---Advertisement---

‘বাড়ি গিয়ে কেউ ন্যায় দিয়ে যাবে না’, সোনার বাংলা গড়তে জনগণকে বার্তা দিলীপের

By Suman Debnath

August 7, 2026 4:55 PM

‘বাড়ি গিয়ে কেউ ন্যায় দিয়ে যাবে না’, সোনার বাংলা গড়তে জনগণকে বার্তা দিলীপের

---Advertisement---


বিজেপিতে তৃণমূলের নেতা-কর্মীরা ঢুকতে চাইছে। আর তা নিয়ে নীচুতলার কর্মীদের ক্ষোভ আছে। দুর্নীতি ঠেকাতে সক্রিয় হয়েছে অ্যান্টি কোরাপশন ব্রাঞ্চ। আবার হেল্পলাইন নম্বরে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার নিয়ে মহিলারা খোঁজ নিতে শুরু করেছেন। জেন-জির পাশে দাঁড়িয়েছেন আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবত এবং এখন শিল্পের অমৃতকাল শুরু হয়েছে পশ্চিমবঙ্গে। এইসব বিষয়ে এবার মুখ খুললেন রাজ্যের পঞ্চায়েতমন্ত্রী দিলীপ ঘোষ।

এদিকে সোনার বাংলা কেমন করে গড়ে তোলা হবে সেটা নিয়েও বিস্তারিত জানিয়েছেন পঞ্চায়েতমন্ত্রী। এখানেই শেষ নয়, সরকারে এসেই তৎপর হয়ে উঠেছে বিজেপি। নিজেদের সংশ্লিষ্ট দপ্তর নিয়ে তৎপর মন্ত্রীরাও। শুক্রবার সকালে মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ স্পষ্ট বার্তা দিলেন নিজের দপ্তর নিয়েও। কদিন আগেই তৈরি হয়েছে অ্যান্টি কোরাপশন ব্রাঞ্চ। এই নিয়ে দিলীপ ঘোষ সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে বলেন, ‘কেউ যদি তৃণমূলের কাউকে জয়েন করায় তার বিরুদ্ধে দল ব্যবস্থা নেবে। এখনও পর্যন্ত কেউ কাউকে জয়েন করায়নি। করানোর চেষ্টা করায় আড়াইশো বিজেপি কর্মীকে দলের পক্ষ থেকে শোকজ করা হয়েছে। ৩০ জনকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। কারও জন্য কোনও দরজা খোলা হয়নি। দলের কোনও কর্মী এই ব্যাপারটা মানবে না। তারা এতদিন যাদের বিরুদ্ধে লড়াই করেছে, যাদের জন্য তাদের বাড়িঘর চলে গিয়েছে, হাত পা চলে গিয়েছে, মাথা ফেটেছে, যে আড়াইশো কর্মী শহীদ হয়েছে, তাদেরকে মেনে নেবে না।’

আরও পড়ুন:  ২০ বছরের হারানো ফাইল, ১ বছরের জেল! নাগরিকত্বের অপেক্ষায় ফতেমা— হাইকোর্টের প্রশ্ন, ‘ক্ষতিপূরণ দেবে কে?’

অন্যদিকে বিজেপি যেহেতু সর্বভারতীয় দল তাই অনেক সিদ্ধান্ত নিতে হয়। সেটা মেনে নিতে হয় বলেও সওয়াল করেছেন মন্ত্রী। সোনার বাংলা একদিনে গড়ে উঠবে না। তাতে সময় লাগবে। মানুষকে এগিয়ে আসতে হবে বলে মনে করেন তিনি। নিজের দপ্তরেও বদলি করেছেন বলে দাবি করেন তিনি। রাজ্যের মানুষের উদ্দেশে দিলীপ ঘোষের পরামর্শ, ‘সব জায়গায় একটা সিস্টেম চলে এসেছে। আমি বলতে পারি, পঞ্চায়েত দপ্তরে ৩ বছরের বেশি কোনও জায়গায় যাঁরা ছিলেন, তাঁদের বদলি করেছি। জেলাস্তরে সাড়ে ১১০০ লোককে ট্রান্সফার করেছি। চিফ ইঞ্জিনিয়ারকে বদলি করেছি। পঞ্চায়েতি বিল নিয়ে এসেছি আমরা। যে পঞ্চায়েত প্রধানরা দুর্নীতি করেন, তাঁদের কাছ থেকে আর্থিক ক্ষমতা কেড়ে নিয়েছি। সরকারিভাবে যতটুকু করা সম্ভব করব। সাধারণ মানুষকে বলেছি, সবাই আইনের সাহায্য নিন। অভিযোগ করুন। থানায় যান। বাড়ি গিয়ে কেউ ন্যায় দিয়ে যাবে না। অভিযোগ না করে কেউ যদি স্বপ্ন দেখেন, সোনার বাংলা হয়ে গিয়েছে, তাহলে ভুল করছেন।’

আরও পড়ুন:  পাট জমিতে নিয়ে গিয়ে যুবতীকে ধর্ষণের অভিযোগ, শান্তিপুরে দুই অভিযুক্ত গ্রেপ্তার

তাছাড়া রাজ্যের শিল্প ব্যবস্থা নিয়েও এদিন কথা বলেছেন মন্ত্রী। পুরনো জমানাকে কটাক্ষ করেন। দিলীপ ঘোষের কথায়, ‘তৃণমূলের প্রচুর বিধায়ক সংসদের সঙ্গে আমার ভাল সম্পর্ক। এখন দলের কেউ কেউ ওদের ডাকাডাকি করছে। সর্বভারতীয় পার্টি আমাদের। তারা যদি ওখানে বসে কোনও সিদ্ধান্ত নেন সেটা আমরা মানব ঠিকই। আর এতদিন যে সরকার ছিল তাদের কাছে শিল্পের জমির হিসেব ছিল না। কোনও শিল্পনীতি ছিল না। কোনও পলিসি ছিল না। সরকার জমি খুঁজে বের করার জন্য একটা টিম তৈরি করেছে। আমার কাছেও লোক আসে। বিনিয়োগ করতে চায়। এটা পুজোর মধ্যে ঠিক হয়ে যাবে। একেবারেই অমৃতকাল। বাংলা একসময় স্বনির্ভর ছিল। তার থেকেও ভাল জায়গায় যাবে। আরএসএস স্বার্থ বিহীনভাবে দেশের জন্য কাজ করছে। যুবসমাজের মানসিকতা বুঝে আমাদের সেটা আলোচনায় বসে বোঝা দরকার। মোহন ভাগবত আমাদের অভিভাবক।’

---Advertisement---

Suman Debnath

Journalist

No comments to show.

Leave a Comment