরকারিভাবেই বাবা বৈজুনাথ মন্দির পুনর্নির্মাণ করা হবে। একই সঙ্গে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়ে ভক্তদের জন্য মন্দিরটি আবারও চালু করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

---Advertisement---

Suman Debnath

Journalist

No comments to show.

Leave a Comment