ভদ্রেশ্বরে লাইনচ্যুত রেলইঞ্জিন, অফিসটাইমে হাওড়া-বর্ধমান মেন লাইনে যাত্রীদের ভোগান্তি

By Suman Debnath

July 31, 2026 11:15 AM

ভদ্রেশ্বরে লাইনচ্যুত রেলইঞ্জিন, অফিসটাইমে হাওড়া-বর্ধমান মেন লাইনে যাত্রীদের ভোগান্তি


ভদ্রেশ্বর স্টেশনের কাছে বেলাইন হয়ে পড়ল মালগাড়ির ইঞ্জিন। আর তার জেরে অফিসটাইমে হাওড়া-বর্ধমান মেন লাইনে বন্ধ হয়ে যায় ট্রেন চলাচল। ব্যস্ত দিনে চরম ভোগান্তির শিকার হন নিত্যযাত্রীরা। বাধ্য হয়ে বিকল্প পথে গন্তব্যে পৌঁছনোর চেষ্টা করেন অনেকেই। তবে খুব দ্রুত পরিষেবা স্বাভাবিক করার চেষ্টা করা হচ্ছে বলেই রেল সূত্রে খবর। শুক্রবার সকাল সাড়ে ৮টা নাগাদ হুগলির ভদ্রেশ্বর স্টেশনের কাছে রেলইঞ্জিন লাইনচ্যুত হয়ে যায়। ইঞ্জিনের দুটি চাকা লাইন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার জেরেই এই ভোগান্তির শিকার হন নিত্যযাত্রীরা।

ব্যান্ডেলের দিকে তখন একটি মালগাড়ি যাচ্ছিল। এমন সময় ইঞ্জিন বেলাইন হয়ে যায়। তার জেরে আপ লাইন এবং রিভার্স লাইনে ট্রেন চলাচল পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। এই পরিস্থিতিতে শুধুমাত্র একটি ডাউন লাইন দিয়েই ট্রেন চলাচল করছে। এই খবর পেয়েই রেলের কর্মীরা রেলইঞ্জিনকে তোলার কাজ শুরু করেছে। ইঞ্জিনটি সরানো সম্ভব হলে ট্রেন পরিষেবা স্বাভাবিক হয়ে যাবে বলেই মনে করছেন রেলের কর্মীরা। আপ এবং ডাউন লাইন ধরে ট্রেন দেরিতে চলছে। ব্যস্ত সময়ে রিভার্স লাইন ধরে হাওড়ামুখী ট্রেনগুলিকে পাস করানো হচ্ছে। আবার কখনও ওই লাইন ধরে আপ ব্যান্ডেল বা বর্ধমানমুখী ট্রেনও যায়। ওই লাইন বন্ধ হয়ে যাওয়ায় স্বাভাবিকভাবেই ট্রেন পরিষেবা ব্যাহত হয়েছে।

আরও পড়ুন:  ১২ বছরে দারিদ্র্যসীমার উপরে প্রায় ৫০ কোটি ভারতীয়, চরম দারিদ্র্যও কমে ২.৬ শতাংশ: বিশ্ব ব্যাঙ্ক

কদিন আগেই নন-ইন্টারলকিংয়ের কাজের জন্য হাওড়া ডিভিশনে চারদিন রেল পরিষেবা ব্যাহত হয়েছিল। এবার আগস্ট মাসের শুরুতেই আবার ট্র্যাকের কাজের জন্য একাধিক লোকাল ট্রেন বাতিল করা হয়েছে। ১ আগস্ট হাওড়া থেকে বাতিল করা হয়েছে ৩৭৮৪৯ এবং ৩৬০৮৭ ট্রেন। বারুইপাড়া থেকে বাতিল ৩২৪১৪ ট্রেন। আর শিয়ালদহ থেকে বাতিল ৩২৪১৩ ট্রেন। মশাগ্রাম থেকে ৩৬০৮৮ ট্রেন বাতিল থাকবে। বর্ধমান থেকে ৩৬৮৬০ ট্রেন বাতিল করা হয়েছে। ২ আগস্ট হাওড়া থেকে বাতিল করা হয়েছে ৩৬৮১১ ট্রেন। বর্ধমান থেকে ৩৬৮১২ ট্রেন বাতিল থাকছে।

তাছাড়া শ্রাবণী মেলার জন্য আগে বাড়তি ট্রেন চালুর ঘোষণা করা হয়েছিল। তাতে খানিকটা সংশোধন করা হয়েছে পূর্ব রেলের পক্ষ থেকে। রেলের নয়া সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, হাওড়া থেকে তারকেশ্বরগামী ট্রেনগুলি শুধুমাত্র বালি এবং শেওড়াফুলি স্টেশনেই স্টপেজ দেবে। শেওড়াফুলি-তারকেশ্বের পর্যন্ত ট্রেনগুলি মাঝের কোনও স্টেশনে আর দাঁড়াবে না। তবে ডাউনের যে ট্রেনগুলি আসবে তারকেশ্বর থেকে হাওড়া অথবা শেওড়াফুলিগামী লোকালগুলি সব স্টেশনেই স্টপেজ দেবে। এই আবহে রেলইঞ্জিন বেলাইন হয়ে গিয়েছে। রেল সূত্রে খবর, রিভার্স লাইন থেকে রেলইঞ্জিনকে তোলার কাজ শুরু হয়েছে। খুব দ্রুত ইঞ্জিনটিকে লাইনে তোলা হবে। তখন ট্রেন পরিষেবা আবার স্বাভাবিক হয়ে যাবে।

আরও পড়ুন:  ২০% DA বৃদ্ধি রাজ্য সরকারী কর্মীদের, অক্টোবর থেকে মহার্ঘ ভাতা হবে ৩৮%, বিজ্ঞপ্তি জারি নবান্নের

Suman Debnath

Journalist

No comments to show.

Leave a Comment