কলাপাড়া উপজেলা বিএনপির সাধারন সম্পাদক ও কুয়াকাটা পৌর বিএনপির সাধারন সম্পাদকের পদ স্থগিত

By Suman Debnath

October 8, 2026 4:05 PM

কলাপাড়া উপজেলা বিএনপির সাধারন সম্পাদক ও কুয়াকাটা পৌর বিএনপির সাধারন সম্পাদকের পদ স্থগিত


কলাপাড়া উপজেলা বিএনপির সাধারন সম্পাদক ও কুয়াকাটা পৌর বিএনপির সাধারন সম্পাদকের পদ স্থগিত।


কলাপাড়া প্রতিবেদক: পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এ্যাডভোকেট হাফিজুর রহমান চুন্নু ও কুয়াকাটা পৌর বিএনপির সাধারন সম্পাদক মো মতিউর রহমান মতি’র সাধারণত সম্পাদক পদ স্থগিত করা হয়েছে। বুধবার পটুয়াখালী জেলা বিএনপির সভাপতি স্নেহাংশু সরকার কুট্রি ও সাধারন সম্পাদক এ্যাড. মো. মজিবুর রহমান টোটন স্বাক্ষরিত এক নোটিশের মাধ্যমে তার পদ স্থগিত করা হয়।

ওই নোটিশে বলা হয়,দলীয় শৃঙ্খলা ও সাংগঠনিক স্বার্থের পরিপন্থি কর্মকান্ডের অভিযোগের প্রেক্ষিতে দুজনারই সাধারণ সম্পাদকের পথ স্থগিত করা হলো। দলের ভাবমূর্তি রক্ষা ও সাংগঠনিক শৃঙ্খলা বজায় রাখার স্বার্থে বুধবার থেকে এ সিদ্ধান্ত কার্যকর হয়েছে।

আরও পড়ুন:  আর্জেন্টাইন ক্লাবের জার্সিতে বিতর্কিত স্লোগান

উল্লেখ্য, গত ২২ সেপ্টেম্বর মানিব্যাগ চুরির অপবাদে জিসান (১২) নামের এক শিশু ও তার মা নাজমা বেগম (৩৫) কে বেত্রাঘাত করার অভিযোগ উঠে উপজেলা বিএনপির সাধারন সম্পাদক এ্যাডভোকেট হাফিজুর রহমান চুন্নুর বিরুদ্ধে। এঘটনায় বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক্স মিডিয়ায় সংবাদ প্রকাশ হয় এবং মারধরের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়।

এদিকে, মতিউর রহমান হাওলাদার বিচারাধীন ও আদালতে নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকা জমি সংক্রান্ত বিরোধীয় এক পক্ষকে কাগজপত্র, সাক্ষী ও প্রমানাদিসহ কুয়াকাটা পৌর বিএনপির কার্যালয়ে হাজির হওয়ার জন্য নির্দেশ প্রদান করেন। ওই নোটিশে উল্লেখ করা হয়, ওই পক্ষ নির্ধারিত সময় উপস্থিত না হলে তাদের অনুপস্থিতিতেই ওই জমির বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিবেন তিনি। মতিউর রহমানের এ কর্মকান্ড দলীং শৃঙ্খলা বিরোধী। এ ঘটনা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও প্রিন্ট মিডিয়ায় বেশ ভাইরাল হলে জেলা বিএনপি তাকে শোকজ করে এবং পরে তার পদ স্থগিত করে ।

আরও পড়ুন:  এলএনজি ঘাটতিতে তীব্র গ্যাস সংকট

পটুয়াখালী জেলা বিএনপির সভাপতি স্নেহাংশু সরকার কুট্রি বলেন, দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের কারনে তাদের পদ স্থগিত করা হয়েছে। তারা দলীয় কোন প্রোগ্রামে অংশগ্রহন করতে পারবেনা। যদি কোন নেতা কর্মী দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ কিংবা সমাজ বিরোধী কাজে জড়িত থাকে ভবিষ্যতে তাদের বিরুদ্ধেও ঠিক এভাবে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহন করা হইবে।

Suman Debnath

Journalist

No comments to show.

Leave a Comment