---Advertisement---

বিধানসভায় দ্বিতীয় দিনেও উত্তপ্ত অধিবেশন, অধ্যক্ষের টেবিলে পৌঁছে গেলেন কুণাল

By Suman Debnath

July 23, 2026 4:35 PM

বিধানসভায় দ্বিতীয় দিনেও উত্তপ্ত অধিবেশন, অধ্যক্ষের টেবিলে পৌঁছে গেলেন কুণাল

---Advertisement---


দ্বিতীয় দিনেও সরগরম হয়ে উঠল বিধানসভা। বুধবারের ঘটনা নিয়ে আলোচনা চেয়ে অধ্যক্ষের টেবিলের কাছে উঠে চলে যান বেলেঘাটার বিধায়ক কুণাল ঘোষ। কিন্তু আলোচনায় নারাজ অধ্যক্ষ তাঁকে আসনে গিয়ে বসতে বলেন। তার জেরেই আবার তীব্র বাদানুবাদে জড়ালেন কুণাল ঘোষ। একদিন আগেই তাঁর নাম বাদ যাওয়া নিয়ে বাদানুবাদ এবং আখরুজ্জামানের টেবিলের সামনে পৌঁছে যাওয়া নিয়ে ব্যাপক হট্টোগোল হলে মার্শাল দিয়ে বের করে দেওয়া হয় কুণালকে। বাইরে বেরিয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে রাজ্য সরকারকে তুলোধনা করেন কুণাল। আর বৃহস্পতিবার সেই ইস্যুতে বর্ষীয়ান বিধায়ক শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় বলতে চাইলে তাতে রাজি হননি স্পিকার রথীন্দ্র বোস। তাই নিয়েই ঝামেলর সূত্রপাত।

এদিকে এদিন স্পিকারকে উদ্দেশ্য করে তৃণমূল বিধায়ক শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় বলেন, ‘গতকালের ঘটনা নিয়ে আমার কিছু বলার আছে।’ তাতে স্পিকার পাল্টা বলেন, ‘কী বলবেন আবার? যা ঘটেছে সেটা কলঙ্কজনক। এখন তা নিয়ে কোনও আলোচনা হবে না।’ তখনই সটান স্পিকারের কাছে উঠে যান কুণাল ঘোষ। আর বেলেঘাটার বিধায়ক বলেন, ‘কলঙ্কের কথাটা ঠিক বললেন না, কেন বললেন?’ এই নিয়েই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে বিধানসভা। এদিন বিধানসভায় আখরুজ্জামানের সঙ্গে কথা বলতে দেখা যায় কুণাল ঘোষকে। তারপরই কুণাল ঘোষের ভরা সভায় বক্তব্য, ‘আমার আপনার প্রতি কোনও রাগ নেই। আমাকে ভুল বুঝবেন না। কিন্তু আমাকে বলতে দেওয়া হোক।’

আরও পড়ুন:  সই জাল কাণ্ডে একমাসের রক্ষাকবচ, অভিষেককে বড় স্বস্তি দিল কলকাতা হাইকোর্ট

অন্যদিকে স্পিকারের ‘কলঙ্কজনক’ শব্দটির তীব্র প্রতিবাদ করেন শোভনদেব এবং কুণাল। তখনই নিজের আসন ছেড়ে উঠে স্পিকারের কাছে চলে যান কুণাল ঘোষ। আর বেলেঘাটার বিধায়ক বলেন, ‘বিধানসভা ওয়াকআউট, বাদানুবাদ, মার্শাল ডেকে বের করে দেওয়ার ঘটনা একেবারেই নতুন নয়। তাহলে গতকালের ঘটনাকে কলঙ্কজনক কেন বললেন?’ তখন আবার চলে আসেন মার্শালরা। আর কুণাল ঘোষ নিজের জায়গায় ফিরে আসেন। এই পরিস্থিতিতে রীতেশ তিওয়ারির সঙ্গে তুমুল বচসা শুরু হয়ে যায় কুণালের। চিৎকার করে জানিয়ে দেন, তাঁকে বলতে না দিলে তিনিও কাউকে বলতে দেবেন না। কুণালের কথা শুনে আখরুজ্জামান রসিকতার সুরে পরিস্থিতি হালকা করার চেষ্টা করে বলেন, ‘আমার নেতা ববিদা। আমার ওপর রাগ না করে তুমি ববি দাকে বলো।’

আরও পড়ুন:  নিখরচায় গুজরাতের সোমনাথ মন্দির দর্শনের উদ্যোগ নিল নবান্ন, সব জেলায় গেল নির্দেশ

এই পরিস্থিতিতে অধিবেশন শেষ করে সাংবাদিক বৈঠক করেন কুণাল ঘোষ। সেখানে কুণাল সুর চড়িয়ে তোপ দাগেন, বকলেস পরা বিরোধীরা কোনও কিছুর প্রতিবাদ করছেন না। ওরা বিজেপির দালালি করছে নিজের স্বার্থে। আমরা কথা বলছি মানুষের স্বার্থে। বিজেপি চায় না আমি বলি, শক্তিশালী কণ্ঠ বলুক। আমি একজন বিধায়ক, আমার দল যখন নাম দিচ্ছে তখন বলতে দিতে হবে।’ তবে এদিন স্পিকার প্রসঙ্গে কুণাল ঘোষের বক্তব্য, ‘রথীনবাবু ভদ্রলোক। কিন্তু যা হচ্ছে তাতে এটা তো ওনার জন্য কলঙ্ক হয়ে থাকবে। উনি দু’মাসও চালাতে পারছেন না।’

---Advertisement---

Suman Debnath

Journalist

No comments to show.

Leave a Comment