---Advertisement---

অভিষেকের আপ্ত সহায়কের আগাম জামিন খারিজ, গ্রেপ্তারে বাধা রইল না

By Suman Debnath

August 3, 2026 4:15 PM

অভিষেকের আপ্ত সহায়কের আগাম জামিন খারিজ, গ্রেপ্তারে বাধা রইল না

---Advertisement---


একই দিনে দুটি পৃথক মামলায় সম্পূর্ণ ভিন্ন রায় দিল কলকাতা হাইকোর্ট। শালবনির সরকারি জমি প্রতারণা মামলায় তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আপ্ত সহায়ক সুমিত রায়ের আগাম জামিনের আবেদন খারিজ করে দিলেন বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ। আদালতের পর্যবেক্ষণ, তাঁর বিরুদ্ধে তাৎপর্যপূর্ণ অভিযোগ রয়েছে। ফলে তদন্তে হস্তক্ষেপের সুযোগ না দিয়ে তদন্তকারী সংস্থাকে তদন্ত চালিয়ে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

অন্যদিকে, পশ্চিম মেদিনীপুরের ডেবরায় সরকারি চাকরি দেওয়ার নামে সুমিতের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে দায়ের হয়েছিল। সেই প্রতারণা মামলায় সুমিত রায়কে আগাম জামিনের সুরক্ষা দিয়েছে আদালত। তবে শর্তসাপেক্ষে আগামী ১০ দিনের মধ্যে তদন্তকারী সংস্থার কাছে হাজির হয়ে তদন্তে পূর্ণ সহযোগিতা করতে হবে তাঁকে।

শুনানিতে সুমিত রায়ের আইনজীবী সব্যসাচী বন্দ্যোপাধ্যায়ের দাবি, ২০২৩ সালের মামলায় ঘটনার তিন বছর পর তাঁর মক্কেলের নাম জড়ানো হয়েছে। তদন্তে এমন কোনও ইলেকট্রনিক তথ্যপ্রমাণ বা প্রত্যক্ষ যোগসূত্র মেলেনি, যা সুমিত রায়কে চাকরি প্রতারণা বা ভুয়ো নিয়োগপত্র তৈরির সঙ্গে যুক্ত করে।

অন্যদিকে, রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আদালতে দাবি করেন, মোট ৩৬ লক্ষ টাকার প্রতারণার অভিযোগ রয়েছে। একাধিক ভুক্তভোগীর বয়ান, ব্যাঙ্ক লেনদেনের তথ্য এবং ভুয়ো নিয়োগপত্র বাজেয়াপ্ত হওয়ার মতো গুরুত্বপূর্ণ তথ্যপ্রমাণ তদন্তে উঠে এসেছে। তদন্তে প্রভাব বিস্তার ও তথ্যপ্রমাণ নষ্টের চেষ্টার অভিযোগও আদালতের সামনে তুলে ধরা হয়।

দীর্ঘ শুনানির শেষে বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ দুটি মামলায় পৃথক নির্দেশ দেন। শালবনি জমি প্রতারণা মামলায় আগাম জামিনের আবেদন খারিজ করেন। অন্যদিকে, ডেবরার চাকরি প্রতারণা মামলায় শর্তসাপেক্ষে আগাম জামিন মঞ্জুর করেন। একই দিনে আইনি লড়াইয়ে সুমিত রায় একদিকে ধাক্কা ও অন্যদিকে স্বস্তি দু’য়েরই মুখোমুখি হলেন।

আরও পড়ুন: সাপের ভয়ে বন্দি নথি, ৩১ বছরের লক-আপ মৃত্যু মামলায় ক্ষতিপূরণের আশায় ফের আদালতের দ্বারস্থ যৌনকর্মী

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আপ্ত সহায়ক সুমিত রায়ের বিরুদ্ধে মূল অভিযোগ ছিল সরকারি জমি দুর্নীতি। সেই মামলায় তার আগাম জামিনের আবেদন খারিজ। ফলে তাঁর গ্রেপ্তারে কোন বাধা রইল না বলেই মনে করছেন কলকাতা হাইকোর্টের আইনজীবী মহলের একাংশ।

---Advertisement---

Suman Debnath

Journalist

No comments to show.

Leave a Comment