---Advertisement---

‘যাঁদের হারার ভয় থাকে তাঁরা আগে প্রার্থী দিয়ে পাবলিসিটির চেষ্টা করেন’, তৃণমূলকে কটাক্ষ দিলীপের

By Suman Debnath

September 14, 2026 12:30 PM

‘যাঁদের হারার ভয় থাকে তাঁরা আগে প্রার্থী দিয়ে পাবলিসিটির চেষ্টা করেন’, তৃণমূলকে কটাক্ষ দিলীপের

---Advertisement---


তৃণমূল কংগ্রেস কার? জোড়াফুল প্রতীক কার? এই নিয়ে দুই শিবিরের মধ্যে টানাপোড়েন চলছে। তার মধ্যেই নন্দীগ্রাম এবং রেজিনগর বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচনের ক্ষেত্রে প্রার্থী ঘোষণা করে দিয়েছে কালীঘাট তৃণমূল। আর তাতে চাপে পড়ে গিয়েছে ঋতব্রত শিবির। বামেরা এবং কংগ্রেসও প্রার্থী ঘোষণা করে দিয়েছে। শুধু বাকি রয়েছে বিজেপির প্রার্থী ঘোষণা। বাম ও কংগ্রেসের পর প্রার্থী ঘোষণা করেছে তৃণমূল। কিন্তু সেটা ঋত শিবিরের আগে। এবার এই তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী ঘোষণা করা নিয়ে কটাক্ষ করলেন রাজ্যের পঞ্চায়েতমন্ত্রী দিলীপ ঘোষ। যা নিয়ে এখন জোর চর্চা শুরু হয়েছে।

এদিকে প্রার্থী ঘোষণার ক্ষেত্রেও চমক রয়েছে কালীঘাট তৃণমূলের। বিশেষ করে নন্দীগ্রাম বিধানসভা কেন্দ্রে। সেখানে মহিলা মুখকে প্রার্থী করা হয়েছে। তার উপর নন্দীগ্রামের প্রার্থী সঞ্চিতা প্রধান দে একজন শিক্ষিকা। ২৬ হাজার চাকরি বাতিলের মধ্যে তাঁর নাম ছিল। আর রেজিনগর কেন্দ্রে রবিউল আলম চৌধুরী। তিনি আগেও এখানকারই বিধায়ক ছিলেন তৃণমূলের। বিজেপি এবং ঋত শিবিরের আগে প্রার্থী দেওয়া নিয়ে দিলীপ ঘোষের কটাক্ষ, ‘যাঁদের হারার ভয় থাকে তাঁরা আগে প্রার্থী দিয়ে একটু পাবলিসিটির চেষ্টা করেন। আদালত বা নির্বাচন কমিশন যা বলবে সেটাই ঠিক। যাকে সুযোগ দেবে তিনি ব্যবহার করবেন। এই ব্যাপারে কিছু বলার নেই। যে পার্টিকে মানুষ ছেড়ে দিয়েছেন তার আবার আসল নকল কী? গত নির্বাচনে তো প্রতীক ছিল, হেরে গিয়েছেন। প্রতীক গুরুত্বপূর্ণ নয়।’

অন্যদিকে রাজ্যের এই দুই উপনির্বাচনে তৃণমূলের জয়ের সম্ভাবনা নেই। তাই আগে প্রার্থী ঘোষণা করে পাবলিসিটি করার চেষ্টা করেছে কালীঘাট তৃণমূল বলে মনে করেন পঞ্চায়েতমন্ত্রী। সোমবার প্রাতঃভ্রমণে বেরিয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন তিনি। সেখানে সরাসরি তৃণমূলকে তুলোধনা করে দিলীপ ঘোষের বক্তব্য, ‘তৃণমূলে তো বাড়ির চাকর বাকরকে প্রার্থী করে দিলেও চলবে। বিজেপিতে রীতি নীতি মেনে যথাসময়ে প্রার্থী ঘোষণা করা হবে। অনেকেই প্রার্থী দেবেন, যাঁদের হারার ভয় থাকে, তাঁরা আগে প্রার্থী দিয়ে একটু পাবলিসিটির চেষ্টা করেন। বিজেপি সংগঠিত পার্টি, একটা বাই ইলেকশনের জন্যও পার্লামেন্টারি বোর্ডের মিটিং করে সিদ্ধান্ত নিতে হয়। তৃণমূলের সেই চাপ নেই। আর আমরাই জিতব।’

তাছাড়া তৃণমূলের দুই শিবিরের মধ্যে প্রতীক ‘যুদ্ধ’ নিয়ে তোপ দাগেন পঞ্চায়েতমন্ত্রী। নির্বাচনে মানুষই শেষকথা বলে সেটাও জানিয়ে দিয়েছেন তিনি। দিলীপ ঘোষের খোঁচা, ‘মানুষ যে দলকে রিজেক্ট করে দিয়েছে তাদের আবার আসল নকল! ২০২৬ সালের নির্বাচনে তো প্রতীক নিয়ে কোনও লড়াই ছিল না। কিন্তু তা সত্ত্বেও জিততে পারেনি। তাই প্রতীক গুরুত্বপূর্ণ নয়, দলের সংস্কৃতি নিয়ে মানুষ চিন্তিত। দুর্নীতিবাজ চোর ছ্যাঁচ্চর ছাড়া ওদের কেউ আছে। মানুষ একবার নির্ণয় নিয়েছেন, আরেকবার নেবেন। নির্বাচন আসুক।’

---Advertisement---

Suman Debnath

Journalist

No comments to show.

Leave a Comment