---Advertisement---

মেখলিগঞ্জের তরুণীকে লাগাতার ধর্ষণ তিন সিভিক ভলান্টিয়ারের, গ্রেপ্তার এক, পলাতক দুই

By Suman Debnath

August 7, 2026 2:45 PM

মেখলিগঞ্জের তরুণীকে লাগাতার ধর্ষণ তিন সিভিক ভলান্টিয়ারের, গ্রেপ্তার এক, পলাতক দুই

---Advertisement---


ধর্ষণের মতো অপরাধে জিরো টলারেন্স নীতি নেওয়া হয়েছে। এই নীতি নিয়েই চলছে নয়া বিজেপি সরকার। বারুইপুর ধর্ষণ কাণ্ডে তা দেখা গিয়েছে। এমনকী আরজি কর হাসপাতালে ঘটে যাওয়া তরুণী চিকিৎসককে ধর্ষণ করে খুন করার ঘটনার ফাইল আবার খুলেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এই আবহে একটা মারাত্মক ঘটনা ঘটে গেল রাজ্যে। আবার ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে পশ্চিমবঙ্গে। আর তাতে নাম জড়িয়েছে তিনজন সিভিক ভলান্টিয়ারের। গোটা ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই আলোড়ন পড়ে গিয়েছে কোচবিহার জেলার মেখলিগঞ্জে।

আরজি কর হাসপাতালের ঘটনার সঙ্গে এই ঘটনার মিল আছে। সেখানেও অপরাধী ছিল একজন সিভিক ভলান্টিয়ার। আর এখানেও অভিযুক্ত সিভিক ভলান্টিয়ার। তবে এখানে তিনজন সিভিক ভলান্টিয়ার অভিযুক্ত। সুতরাং আবার রক্ষকই হয়ে উঠল ভক্ষক। এই তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠল ধূপগুড়ির তিন সিভিক ভলান্টিয়ারের বিরুদ্ধে। শুধু তাই নয়, মেখলিগঞ্জের এক তরুণীকে ধূপগুড়িকে নিয়ে এসে বাড়ি ভাড়া করে আটকে রেখে লাগাতার ধর্ষণ করেছে ওই তিনজন সিভিক ভলান্টিয়ার বলে অভিযোগ। যা এখন সামনে আসতেই তুমুল চর্চা শুরু হয়ে গিয়েছে জেলায়। তবে এটা নিয়ে কোনও আন্দোলনে নামা হবে কিনা সেটা এখনও স্পষ্ট নয়।

আরও পড়ুন:  জমি দুর্নীতি মামলায় অভিষেকের পিএ সুমিত রায়কে রক্ষাকবচ দিল না কলকাতা হাই কোর্ট

স্থানীয় সূত্রে খবর, গত সপ্তাহে মেখলিগঞ্জের এক তরুণীকে প্রলোভন দেখিয়ে ধূপগুড়িতে নিয়ে আসে এই তিনজন অভিযুক্ত সিভিক ভলান্টিয়াররা। সেখানে একটি বাড়ি ভাড়া নিয়ে তরুণীকে আটকে রেখে দেয় তারা। তারপর একাধিকবার একেক জন করে লাগাতার ধর্ষণ করা হয় ওই তরুণীকে। নির্যাতিতা তরুণী মেখলিগঞ্জ থানায় এই ঘটনা জানিয়ে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। তারপর দ্রুত তদন্ত শুরু করে কোচবিহার জেলা পুলিশ। প্রাথমিক তদন্তের পর তথ্য উঠে আসে যে, অভিযুক্ত তিন যুবকই ধূপগুড়ি থানায় সিভিক ভলান্টিয়ার হিসেবে কর্মরত। এমনকী তারা সাদা পোশাকের পিসি পার্টির পুলিশকর্মীদের সঙ্গে নিয়মিত ডিউটি করত।

পুলিশ সূত্রে খবর, স্থানীয় বাসিন্দারা দাবি করেছে আগেও নিজেদের পরিচয় ও পুলিশের প্রভাবকে কাজে লাগিয়ে একাধিক অপরাধমূলক কাজ করেছে অভিযুক্তরা। ভয়ে এতদিন কেউ মুখ খোলার সাহস পাননি। কিন্তু এবার এই নির্যাতিতা তরুণী অত্যাচার সহ্য করতে না পেরে শেষপর্যন্ত পুলিশের দ্বারস্থ হন। তরুণীর পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযুক্তদের কঠোর শাস্তির দাবি করা হয়েছে। এরপরই কোচবিহার ও জলপাইগুড়ি জেলা পুলিশের যৌথ অভিযানে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এক অভিযুক্ত সিভিক ভলান্টিয়ারকে। ধৃত সিভিকের নাম বুলবুল আলম (৩০)। তিনি ধূপগুড়ি থানার ভেমটিয়া এলাকার বাসিন্দা। ধূপগুড়ি থানাতেই সিভিক ভলান্টিয়ার হিসাবে কাজ করত বুলবুল। যদিও এই ঘটনার মূল অভিযুক্ত বাকি দুই সিভিক ভলান্টিয়ার এখনও পলাতক। পুলিশ তল্লাশি চালাচ্ছে।

আরও পড়ুন:  রাতারাতি কোটিপতি দিনমজুরের বউ, ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ঢুকেছে ১০০ কোটি টাকা

---Advertisement---

Suman Debnath

Journalist

No comments to show.

Leave a Comment