---Advertisement---

‘বাংলায় গড়ে উঠবে তীর্থক্ষেত্র সার্কিট’, তারকেশ্বর থেকে বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

By Suman Debnath

July 14, 2026 7:15 PM

‘বাংলায় গড়ে উঠবে তীর্থক্ষেত্র সার্কিট’, তারকেশ্বর থেকে বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

---Advertisement---


শ্রাবণী মেলার উদ্বোধনে তারকেশ্বর ধামে গিয়ে ধর্মীয় পর্যটনকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তারকেশ্বরের উন্নয়ন, আন্তর্জাতিক মানের মেলা এবং রাজ্যজুড়ে তীর্থক্ষেত্র সার্কিট তৈরির পরিকল্পনার কথা ঘোষণা করলেন তিনি।

Tarakeswar Pilgrimage Circuit News: শ্রাবণী মেলার সূচনাতেই তারকেশ্বর থেকে ধর্মীয় পর্যটন নিয়ে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। মঙ্গলবার তারকেশ্বর মন্দিরে পুজো দিয়ে তিনি জানান, রাজ্য সরকার আগামী দিনে ‘তীর্থক্ষেত্র সার্কিট’ গড়ে তুলতে চায়, যাতে পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় স্থানকে একটি সমন্বিত পর্যটন পরিকাঠামোর আওতায় আনা যায়।

তারকেশ্বর সফরে মুখ্যমন্ত্রী মন্দিরের মহন্তকে প্রণাম করেন এবং শ্রাবণী মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অংশ নেন। এদিন মন্দির কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে জানানো হয়, শ্রাবণী মেলায় এই প্রথম কোনও মুখ্যমন্ত্রী উপস্থিত হলেন, যা ঐতিহাসিক বলেই মন্তব্য করেন মহন্ত।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, তারকেশ্বর ধামের উন্নয়নে রাজ্য সরকার একাধিক প্রকল্প হাতে নেবে। পুণ্যার্থীদের সুবিধার্থে সরকারি পরিষেবা কেন্দ্র গড়ে তোলা হবে এবং ভবিষ্যতে শ্রাবণী মেলাকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে পরিচিত করে তোলার লক্ষ্যও রয়েছে সরকারের।

মুখ্যমন্ত্রী অভিযোগ করেন, পূর্ববর্তী সরকার তারকেশ্বরের উন্নয়নে পর্যাপ্ত গুরুত্ব দেয়নি। তাঁর দাবি, নতুন সরকার ধর্মীয় পর্যটন এবং তীর্থস্থানের পরিকাঠামো উন্নয়নে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। সেই পরিকল্পনার অংশ হিসেবেই বাংলাজুড়ে তীর্থক্ষেত্র সার্কিট তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হবে।

তিনি আরও বলেন, স্বাস্থ্য দপ্তর-সহ রাজ্যের বিভিন্ন সরকারি বিভাগ শ্রাবণী মেলায় আগত ভক্তদের পরিষেবা দিচ্ছে। এই উদ্যোগে যুক্ত সমস্ত সরকারি কর্মী ও আধিকারিকদেরও ধন্যবাদ জানান মুখ্যমন্ত্রী।

উল্লেখ্য, এর আগেই নবান্নে এক অনুষ্ঠানে শুভেন্দু অধিকারী ঘোষণা করেছিলেন, তারকেশ্বরগামী পুণ্যার্থীদের স্বাগত জানাতে হেলিকপ্টার থেকে পুষ্পবৃষ্টি করবে রাজ্য সরকার। পাশাপাশি তারকেশ্বরকে আরও আকর্ষণীয় ধর্মীয় পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক পরিকল্পনার কথাও জানিয়েছিলেন তিনি।

রাজ্য সরকারের এই ঘোষণার ফলে ধর্মীয় পর্যটনের ক্ষেত্রে নতুন সম্ভাবনা তৈরি হবে বলে মনে করছেন পর্যটন মহলের একাংশ। তবে তীর্থক্ষেত্র সার্কিটের প্রকল্প কবে থেকে শুরু হবে, কোন কোন ধর্মীয় স্থান এই পরিকল্পনার অন্তর্ভুক্ত হবে এবং তার জন্য কত অর্থ বরাদ্দ করা হবে, সে বিষয়ে এখনও বিস্তারিত ঘোষণা করা হয়নি।

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে



Google News







এবং Google Discover



Google Discover



-এ নজরবন্দি-কে Follow করে রাখুন।

---Advertisement---

Suman Debnath

Journalist

No comments to show.

Leave a Comment