---Advertisement---

সুখেন্দু-সুস্মিতা-প্রকাশের মনোনয়ন পেশ, সঙ্গে গেলেন মুখ্যমন্ত্রী-বিজেপির রাজ্য সভাপতি

By Suman Debnath

July 13, 2026 12:55 PM

সুখেন্দু-সুস্মিতা-প্রকাশের মনোনয়ন পেশ, সঙ্গে গেলেন মুখ্যমন্ত্রী-বিজেপির রাজ্য সভাপতি

---Advertisement---





বিকেলে যোগ, সন্ধ্যায় রাজ্যসভার টিকিট। এই ছবি দেখেছেন রাজ্যবাসী। তৃণমূল ছেড়ে তিন সাংসদ বিজেপিতে যোগ দিতেই সন্ধ্যায় রাজ্যসভার টিকিট পেয়েছিলেন। এই তিনজন আবার রাজ্যসভার প্রার্থী হচ্ছেন। সোমবার মনোনয়ন পেশ করলেন তাঁরা। বিধানসভায় গিয়ে নিজেদের মনোনয়ন পেশ করলেন সুখেন্দুশেখর রায়, প্রকাশ চিক বরাইক এবং সুস্মিতা দেব। এদিন প্রথমে বিধানসভায় পৌঁছে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে দেখা করেন তাঁরা। একই সময়ে সেখানে পৌঁছন রাজ্য বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। শুভেন্দু-শমীককে সঙ্গে নিয়েই তাঁরা জমা দিলেন মনোনয়ন। যা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।

এদিকে এই তিনজনকে তৃণমূল থেকে বিজেপিতে নেওয়া এবং রাজ্যসভায় পাঠানো নিয়ে দলের অন্দরেই চর্চা শুরু হয়। তবে সেসব যুক্তি দিয়ে খারিজ করে দেন, রাজ্যের পঞ্চায়েতমন্ত্রী দিলীপ ঘোষ এবং বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। সংখ্যাতত্ত্ব অনুযায়ী, এই তিন আসনে কোনও প্রার্থী দিতে পারবে না বিরোধী দল তৃণমূল। তাই এই তিনজন প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় আবার রাজ্যসভার সাংসদ হতে চলেছেন। গত ৯ জুলাই সল্টলেকের বিজেপি কার্যালয়ে রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের হাত ধরে বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন তৃণমূলের এই তিন প্রাক্তন সাংসদ। আর দলবদলের ঠিক কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই দিল্লির বিজেপি কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের পক্ষ থেকে বিজ্ঞপ্তি জারি করে এই তিন নেতাকেই রাজ্যসভা উপনির্বাচনের প্রার্থী বলে ঘোষণা করা হয়। আগামী ২৪ জুলাই এই তিন আসনে ভোটগ্রহণ রয়েছে।

আরও পড়ুন:  বারুইপুরে মুখ্যমন্ত্রী, উদ্বোধন করেন নতুন পুলিশ ফাঁড়ি

অন্যদিকে এই নিয়ে নানা মহল থেকে প্রতিক্রিয়া আসতে শুরু করে। কেন এই তিনজনকে বিজেপিতে নেওয়া হলো? এমন প্রশ্নও উঠতে শুরু করে। যার জবাবে বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য যুক্তি দিয়ে বলেছিলেন, ‘যারা চরম দুর্নীতিগ্রস্ত বা সিন্ডিকেটের সঙ্গে যুক্ত, তাদের জন্য দরজা চিরকালই বন্ধ থাকবে। তবে সুখেন্দুশেখর রায় বা সুস্মিতা দেবদের অন্তর্ভুক্তি কোনও বিচ্যুতি নয়। বরং এক বিশেষ ব্যতিক্রম। এরা প্রত্যেকেই গুণীজন ও বিদগ্ধ মানুষ। আশা করব, এদের নামের আগে পদত্যাগী, দলত্যাগী বা তৃণমূলী, এই শব্দগুলি ব্যবহার করবেন না। প্রত্যেকেরই একটা অতীত থাকে, এমনকী সাধুরও একটা অতীত থাকে। এখন সুখেন্দুশেখর রায়, সুস্মিতা দেব এবং প্রকাশ চিক বরাইকের একমাত্র পরিচয় তাঁরা প্রত্যেকেই বিজেপির একনিষ্ঠ কর্মী।’

আরও পড়ুন:  বিতর্কিত মন্তব্য সমাজমাধ্যমে, কলকাতা পুলিশের দুই ডিসি সাসপেন্ড

তাছাড়া এদিন মনোনয়ন পেশ করার পর তাঁরা অত্যন্ত খোশ মেজাজে কথা বলতে থাকেন। আগের দলে থাকাকালীন মনোবল হারিয়ে ফেলেছিলেন এবং এখনকার দলে সেটা ফিরে পেয়েছেন বলে দাবি করেন সুস্মিতা দেব। মনোনয়ন পেশের পর বেরিয়ে এসে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে সুস্মিতা দেব বলেন, ‘সত্যি কথা বলতে তৃণমূল কংগ্রেসে মনোবল হারিয়ে ফেলছিলাম। এখানে এসে তা ফিরে পেয়েছি। আমি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী, দলের সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের কাছে কৃতজ্ঞ।’

---Advertisement---

Suman Debnath

Journalist

No comments to show.

Leave a Comment