---Advertisement---

জরায়ুমুখ ক্যানসারের টিকাকরণ এবার স্কুলেই, নতুন নির্দেশিকা জারি করল স্বাস্থ্যদপ্তর

By Suman Debnath

July 12, 2026 1:30 PM

জরায়ুমুখ ক্যানসারের টিকাকরণ এবার স্কুলেই, নতুন নির্দেশিকা জারি করল স্বাস্থ্যদপ্তর

---Advertisement---





এইচপিভি টিকাকরণে গতি আনতে চাইছে রাজ্য সরকার। আর তাই নতুন নির্দেশিকা জারি করল রাজ্য সরকার। স্কুল এবং স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠান, দু’টি ক্ষেত্রেই জোরদার কাজ করবে রাজ্য সরকার। সার্ভাইক্যাল ক্যানসার প্রতিরোধে শুধু হাসপাতালে ১৪ বছর বয়সি কিশোরীদের টিকাকরণ দেওয়ার কাজে থেমে থাকতে চাইছে না রাজ্যের স্বাস্থ্য দপ্তর। এবার তাই সরকারি–বেসরকারি সব স্কুলে ভ্যাকসিন দেওয়া হবে বলে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। রাজ্যে এইচপিভি (হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাস) টিকাকরণ কর্মসূচিতে গতি আনতে তাই নির্দেশিকা জারি করল স্বাস্থ্য দপ্তর।

কেমন করে হবে এই টিকাকরণের কাজ? জরায়ুমুখ ক্যানসার ঠেকাতে টিকা পৌঁছে যাবে মেয়েদের স্কুলের দরজায়। গোটা স্কুলের ৫০ জন মেয়ের অভিভাবকের সম্মতি নেওয়া হবে। আর তা পেলে সেই স্কুলেই টিকাকরণ শিবির করবে স্বাস্থ্য দপ্তর। তার আগে অভিভাবক এবং শিক্ষকদের বৈঠক করতে বলেছে রাজ্য সরকার। ১০ জুলাই পর্যন্ত রাজ্যে ১ লক্ষ ৯২ হাজার ৯৪০ জন কিশোরী এই টিকা পেয়েছেন গত দু’সপ্তাহে। তবে এই কর্মসূচির অগ্রগতি আরও বৃদ্ধি করতে নতুন করে দু’টি ক্ষেত্রে টিকাকরণ কর্মসূচি করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। গত মে মাসে আনুষ্ঠানিকভাবে রাজ্যে শুরু হয় জরায়ুমুখ ক্যানসার ঠেকানোর টিকাকরণ। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী উদ্বোধন করেছিলেন ওই কর্মসূচির।

আরও পড়ুন:  মুখোমুখি মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল ও সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়

কী বলা আছে ওই নির্দেশিকায়? ওই নির্দেশিকায় উল্লেখ করা হয়েছে, প্রথম ক্ষেত্রে ১৪ বছর বয়সের উপযুক্ত ছাত্রীদের নিকটবর্তী হাসপাতালে বা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে গিয়ে এই টিকাকরণ করা হবে। তার জন্য প্রত্যেকটি স্কুলের সঙ্গে নিকটবর্তী স্বাস্থ্যকেন্দ্র অথবা আরবান প্রাইমারি হেলথ সেন্টারের ম্যাপিং করতে হবে। দ্বিতীয় ক্ষেত্রে, কোনও স্কুলে অন্তত ৫০ জন যোগ্য ছাত্রীর তালিকা ও অভিভাবকদের লিখিত সম্মতি মিললে সংশ্লিষ্ট সেই স্কুলেই টিকাকরণ শিবির আয়োজন করা হবে। মেয়েদের জরায়ুমুখ ক্যানসারের জন্য দায়ী হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাস। চিকিৎসকদের সূত্রে খবর, রাজ্য সরকার যে টিকা দিচ্ছে সেটা শরীরকে জরায়ুমুখ ক্যানসারের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে সাহায্য করবে।

আর কী জানা যাচ্ছে? নির্দেশিকা অনুযায়ী, এই টিকাকরণ শিবির শুরুর আগে অভিভাবক-শিক্ষক বৈঠক, লিখিত সম্মতিপত্র সংগ্রহ, ইউ-উইন পোর্টালে আগে নথিভুক্তিকরণ এবং টিকা প্রদান দলের প্রস্তুতি বাধ্যতামূলক করতে হবে। টিকাকরণের দিন কোনও ছাত্রী যেন খালি পেটে না থাকে, টিকা নেওয়ার পরে অন্তত ৩০ মিনিট পর্যবেক্ষণে রাখা, জরুরি পরিস্থিতির জন্য অ্যানাফাইল্যাক্সিস কিট এবং অ্যাম্বুল্যান্স প্রস্তুত রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে সমস্ত তথ্য রিয়েল-টাইমে ইউ-উইন পোর্টালে আপলোড করতে হবে। প্রত্যেক শিবিরে থাকবেন একজন মেডিক্যাল অফিসার, একজন টিকাদান প্রদানকারী স্টাফ ও ডেটা ম্যানেজার। শিক্ষকদের মধ্যে থেকেই একজনকে কো-অর্ডিনেটর নিয়োগ করা হবে। যিনি ছাত্রীদের নথিপত্র খতিয়ে দেখবেন। একটি ঘরকে করতে হবে ‘ওয়েটিং এরিয়া’। যেখানে টিকা নেওয়ার আগে ছাত্রীরা বসবে। আর ভ্যাকসিনেশন রুম এবং অবজার্ভেশন রুমও রাখতে হবে।

আরও পড়ুন:  বর্ধমানে আদিবাসী বধূর ‘গণধর্ষণ করে খুন’-এর অভিযোগ, গ্রেপ্তার ২, ঘটনাস্থলে ফরেন্সিক তদন্ত

---Advertisement---

Suman Debnath

Journalist

No comments to show.

Leave a Comment