সরকারের সঙ্গে আলোচনার সুযোগ দিতে প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফকে সময় দিলেও প্রতিবাদ কর্মসূচি ও ইসলামাবাদ অভিমুখী লংমার্চ থেকে সরে আসছে না জামায়াত-ই-ইসলামী পাকিস্তান। দলটির স্পষ্ট ঘোষণা, উদ্ভূত পরিস্থিতির সম্পূর্ণ দায় সরকারকেই নিতে হবে।
পাকিস্তানের ইংরেজি দৈনিক 'দ্য এক্সপ্রেস ট্রিবিউন'-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, মুলতানে এক সংবাদ সম্মেলনে জামায়াত প্রধান হাফিজ নাঈমুর রহমান জানান, দীর্ঘ আলোচনার পর তাদের অবস্থান কর্মসূচি ও প্রতিবাদ চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত বহাল রয়েছে। তবে সাধারণ মানুষকে স্বস্তি দেওয়ার বিষয়ে আলোচনার জন্য প্রধানমন্ত্রীকে সময় দেওয়া হবে। তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ বিদেশ থেকে যোগাযোগ করে লংমার্চ বাতিল বা পেছানোর অনুরোধ করেছেন এবং দেশে ফিরে জামায়াত নেতাদের সঙ্গে বৈঠকের আশ্বাস দিয়েছেন।
সরকারের উদ্দেশে হাফিজ নাঈমুর রহমান বলেন, ‘আপনার মন্ত্রীরা অনেক দিন ধরে নানা প্রতিশ্রুতি দিয়ে আসছেন, যার ফলেই আজ আমাদের এই অবস্থানে আসতে হয়েছে।’ তীব্র গরমে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার কোনো ইচ্ছা তাদের নেই উল্লেখ করে তিনি জানান, পেট্রোলিয়াম পণ্যের ওপর থেকে অতিরিক্ত শুল্ক বাতিলই তাদের প্রধান দাবি। সরকারের দেওয়া বর্তমান ত্রাণ প্যাকেজকে অপর্যাপ্ত আখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, আলোচনার জন্য এটিই সরকারের শেষ সুযোগ।
বিদ্যুৎ, গ্যাস ও পেট্রোলের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে দেশজুড়ে চলমান এই আন্দোলনের অংশ হিসেবে প্রধানমন্ত্রী দেশে ফিরে আলোচনা না করা পর্যন্ত জামায়াতের কর্মীরা মাঠে সক্রিয় থাকবেন এবং সরকারের কাছ থেকে লিখিত নিশ্চয়তা চাইবেন বলে জানানো হয়েছে।
আমার বাঙলা/রাজীব
Leave a Comment