---Advertisement---

ধর্মেন্দ্রর পর টার্গেট গড়কড়ি! এবার আসরে ‘ই-২০ জনতা পার্টি’, সোশ্যাল মিডিয়ায় ঝড়

By Suman Debnath

July 27, 2026 3:00 PM

ধর্মেন্দ্রর পর টার্গেট গড়কড়ি! এবার আসরে ‘ই-২০ জনতা পার্টি’, সোশ্যাল মিডিয়ায় ঝড়

---Advertisement---


ইথানল মিশ্রিত পেট্রল নীতি ঘিরে বাড়ছে বিতর্ক। সোশ্যাল মিডিয়ায় দ্রুত জনপ্রিয় হচ্ছে ‘ই-২০ জনতা পার্টি’, অন্যদিকে ১ আগস্ট দেশজুড়ে আন্দোলনের ডাক দিল আম আদমি পার্টি।

দিল্লি: কেন্দ্রের ইথানল মিশ্রিত পেট্রল (E20 Fuel) নীতিকে ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক তীব্র হচ্ছে। ‘ককরোচ জনতা পার্টি’-র পর এবার সোশ্যাল মিডিয়ায় আত্মপ্রকাশ করেছে ‘ই-২০ জনতা পার্টি’। একই সঙ্গে আম আদমি পার্টির (Aam Aadmi Party) জাতীয় আহ্বায়ক অরবিন্দ কেজরিওয়াল (Arvind Kejriwal) ঘোষণা করেছেন, ই-২০ নীতির বিরুদ্ধে আগামী ১ আগস্ট থেকে আন্দোলনে নামবে তাঁর দল। যানবাহনের ক্ষতি, মাইলেজ কমে যাওয়া এবং ইথানল নীতি নিয়ে একাধিক প্রশ্নকে সামনে রেখেই এই আন্দোলনের প্রস্তুতি শুরু হয়েছে।

সম্প্রতি শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান (Dharmendra Pradhan)-এর পদত্যাগের দাবিতে সোশ্যাল মিডিয়ায় আলোচিত ‘ককরোচ জনতা পার্টি’-র পর এবার নতুন বিতর্কের কেন্দ্রে উঠে এসেছে ‘ই-২০ জনতা পার্টি’। কেন্দ্রের ইথানল মিশ্রিত পেট্রল নীতির বিরোধিতাকে হাতিয়ার করে তৈরি হওয়া এই সংগঠন খুব অল্প সময়ের মধ্যেই সামাজিক মাধ্যমে নজর কেড়েছে।

আরও পড়ুন:  বাবার সমালোচনা সইল না! ট্রোলিংয়ের জেরে সমাজমাধ্যম থেকে ‘উধাও’ শিক্ষামন্ত্রীর কন্যা

সংগঠনটির এক্স (X) হ্যান্ডেলে ইতিমধ্যেই প্রায় ৫০ হাজার জন অনুসরণকারী রয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে। পাশাপাশি ইনস্টাগ্রামেও তাদের অনুসরণকারীর সংখ্যা ২ লক্ষ ৫০ হাজার ছাড়িয়েছে । তবে এই সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা বা পরিচালনাকারীদের পরিচয় এখনও প্রকাশ্যে আসেনি।

ই-২০ বা ২০ শতাংশ ইথানল মিশ্রিত পেট্রল ব্যবহারের ফলে গাড়ির ইঞ্জিনের ক্ষতি হচ্ছে এবং জ্বালানির মাইলেজ কমে যাচ্ছে— এমন অভিযোগ দীর্ঘদিন ধরেই বিভিন্ন মহলে উঠছে। একই সঙ্গে কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহণ ও মহাসড়ক মন্ত্রী নীতীন গড়কড়ি (Nitin Gadkari)-র পরিবারের সঙ্গে যুক্ত ইথানল ব্যবসা নিয়েও রাজনৈতিক মহলে নতুন করে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। যদিও এই অভিযোগগুলির বিষয়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষের অবস্থানও জনসমক্ষে রয়েছে এবং বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক অব্যাহত।

সোমবার সাংবাদিক বৈঠকে অরবিন্দ কেজরিওয়াল কেন্দ্রের কাছে ইথানল নীতি পুনর্বিবেচনার দাবি জানান। তাঁর বক্তব্য, এই নীতির কারণে সাধারণ মানুষ সমস্যার মুখে পড়ছেন, বহু যানবাহনের ক্ষতি হচ্ছে এবং জ্বালানি খরচ বেড়ে যাওয়ার অভিযোগও সামনে আসছে। পরিস্থিতি আরও জটিল হওয়ার আগেই কেন্দ্রের হস্তক্ষেপ প্রয়োজন বলেও তিনি আবেদন জানান।

আরও পড়ুন:  ‘দেশে সততার দাম নেই, প্রশ্নপত্র থেকে নির্বাচন—সবই বিক্রি হচ্ছে’, মোদিকে কড়া বার্তা সোনম ওয়াংচুকের

শুধু বক্তব্যেই সীমাবদ্ধ থাকেননি আপ প্রধান। আগামী ১ আগস্ট দিল্লির টাউনহলে (Delhi Town Hall) ই-২০ নীতির বিরুদ্ধে একটি বড় কর্মসূচিরও ঘোষণা করা হয়েছে। কেজরিওয়ালের দাবি, এই কর্মসূচিতে হাজার হাজার মানুষ অংশ নেবেন। দিল্লির বাইরে থাকা সমর্থকদেরও অনলাইনের মাধ্যমে যুক্ত হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

সব মিলিয়ে ইথানল মিশ্রিত পেট্রল নীতিকে ঘিরে রাজনৈতিক চাপ ক্রমশ বাড়ছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় নতুন সংগঠনের উত্থান এবং আপের ঘোষিত আন্দোলন আগামী দিনে এই বিতর্ককে আরও বড় রাজনৈতিক ইস্যুতে পরিণত করতে পারে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ।

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে



Google News







এবং Google Discover



Google Discover



-এ নজরবন্দি-কে Follow করে রাখুন।



---Advertisement---

Suman Debnath

Journalist

No comments to show.

Leave a Comment