---Advertisement---

বনগাঁর সীমান্ত লাগোয়া গ্রামে তদন্তে নামল এনআইএ, বাংলায় নতুন এনআইএ’র থানা

By Suman Debnath

July 22, 2026 7:10 PM

বনগাঁর সীমান্ত লাগোয়া গ্রামে তদন্তে নামল এনআইএ, বাংলায় নতুন এনআইএ’র থানা

---Advertisement---


বনগাঁ ও বাগদার সীমান্তবর্তী গ্রামগুলিতে গড়ে উঠেছে দক্ষিণবঙ্গের সবচেয়ে বড় অনুপ্রবেশের চক্র। এমনই অভিযোগ উঠতে শুরু করেছে। খোদ কেন্দ্রীয় সংস্থার কাছে এমনই তথ্য রয়েছে বলে সূত্রের খবর। শুধু অনুপ্রবেশ নয়, চক্রের মাধ্যমে জঙ্গি অনুপ্রবেশ এবং জঙ্গি কার্যকলাপের তহবিলের লেনদেনের সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখছেন গোয়েন্দারা। জুলাই মাসের প্রথম সপ্তাহেই বাংলাদেশ থেকে অনুপ্রবেশ করা অবৈধ নাগরিকদের ভুয়ো ভারতীয় পরিচয়পত্র তৈরি করে দেশের নানা প্রান্তে পাঠানোর একটা চক্রের তদন্তে এফআইআর করেছে এনআইএ। বনগাঁ থানায় নথিভুক্ত এফআইআরের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করেছেন গোয়েন্দারা। আর বুধবার রাজ্যে এনআইএ থানা নিয়ে ক্যাবিনেট বৈঠকে প্রস্তাব গৃহীত হয়েছে।

এদিকে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে কাঁটাতার দেওয়ার লক্ষ্যে একাধিক জেলায় বিএসএফকে জমি দেওয়া হবে বলেও সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। এই আবহে অনুপ্রবেশ চক্রের তদন্তে নেমে বনগাঁ থানা এলাকার বাংলাদেশ সীমান্ত লাগোয়া রামচন্দ্রপুর-ভিড়া গ্রামের বাসিন্দা সাহাবুদ্দিন মণ্ডলের নাম পেয়েছে এনআইএ। এই চক্রের মাথা সাহাবুদ্দিন। গ্রামে নিজেকে ছোট ব্যবসায়ী হিসাবে পরিচয় দিয়ে সাহাবুদ্দিন এইসব কারবার চালাত বলে অভিযোগ। গত মে মাসের শেষ সপ্তাহে বেআইনি অস্ত্র মামলায় সাহাবুদ্দিনকে গ্রেপ্তার করেছে বনগাঁ থানা। বৈদেশিক মুদ্রা কেনা-বেচার ব্যবসাও করত ধৃত সাহাবুদ্দিন বলে জানতে পেরেছেন তদন্তকারীরা।

আরও পড়ুন:  পঞ্চায়েতে ১১ হাজার চাকরির বড় ঘোষণা! ডিসেম্বরেই শুরু হবে নিয়োগ, এবার পুরো প্রক্রিয়া হবে পিএসসি-র মাধ্যমে

অন্যদিকে এই রাজ্যে অনুপ্রবেশের এমন সব ঘটনা ঘটছে বলে এনআইএ’র থানা খুব প্রয়োজন হয়ে পড়েছে। তাই শুভেন্দু অধিকারীর সরকার এবার নতুন থানা তৈরি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সল্টলেকে সিবিআইযের সদর কার্যালয় রয়েছে। এখন সেখান থেকেই সমস্ত কাজ পরিচালনা করা হয়। এবার একটি থানা করা হবে বলে মন্ত্রীসভায় প্রস্তাব গৃহীত হয়েছে। অতি দ্রুত সমস্ত সরকারি প্রক্রিয়া শেষ করার পর থানা নির্মাণের কাজ শুরু হবে বলে নবান্ন সূত্রে খবর। তবে সেই থানাটি কোথায় হবে সেটা এখনও জানা যায়নি। দ্রুততার সঙ্গে তা জানানো হবে। আর এনআইএ সূত্রে খবর, ব্যবসার আড়ালেই দীর্ঘদিন ধরে অনুপ্রবেশের কারবার চালাত সাহাবুদ্দিন। তদন্তে ওই এলাকায় সাহাবুদ্দিনের একাধিক শাগরেদের নামও উঠে এসেছে। তারা সকলেই নদিয়ার দত্তফুলিয়ার বাসিন্দা।

আরও পড়ুন:  রথের দিনে নন্দীগ্রামে ভয়ানক দুর্ঘটনা, বিদ্যুৎস্পৃষ্ট ২৫

তাছাড়া কেন রাজ্যে প্রয়োজন এনআইএ থানা? এই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। রাজ্যের একাধিক মামলার তদন্ত করছে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা (এনআইএ)। আগের সরকারের আমলে একাধিক মামলার তদন্ত করছেন এনআইএ অফিসাররা। নতুন করে নানা মামলায় তদন্ত শুরু করছেন এনআইয়ের অফিসাররা। তাই বাড়ছে কাজের চাপও। এই দিকগুলি বিবেচনা করেই এবার নতুন থানার তৈরির প্রস্তাব গৃহীত হয়েছে ক্যাবিনেট বৈঠকে।

---Advertisement---

Suman Debnath

Journalist

No comments to show.

Leave a Comment