---Advertisement---

বিজেপি ক্ষমতায় আসার পরেই তোলাবাজি শুরু, সাধারণ সম্পাদককে বহিষ্কারের দাবিতে উত্তপ্ত যাদবপুর

By Suman Debnath

July 15, 2026 6:30 PM

বিজেপি ক্ষমতায় আসার পরেই তোলাবাজি শুরু, সাধারণ সম্পাদককে বহিষ্কারের দাবিতে উত্তপ্ত যাদবপুর

---Advertisement---


যাদবপুর: ক্ষমতার কেন্দ্রে বসেই দলের অন্দরে ফাটল প্রকাশ্যে চলে এল যাদবপুরে। সোমবার সাংগঠনিক জেলা কার্যালয়ের সামনে বিজেপিরই ক্ষুব্ধ কর্মীরা সরাসরি বিদ্রোহের পথে হেঁটে সাধারণ সম্পাদক বিশ্বজিৎ পালের বিরুদ্ধে ‘বহিষ্কার চাই’ স্লোগান দেন। বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, বিজেপি ক্ষমতায় আসার পর থেকেই বিশ্বজিৎ পাল তোলাবাজি শুরু করেছেন। শুধু তাই নয়, এই তোলাবাজির কারবারে তৃণমূলের স্থানীয় সদস্যদের সরাসরি মদত দিচ্ছেন তিনি। জেলা সভাপতির কাছে একাধিকবার লিখিত অভিযোগ জমা পড়লেও কোনও পদক্ষেপ না হওয়ায় কার্যালয়ের দেওয়ালে বহিষ্কারের পোস্টার সেঁটে আন্দোলনে নামেন দলেরই কর্মী-সমর্থকরা।

বিক্ষোভস্থলে উপস্থিত কর্মীরা স্পষ্ট জানান, দীর্ঘদিন ধরেই বিশ্বজিৎ পালের সঙ্গে তৃণমূল নেতৃত্বের ঘনিষ্ঠতা নিয়ে অন্দরে অস্বস্তি তৈরি হয়েছিল। সেই সম্পর্ককে পুঁজি করেই তিনি গোটা এলাকায় তোলাবাজির নেটওয়ার্ক গড়ে তুলেছেন বলে অভিযোগ। পাশাপাশি, দলের পুরনো ও নিবেদিত কর্মীদের গুরুত্বপূর্ণ সাংগঠনিক কাজ থেকে দূরে সরিয়ে নিজের অনুগতদের দিয়ে সংগঠন চালাচ্ছেন বিশ্বজিৎ। এক বিক্ষোভকারী বলেন, “পার্টি ক্ষমতায় আসার পরই ওঁর আসল চরিত্র বেরিয়ে এসেছে। এখন শুধু টাকা আর প্রোমোটারদের সঙ্গে আঁতাত।”

আরও পড়ুন:  বর্ধমান মেডিক্যালে প্রথম ককলিয়ার ইমপ্লান্ট অস্ত্রোপচার পরিষেবায় নতুন মাইলফলক

জেলা কার্যালয়ের সামনে জড়ো হওয়া কর্মীরা ‘বিশ্বজিৎ পাল হঠাও, দল বাঁচাও’ স্লোগান লেখা পোস্টার সরাসরি কার্যালয়ের অস্থায়ী কাঠামোর গায়ে সেঁটে দেন। তাঁদের দাবি, বিগত কয়েক মাসে অন্তত তিন দফায় জেলা সভাপতি মনোরঞ্জন জোয়ারদার বরাবর লিখিত অভিযোগ জমা দেওয়া হয়েছে। প্রতিটি চিঠিতে তোলাবাজির নির্দিষ্ট ঘটনার বিস্তারিত বিবরণ দেওয়া হলেও জেলা নেতৃত্ব পুরো বিষয়টি ধামাচাপা দিয়েছেন। এই নীরবতাই তাঁদের রাস্তায় নামতে বাধ্য করেছে বলে জানান বিক্ষোভকারীরা।

রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, লোকসভা ভোটের আগে এহেন প্রকাশ্য কোন্দল যাদবপুর সাংগঠনিক জেলার ভিত আরও দুর্বল করবে। যদিও অভিযুক্ত সাধারণ সম্পাদক বিশ্বজিৎ পাল কিংবা জেলা সভাপতি মনোরঞ্জন জোয়ারদারের কেউই এদিন সন্ধ্যা পর্যন্ত এই ইস্যুতে মুখ খোলেননি। আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া না এলেও অন্দরমহলে ড্যামেজ কন্ট্রোলে তৎপরতা শুরু হয়েছে বলে খবর দলীয় সূত্রে।

আরও পড়ুন:  ‘দম থাকলে ব্রিগেড ভরান’, একুশে জুলাইয়ের সভা ঘিরে কালীঘাট তৃণমূলকে কটাক্ষ দিলীপ ঘোষের

---Advertisement---

Suman Debnath

Journalist

No comments to show.

Leave a Comment