কার্যকর ও ফলপ্রসূ সফরের জন্য যত দিন সময় প্রয়োজন, জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে অংশ নিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঠিক তত দিনই যুক্তরাষ্ট্র সফর করবেন। আজ রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে প্রধানমন্ত্রীর আসন্ন জাতিসংঘ সফর নিয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান পররাষ্ট্র সচিব আসাদ আল সিয়াম।
পররাষ্ট্র সচিব বলেন, প্রধানমন্ত্রীর এবারের জাতিসংঘ সফরকে সর্বোচ্চ কার্যকর করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এ কারণে সফরের সময়সীমা কঠোরভাবে বেঁধে না দিয়ে প্রয়োজনীয় কর্মসূচি ও দ্বিপক্ষীয় বৈঠকগুলোর সময়সূচিকে বিবেচনায় রাখা হয়েছে। অর্থাৎ, সফল ও ফলপ্রসূ একটি সফরের জন্য যতটুকু সময় প্রয়োজন, প্রধানমন্ত্রী ঠিক তত দিনই নিউ ইয়র্কে অবস্থান করবেন।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সাধারণ বিতর্ক পর্বে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলায় ভাষণ দেবেন। তার এই ঐতিহাসিক ভাষণে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক নবযাত্রা, আইনের শাসন ও জবাবদিহিতা জোরালোভাবে স্থান পাবে। পাশাপাশি বিশ্ব শান্তি ও নিরাপত্তা, জলবায়ু পরিবর্তন, টেকসই উন্নয়ন (এসডিজি) এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতার মতো গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক বিষয়গুলোও তার বক্তব্যে তুলে ধরা হবে।
সফরে জাতিসংঘের আয়োজনে মোট পাঁচটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এসব বৈঠকে বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থ ও বিভিন্ন বৈশ্বিক সংকট নিয়ে আলোচনা হবে। এর বাইরেও বাংলাদেশ নিজ উদ্যোগে দুটি পৃথক সাইডলাইন ইভেন্ট বা পার্শ্ববৈঠকের আয়োজন করেছে, যার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সামনে দেশের সুনির্দিষ্ট অগ্রাধিকার ও অবস্থান আরও স্পষ্ট করা হবে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কোনো বৈঠক হবে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্র সচিব জানান, বহুপক্ষীয় এ ধরনের সফরের কর্মসূচিতে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত নানা কর্মসূচি যোগ বা বিয়োগ হতে পারে। ফলে এই সাক্ষাতের বিষয়ে এখনই নিশ্চিত করে কিছু বলা না গেলেও সূচিতে পরিবর্তন আসার সুযোগ রয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে আরও জানানো হয়, প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী হিসেবে সরকারের দুইজন মন্ত্রীর পাশাপাশি দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনের শীর্ষ নেতা সাইফুল হক ও গোলাম মহিউদ্দিনও সফরসঙ্গী হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র যাবেন।
আমার বাঙলা/রাজীব








Leave a Comment