---Advertisement---

বিদ্যুৎ সমস্যা ও স্মার্ট মিটার ইস্যুতে সরব কনজুমার্স অ্যাসোসিয়েশন

By Suman Debnath

July 20, 2026 6:05 PM

বিদ্যুৎ সমস্যা ও স্মার্ট মিটার ইস্যুতে সরব কনজুমার্স অ্যাসোসিয়েশন

---Advertisement---


বরাক তরঙ্গ, ২০ জুন : অল আসাম ইলেকট্রিসিটি কনজুমার্স অ্যাসোসিয়েশনের কাছাড় জেলা কো-অর্ডিনেশন কমিটির উদ্যোগে মঙ্গলবার শিলচরের ইটখোলাস্থিত এপিডিসিএল কার্যালয়ে এসডিই-র মাধ্যমে রাজ্যের বিদ্যুৎ দপ্তরের দায়িত্বপ্রাপ্ত মুখ্যমন্ত্রীর উদ্দেশে একটি স্মারকপত্র প্রদান করা হয়।
স্মারকপত্র প্রদানকালে সংগঠনের অন্যতম সাধারণ সম্পাদক সঞ্জীব রায় বলেন, তীব্র গরমের সময় যখন বিদ্যুতের চাহিদা সর্বাধিক থাকে, তখন সাধারণ গ্রাহকদের ঘণ্টার পর ঘণ্টা লোডশেডিংয়ের শিকার হতে হয়। পাশাপাশি সামান্য বৃষ্টি বা হালকা বাতাসেই বিদ্যুৎ পরিষেবা ব্যাহত হওয়ায় জনসাধারণকে প্রতিনিয়ত দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

এই সমস্যার স্থায়ী সমাধান, আবাসিক গ্রাহকদের জন্য ন্যূনতম ২০০ ইউনিট বিনামূল্যে বিদ্যুৎ, প্রিপেইড স্মার্ট মিটার বাধ্যতামূলক না করা এবং বিদ্যুৎ খাতের বেসরকারিকরণ বন্ধসহ চার দফা দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্তের কথা জানায় সংগঠন। উল্লেখ্য, গত ২১ জুন শিলচরে অনুষ্ঠিত গ্রাহক অভিবর্তনে এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। এর আগে ১৪ জুন পানপট্টিস্থ এপিডিসিএল কার্যালয়ে বিক্ষোভ ও স্মারকপত্র প্রদান করা হয়েছিল। সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পর্যায়ক্রমে এপিডিসিএলের অন্যান্য কার্যালয়েও একই কর্মসূচি পালন করা হবে।
স্মারকপত্রে দাবি করা হয়, কেন্দ্রীয় শক্তিমন্ত্রী গত ২ এপ্রিল সংসদে স্পষ্ট জানিয়েছিলেন যে প্রিপেইড স্মার্ট মিটার বাধ্যতামূলক নয়, এটি সম্পূর্ণ ঐচ্ছিক। কিন্তু আসামে এপিডিসিএল কর্তৃপক্ষ সেই অবস্থানকে গুরুত্ব না দিয়ে বাধ্যতামূলকভাবে স্মার্ট মিটার চালু করছে, যা বিদ্যুৎ খাতের বেসরকারিকরণের অংশ বলেও অভিযোগ সংগঠনের।

আরও পড়ুন:  আসামের মুখ্যমন্ত্রী সম্ভাব্য জাপানি প্রধানমন্ত্রী সফরের জন্য গুয়াহাটি বিমানবন্দর পরিদর্শন করেছেন

এছাড়া স্মারকপত্রে উল্লেখ করা হয়, দেশের বিভিন্ন রাজ্যে অসমের তুলনায় বিদ্যুতের মূল্য কম এবং পাঞ্জাব, রাজস্থান, দিল্লি, তামিলনাড়ু ও বিহারের মতো রাজ্যে আবাসিক গ্রাহকদের ১৫০ থেকে ৩০০ ইউনিট পর্যন্ত বিনামূল্যে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হচ্ছে। সেই তুলনায় আসাম সরকার ভিন্ন পথে এগোচ্ছে বলে দাবি সংগঠনের।

আজকের কর্মসূচিতে বৃহত্তর মালুগ্রাম এলাকার সচেতন নাগরিক ও সংগঠনের সদস্যদের মধ্যে অধ্যাপক অজয় রায়, সীমান্ত ভট্টাচার্য, নকুলরঞ্জন পাল, বন্দিতা ত্রিবেদী, রণজিৎ চৌধুরী, প্রশান্ত ভট্টাচার্য এবং শ্রমিক নেতা মৃণাল কান্তি সোমসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।
সংগঠনের পক্ষ থেকে তাদের উত্থাপিত দাবিগুলি অবিলম্বে বাস্তবায়নের জন্য রাজ্য সরকারের কাছে জোরালো আবেদন জানানো হয়েছে।

---Advertisement---

Suman Debnath

Journalist

No comments to show.

Leave a Comment