---Advertisement---

‘….আমি দল ছেড়ে চলে যাব’, মমতাকে জানিয়ে দিলেন সাংসদ কল্যাণ

By Suman Debnath

July 18, 2026 4:10 PM

‘….আমি দল ছেড়ে চলে যাব’, মমতাকে জানিয়ে দিলেন সাংসদ কল্যাণ

---Advertisement---


বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশের পর তৃণমূল কংগ্রেস ভেঙে খান খান হয়ে গিয়েছে। রাজ্যসভা থেকে মোট চারজন সাংসদ পদত্যাগ করেছেন। লোকসভার ২০ জন সাংসদ এনসিপিআই দলে যোগ দিয়েছেন। এমনকী ৬০ জন বিধায়ক নিজেদের আসল তৃণমূল বলে দাবি করে বিধানসভা আলো করে বসেছেন। তাঁদের কাছে এখন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় অতীত। এদেরকে এখন বেইমান তকমা দিয়ে কালীঘাট তৃণমূল একলা চলতে চাইছে। এবার সেখানে দাঁড়িয়ে একটা শর্ত রাখলেন শ্রীরামপুর লোকসভা কেন্দ্রের সাংসদ তথা আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। আর সেই শর্ত না মানলে তিনি দল ছেড়ে দেবেন।

এই শর্ত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে জানিয়ে দিয়েছেন সাংসদ-আইনজীবী। এখন কালীঘাট তৃণমূলের বিধায়ক-সাংসদ সংখ্যা হাতে গোনা। এই অবস্থায় দল ছাড়ার শর্ত দিলেন তিনি। যা নিয়ে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। এবার একুশে জুলাই তাই পালন হচ্ছে দু’টো করে। এই আবহে বিস্ফোরক কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘যে যেখানে যাচ্ছে যাক। যে যেখানে ভাল থাকে থাকুক। কিন্তু আমি মমতাদিকে জানিয়ে দিয়েছি, এদের আবার দলে ফিরিয়ে নিলে আমি দল ছেড়ে চলে যাব।’ সুতরাং বেইমানদের দলে ফেরার রাস্তা এভাবে বন্ধ করে দিলেন তিনি।

ইতিমধ্যেই কদিন আগে ফেসবুক লাইভে এসে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়ে দেন, যাঁরা যাবার তাঁরা একুশে জুলাইয়ের আগে লোটা-কম্বল নিয়ে চলে যান। কারণ এরপর নতুন করে শুরু করা হবে। তাঁদের আর ফেরানো হবে কিনা সে বিষয়ে তিনি কোনও আলোকপাত করেননি। তাই এবার কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বেইমানদের দলে না ফেরানোর বার্তা দিয়েছেন। বাঁকুড়ার তৃণমূল ভবনে একুশে জুলাইয়ের প্রস্তুতি সভায় হুঁশিয়ারি দিয়ে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্য, ‘ওয়ান নেশান ওয়ান ভোট বিল পাশ করার জন্যই তৃণমূল সাংসদদের কিনেছে বিজেপি। কিন্তু ওই বিল পাশ হয়ে গেলে ২০২৯ সালের লোকসভা নির্বাচনের পাশাপাশি রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনও হবে। তখন এই দু’মুখোরা প্রার্থী হতে পারবে না।’

তাছাড়া যাঁরা তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে গিয়েছেন তাঁরা মেয়াদ শেষ হওয়ার পর কোথায় যান সেটাও দেখার বিষয়। তৃণমূল কংগ্রেসের আবার ভাল দিন আসতে পারে। এখন বিরোধী আসনে বসে কঠিন লড়াই করতে হচ্ছে। পরে ভাল সুযোগ আসতে পারে বলে মনে করেন নেতা-কর্মীরা। সেই বিষয়টিকে সামনে রেখে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের দাবি, ‘যাঁদের বিরুদ্ধে বিজেপি নেতারা লড়াই করেছেন, তাঁদের এখন দলে নিতে পারছে না। তাই একটি বাফার জোন তৈরি করে এদের রেখেছে। ২০২৯ সালে এদের সকলের মেয়াদ শেষ হয়ে যাবে। তখন এরা না তৃণমূলের না বিজেপির, এই অবস্থা হবে।’

---Advertisement---

Suman Debnath

Journalist

No comments to show.

Leave a Comment