খেদারনালে পার্টি অফিসে হামলার অভিযোগ তিপ্রা মথা আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে, পুলিশি পদক্ষেপের দাবি বিজেপি নেতা শ্যামলাল সাহার
অমরপুর, ত্রিপুরা: উৎসবের আবহের মধ্যেও রাজনৈতিক হিংসার অভিযোগ ঘিরে উত্তপ্ত অমরপুরের রাজনৈতিক মহল। মহালয়ার রাতে অমরপুর মণ্ডলের অন্তর্গত খেদারনালে বিজেপির একটি পার্টি অফিসে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা সামনে এসেছে। এই ঘটনায় তিপ্রা মথা আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে অভিযোগের আঙুল তুলেছেন বিজেপি নেতা শ্যামলাল সাহা।
শ্যামলাল সাহার অভিযোগ, কয়েকজন ব্যক্তি আগে সিপিআইএমের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং পরবর্তীতে তিপ্রা মথায় যোগদান করেছেন। তাঁর দাবি, বিজেপি ও তিপ্রা মথার মধ্যে সম্পর্কের অবনতি ঘটানোর উদ্দেশ্যেই এই ধরনের ঘটনা সংগঠিত করা হচ্ছে। যদিও এই অভিযোগের স্বাধীন সত্যতা এখনও নিশ্চিত নয়।
ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পুলিশের কাছে দাবি জানিয়েছেন বিজেপি নেতা শ্যামলাল সাহা। তবে এই ঘটনায় পুলিশের পদক্ষেপ এবং অভিযুক্তদের পরিচয় সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য এখনও সামনে আসেনি।
এদিকে, বিজেপি ও তিপ্রা মথার রাজনৈতিক সম্পর্ক নিয়েও নতুন করে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। একদিকে জোটের রাজনীতি, অন্যদিকে জোটের শরিকদের মধ্যে পারস্পরিক অবিশ্বাস ও সংঘাতের অভিযোগ—সব মিলিয়ে অমরপুরের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে চর্চা শুরু হয়েছে।
এলাকার বিজেপি কার্যকর্তাদের একাংশের মধ্যে অসন্তোষ রয়েছে বলেও রাজনৈতিক মহলে আলোচনা চলছে। তবে জোটের অন্দরে প্রকৃত পরিস্থিতি কী এবং এই ঘটনার পিছনে কারা জড়িত, তা তদন্তের পরই স্পষ্ট হবে।
এখন বড় প্রশ্ন, মহালয়ার রাতে খেদারনালে বিজেপির পার্টি অফিসে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় কারা জড়িত? রাজনৈতিক সংঘাতের অবসান ঘটিয়ে প্রশাসন কি নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য সামনে আনতে পারবে?
Leave a Comment