---Advertisement---

১৬০ কোটি টাকার প্রতারণা মামলায় ইডির বড় অভিযান, কলকাতা-সহ রাজ্যের ৮ জায়গায় একযোগে তল্লাশি

By Suman Debnath

July 21, 2026 12:35 PM

১৬০ কোটি টাকার প্রতারণা মামলায় ইডির বড় অভিযান, কলকাতা-সহ রাজ্যের ৮ জায়গায় একযোগে তল্লাশি

---Advertisement---


রাজ্যে ফের আর্থিক প্রতারণার অভিযোগে বড়সড় পদক্ষেপ এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (Enforcement Directorate – ED)-এর। প্রায় ১৬০ কোটি টাকার প্রতারণার অভিযোগে মঙ্গলবার সকাল থেকে কলকাতা-সহ পশ্চিমবঙ্গের একাধিক জায়গায় একযোগে তল্লাশি অভিযান শুরু করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। তদন্তকারীদের দাবি, উচ্চ সুদের প্রলোভন দেখিয়ে এবং সরকারি প্রকল্পের সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে বিপুল অঙ্কের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে জানা গিয়েছে, এই মামলায় ব্যবসায়ী বিশ্বজিৎ বিশ্বাস (Biswajit Biswas) তদন্তের কেন্দ্রে রয়েছেন। অভিযোগ, বিভিন্ন সংস্থার নামে ব্যবসা পরিচালনা করে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে অর্থ সংগ্রহ করা হয়েছিল। পরে সেই অর্থের বড় অংশের হদিস মেলেনি বলে তদন্তকারীদের সন্দেহ।

ইডির প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে, রাজ্যের বাইরের বহু বিনিয়োগকারীকে মোটা সুদের প্রতিশ্রুতি দিয়ে অর্থ লগ্নি করতে উৎসাহিত করা হয়েছিল। পাশাপাশি সরকারি প্রকল্পে সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার নামেও কোটি কোটি টাকা সংগ্রহের অভিযোগ রয়েছে। গোটা ঘটনায় একটি সুসংগঠিত চক্র সক্রিয় ছিল বলে মনে করছে তদন্তকারী সংস্থা।

আরও পড়ুন:  ‘বিধায়কদের আর্জি সাতদিনের মধ্যে দপ্তরকে জানাতে হবে’, মন্ত্রীদের সময়সীমায় বাঁধলেন মুখ্যমন্ত্রী

কলকাতার পাশাপাশি উত্তর ২৪ পরগনা (North 24 Parganas) জেলার বনগাঁ (Bongaon)-তেও একাধিক জায়গায় তল্লাশি চালানো হচ্ছে। তদন্তকারীরা বনগাঁর সুভাষপল্লি এলাকার চারটি ঠিকানায় অভিযান চালিয়েছেন বলে সূত্রের খবর।

তল্লাশির অংশ হিসেবে বিশাল নামে এক ব্যক্তির বাড়িতে পৌঁছন ইডি আধিকারিকরা। পরে তাঁর আত্মীয় রাজীব বিশ্বাসের বাড়িতেও তল্লাশি চালানো হয়। গুরুত্বপূর্ণ নথি, ডিজিটাল তথ্য এবং আর্থিক লেনদেন সংক্রান্ত প্রমাণ সংগ্রহের চেষ্টা চলছে বলে তদন্তকারী সূত্রে জানা গেছে।

সূত্রের খবর, একটি এফআইআরের ভিত্তিতে এই মামলার তদন্ত শুরু হয়। অভিযোগ, ২০১৪ থেকে ২০২০ সালের মধ্যে উচ্চ মুনাফার লোভ দেখিয়ে বহু মানুষের কাছ থেকে অর্থ সংগ্রহ করা হয়েছিল। পরে প্রতিশ্রুত অর্থ বা পরিষেবা না পাওয়ায় প্রতারণার অভিযোগ সামনে আসে।

আরও পড়ুন:  বিধানসভা থেকে মার্শালরা চ্যাংদোলা করে বের করল কুণালকে, তোলপাড় কাণ্ড

ইডি এখন আর্থিক লেনদেনের উৎস, অর্থের গতিপথ এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও সংস্থাগুলির ভূমিকা খতিয়ে দেখছে। তদন্তের স্বার্থে একাধিক নথি ও ইলেকট্রনিক ডিভাইস বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে কি না, সে বিষয়ে এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি। তদন্ত চলায় আগামী দিনে এই মামলায় আরও নতুন তথ্য সামনে আসতে পারে।

---Advertisement---

Suman Debnath

Journalist

No comments to show.

Leave a Comment