---Advertisement---

‘টু দ্য হেলথ মিনিস্টার’, প্রাক্তনকে পাঠানো চিঠির জবাব দেবেন অধুনা স্বাস্থ্যমন্ত্রী

By Suman Debnath

August 8, 2026 5:10 PM

‘টু দ্য হেলথ মিনিস্টার’, প্রাক্তনকে পাঠানো চিঠির জবাব দেবেন অধুনা স্বাস্থ্যমন্ত্রী

---Advertisement---


তৃণমূল কংগ্রেসের জমানায় মুখ্যমন্ত্রীর হাতেই ছিল স্বাস্থ্যদপ্তর। তাই নানা সুবিধা-অসুবিধা নিয়ে রাজ্যের মানুষজন চিঠি লিখতেন তাঁকে উদ্দেশ্য করে। সেই চিঠি এসে পড়ে থাকত স্বাস্থ্যভবনে। এখানের আধিকারিকরা যেমন তা খুলে দেখতেন না তেমন তা পাঠাতেন না প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে বলে অভিযোগ। ফলে সমস্যার কথা জানতে পারতেন না তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী তথা স্বাস্থ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর তার জেরে সমাধানও হতো না। এবার এই অতীতের চিঠি থেকে শুরু করে এখন যেসব চিঠি আসবে স্বাস্থ্যভবনে সবগুলির উত্তর দেবেন অধুনা স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায়।

তৃণমূল কংগ্রেসের জমানায় জেলা থেকে লেখা বহু চিঠি আসত। স্বাস্থ্য ব্যবস্থা থেকে পরিষেবা নিয়ে নানা প্রশ্ন থাকত সেখানে। কিন্তু কোনওদিন তাঁরা উত্তর পেতেন না বলে অভিযোগ। এবার থেকে অতীত এবং বর্তমানের সমস্ত চিঠির উত্তর দেবেন ডা. শারদ্বত মুখোপাধ‌্যায়। পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন স্বাস্থ‌্যমন্ত্রী তথা মুখ্যমন্ত্রীর নামে একাধিক চিঠি আসত স্বাস্থ‌্যভবনে। যা এখন পাহাড়প্রমাণ পরিমাণে জমে উঠেছে। সেই চিঠির পাহাড় থেকে এবার ধরে ধরে উত্তর দেওয়া হবে। এবার স্বাস্থ‌্যভবনের সেই রিসিভিং সেকশনে চূড়ান্ত কর্মব‌্যস্ততা দেখা গেল। কারণ সেখানে সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছে। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সাফ করতে হবে এই চিঠির পাহাড়।

আরও পড়ুন:  'ডিগ্রি নাকি ব্যবসা?' বিএড কলেজগুলির বিরুদ্ধে ক্ষুব্ধ হাইকোর্ট

জেলায় কেমন করে পরিষেবা মিলবে, কোনও হাসপাতালে কোন চিকিৎসা মিলবে, পরিষেবায় গাফিলতি নিয়ে অভিযোগ, বদলির আবেদন-সহ নানা বিষয় নিয়ে চিঠি আসত। এবার থেকে সেইসব চিঠির উত্তর দেবেন বিজেপি সরকারের স্বাস্থ্যমন্ত্রী। রিসিভিং সেকশন সূত্রে খবর, এখানে আসা চিঠিগুলির খামের উপর লেখা ‘টু দ‌্য হেলথ মিনিস্টার’। এমন সাড়ে তিন হাজার চিঠি পড়ে রয়েছে স্বাস্থ‌্যভবনে। দীর্ঘ ১১ বছর ধরে পড়ে রয়েছে চিঠি। এই বিষয়ে এবার স্বাস্থ‌্যমন্ত্রী ডা. শারদ্বত মুখোপাধ‌্যায় বলেন, ‘রাজ্যের পালাবদলের পর অনেককেই বলেছি কোনও অসুবিধা হলে স্বাস্থ‌্যদপ্তরে লিখিত অভিযোগ করুন। অনেকেই জানিয়েছে আপনাদের দপ্তরে চিঠি দিয়ে কি লাভ? উত্তর তো আসে না। ২০১৫-১৬ সাল থেকে চিঠি দিয়েছি স্বাস্থ‌্যদপ্তরে। একটারও উত্তর আসেনি। তখন আমি খোঁজ নিয়ে দেখেছি সঠিক কথাই বলা হয়েছে। স্বাস্থ‌্যভবনের রিসিভিং সেকশনে গিয়ে দেখলাম ২০১৫ সালের চিঠি। ২০১৬ সালের চিঠি। সব খামবন্দি। কেউ খুলেও দেখেনি।’

আরও পড়ুন:  ককরোচ জনতা পার্টির আন্দোলনকে সমর্থন জানাতে নয়াদিল্লি সফরে মমতা, তুঙ্গে চর্চা

এই পরিস্থিতির বদল দরকার। তাই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, অবিলম্বে চিঠিগুলি একেক করে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর কাছে পাঠাতে হবে। উনি সেগুলি পড়ে একের পর এক উত্তর দেবেন। স্বাস্থ‌্যভবনে রয়েছে জনস্বাস্থ‌্য, স্বাস্থ‌্যসাথী, ক্লিনিকাল এস্টাব্লিশমেন্ট-সহ নানা বিভাগ। প্রত্যেক বিভাগের সমস‌্যা নিয়েই চিঠি এসেছিল। স্বাস্থ‌্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায় নির্দেশ দিয়েছেন, ‘আলাদা আলাদা বিভাগের বাক্স করতে। সেই অনুযায়ী চিঠিগুলিকে বাক্সে রাখতে হবে। আমি যতটা পারব উত্তর দেব। ২০১৬ সালে আমরা ছিলাম না। কিন্তু উত্তর দেব সমস্ত চিঠির। আমি মুখ‌্যমন্ত্রীকেও জানিয়েছি। উনি প্রত্যেকটি চিঠির প্রাপ্তি স্বীকার করতে বলেছেন। তাই প্রত্যেকটি চিঠির প্রাপ্তি স্বীকার করা হবে।’

---Advertisement---

Suman Debnath

Journalist

No comments to show.

Leave a Comment