---Advertisement---

জাপানে ভূমিকম্প: নিহত ১৩ | Amar Bangla BANGLADESH

By Suman Debnath

July 29, 2026 9:35 AM

জাপানে ভূমিকম্প: নিহত ১৩ | Amar Bangla BANGLADESH

---Advertisement---


গতকাল মঙ্গলবার জাপানে ৭ দশমিক ১ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পের পর দেশটির দক্ষিণাঞ্চলীয় প্রধান দ্বীপ কিউশুর কুমামোতো জেলা থেকে এ পর্যন্ত ১৩ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ধ্বংসস্তূপে এখনও অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযান চলমান থাকায় মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।


মঙ্গলবার রাতে এক সংবাদ সম্মেলনে জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি বলেন, “এখনও অনেক মানুষ বিভিন্ন ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকা পড়ে আছেন। সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে উদ্ধার অভিযান চালাতে হচ্ছে, কারণ প্রতিটি মুহূর্তই অত্যন্ত মূল্যবান। আটকে পড়া সবাইকে উদ্ধারে আমরা সর্বোচ্চ সক্ষমতা কাজে লাগাব।”


স্থানীয় সময় মঙ্গলবার বিকেল ৪টা ২৭ মিনিটে (বাংলাদেশ সময় দুপুর ১টা ২৭ মিনিটে) কিউশু দ্বীপে ৭ দশমিক ১ মাত্রার এই ভূমিকম্প আঘাত হানে। জাপানের আবহাওয়া ও ভূমিকম্প পর্যবেক্ষণ সংস্থা জেএমএর তথ্য অনুযায়ী, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল কুমামোতো জেলার উপকূলসংলগ্ন সাগরের প্রায় ২০ কিলোমিটার গভীরে।

আরও পড়ুন:  গ্রেপ্তার না করলে আত্মসমর্পণ করবেন লতিফ সিদ্দিকী


ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল সাগরের অগভীর অংশে হওয়ায় কিউশুর বিস্তীর্ণ এলাকায় তীব্র কম্পন অনুভূত হয়। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে কুমামোতো জেলা। বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থার ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির কারণে এখনও জেলার ৩৬ হাজারেরও বেশি বাড়িঘরে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে। পাশাপাশি সড়ক অবকাঠামোও মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। জেলার অধিকাংশ সড়কেই ফাটল দেখা দিয়েছে, ফলে উদ্ধার তৎপরতা ব্যাহত হচ্ছে।


ভূমিকম্পের অল্প সময় পরেই অনুসন্ধান ও উদ্ধার তৎপরতা শুরু হয় কুমামোতোর বিভিন্ন এলাকার ধ্বংসস্তূপগুলোতে। উদ্ধারকর্মীদের রাতভর প্রচেষ্টায় আজ বুধবার স্থানীয় সময় সকাল পর্যন্ত এই ১৩ জনের মরদেহ উদ্ধার হয়েছে।


ভূমিকম্পের প্রায় এক ঘণ্টা পর কুমামোতোর এক এলাকায় একটি শপিং মলে বিস্ফোরণ ঘটে। ধারণা করা হচ্ছে, ভবনটির গ্যাস সরবরাহ লাইনে লিকেজই বিস্ফোরণের কারণ। মলটির ধ্বংসস্তূপ থেকে ২০ বছর বয়সী দু’জন তরুণীর দেহ উদ্ধার করা হয়েছে এবং এখনও নিখোঁজ আছেন অনেক মানুষ।

আরও পড়ুন:  আসছে প্রবাসী কার্ড, প্রবাসফেরতদের পুনর্বাসনসহ মিলবে ১০ সুবিধা


বড় মাত্রার ভূমিকম্পের পর ‘আফটারশক’- এর আশঙ্কা থাকে। এ কারণে শহরের অনেক বাসিন্দা এখনও ভূমিকম্প আশ্রয়কেন্দ্রে রয়ে গেছেন।


কুমামোতো কিউশুর বৃহত্তম জেলা শহর। প্রায় ৭ লাখ মানুষ বসবাস করেন শহরটিতে।


এদিকে হাজার হাজার বাড়িঘর বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন অবস্থায় থাকা এবং তাপমাত্রা ৩৪ ডিগ্রিতে পৌঁছানোয় শহরের বাসিন্দারা হিটস্ট্রোকের ঝুঁকিতে আছে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে নগর কর্তৃপক্ষ।


আমার বাঙলা/ রাব্বি

---Advertisement---

Suman Debnath

Journalist

No comments to show.

Leave a Comment