---Advertisement---

সিকিউরিটি অডিটের পথে লালবাজার – Dainik Statesman

By Suman Debnath

July 24, 2026 8:05 PM

সিকিউরিটি অডিটের পথে লালবাজার – Dainik Statesman

---Advertisement---


নির্বাচন কমিশনের দপ্তরকে আরও কড়া নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে ফেলার পরিকল্পনা করছে লালবাজার। সেই লক্ষ্যেই চলতি সপ্তাহে নির্বাচন কমিশনের দপ্তরের নিরাপত্তা পর্যালোচনা বা ‘সিকিউরিটি অডিট’ শুরু করেছে কলকাতা পুলিশ। এই পর্যালোচনায় পুলিশের পাশাপাশি পূর্ত দপ্তর-সহ আরও কয়েকটি দপ্তর অংশ নেবে।

বিধানসভা ভোটের আগেই শিপিং কর্পোরেশনের নতুন ভবনে স্থানান্তরিত হয়েছে নির্বাচন কমিশনের দপ্তর। এই ভবনেই থাকাকালীন বিধানসভা নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে। ভবনের তৃতীয় তলায় রয়েছে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (সিইও), অতিরিক্ত মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক-সহ অন্যান্য শীর্ষ কর্তাদের দপ্তর। ভোট সংক্রান্ত বহু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ও নথি এই দপ্তরেই সংরক্ষিত থাকে। আবার ভোটের আগে একাধিকবার নির্বাচন কমিশনের দপ্তরের সামনে বিক্ষোভ হয়েছে। আন্দোলনকারীদের একাংশ জোর করে দপ্তরের ভিতরে ঢোকারও চেষ্টা করেন।

সে সময় কলকাতা পুলিশের পাশাপাশি কেন্দ্রীয় বাহিনীও নির্বাচন কমিশনের দপ্তরের নিরাপত্তায় মোতায়েন ছিল। নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর নির্বাচন কমিশনের নিরাপত্তা আরও জোরদার করার পরিকল্পনা করেন কলকাতা পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের কর্তারা। সেই পরিকল্পনার অংশ হিসেবেই এবার নিরাপত্তা ব্যবস্থা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। কীভাবে নির্বাচন কমিশনের নিরাপত্তা আরও আঁটসাঁট করা যায়, তা নিয়ে বিস্তারিত পর্যালোচনা করছে গোয়েন্দা বিভাগ।

আরও পড়ুন:  মানবিক হাইকোর্ট ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে মামলার নিষ্পত্তি,দৃষ্টিহীন কন্যার আবেদনেই মান্যতা

লালবাজার সূত্রে খবর, বর্তমানে আধিকারিকদের দপ্তরের সামনে পুলিশি নিরাপত্তা রয়েছে। তবে নিরাপত্তা আরও জোরদার করতে ভবনের কোন কোন অংশে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা প্রয়োজন, কতজন পুলিশ আধিকারিক ও সশস্ত্র পুলিশকর্মী রাখা হবে—তা খতিয়ে দেখছেন গোয়েন্দা কর্তারা। একই সঙ্গে সিসিটিভি ক্যামেরার সংখ্যাও বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে। ভবনের একতলার ভিতর ও বাইরের অংশ থেকে শুরু করে নির্বাচন কমিশনের দপ্তরের প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ এলাকা সিসিটিভির আওতায় আনার পরিকল্পনা করা হয়েছে, যাতে প্রতিটি অংশ পুলিশের নজরদারির মধ্যে থাকে।

এ ছাড়াও নির্বাচন কমিশনের দপ্তরের বাইরের নিরাপত্তা কীভাবে আরও জোরদার করা যায়, তা নিয়েও পর্যালোচনা চলছে। এই কাজে পুলিশের সঙ্গে সহযোগিতা করবে পূর্ত দপ্তর। ভবনের কোন কোন অংশ দিয়ে কেবল বা অন্যান্য প্রয়োজনীয় সংযোগ নিয়ে যাওয়া হবে, তা খতিয়ে দেখবেন পূর্ত দপ্তরের আধিকারিকরা। পাশাপাশি নির্বাচন কমিশনের দপ্তরে প্রবেশের নিয়ম আরও কঠোর করা যায় কি না, তা নিয়েও আলোচনা চলছে। শিপিং কর্পোরেশনের ভবনে বিভিন্ন দপ্তর থাকায় প্রতিদিন বহু মানুষের যাতায়াত হয়। তাঁদের মধ্যে কেউ যাতে অকারণে নির্বাচন কমিশনের দপ্তরে প্রবেশ করতে না পারেন, সেই বিষয়েও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে।

আরও পড়ুন:  ‘ওখানে এখনও অবৈধ সরকার চলছে’, হাসিনার মৃত্যুদণ্ড নিয়ে তারেক সরকারকে নিশানা দিলীপের

---Advertisement---

Suman Debnath

Journalist

No comments to show.

Leave a Comment