ডুরান্ড কাপে গ্রুপের শেষ ম্যাচে ইস্টবেঙ্গল বেঙ্গালুরুর সাউথ ইউনাইটেডকে হারালো ৫-০ গোলে। এই জয়ের ফলে নক আউটের দরজায় কড়া নাড়া শুরু করলো লাল-হলুদ বাহিনী। অবশ্য সোমবার মোহনবাগান এসজি তাদের শেষ ম্যাচে জিতলে ইস্টবেঙ্গলের গ্রুপসেরা হয়ে নক আউটে পা রাখা সম্ভব হবে না। তবে দ্বিতীয় স্থানাধিকারী দলগুলির মধ্যে সেরা দুইয়ে থেকে শেষ আটে যাওয়ার সম্ভাবনা যথেষ্ট উজ্জ্বল তাদের। তবে সব গ্রুপের ম্যাচ শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাদের নক-আউট যাত্রা নিশ্চিত হবে না।
এ দিন ছ’মিনিটের মাথায় দানি রামিরেজ প্রথম গোল করে দলকে এগিয়ে দেয়। ২৩ মিনিটের মাথায় অপর বিদেশি মহম্মদ বাসিম রশিদ দ্বিতীয় গোল করে ব্যবধান বাড়ান। এই দুই গোলের ব্যবধানেই বিরতিতে যায় তারা। দ্বিতীয়ার্ধে ৭৩ মিনিটের মাথায় হার্দিক ভাট, ৮০ মিনিটে বিপিন সিং ও সংযুক্ত সময়ের পঞ্চম মিনিটে ডেভিড লালনসাঙ্গা গোল করে দলকে জেতান।
এ দিন অস্ট্রেলিয়া থেকে আসা ক্রিস ইকোনোমিডিসকেও রিজার্ভ বেঞ্চ থেকে নামিয়ে দেখে নেন কোচ হাবাস। জেসিন টিকের জায়গায় নামেন তিনি। বিদেশি ডিফেন্ডার মনসালভে নাচোকে শুরু থেকেই নামান তিনি। ১২ তারিখে এএফসি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ-২-এর বাছাই পর্বের আগে দলের বিদেশিদের দেখে নেন কোচ হাবাস। সে দিন কুয়েতের আল আরাবির বিরুদ্ধে ম্যাচ তাদের। যুবভারতীতে সেই ম্যাচে নামার আগে এই জয়ের ফলে বেশ কিছুটা আত্মবিশ্বাস অর্জন করে নিলেন লাল-হলুদ ফুটবলাররা।
গ্রুপ পর্বের প্রথম ম্যাচে মোহনবাগান এসজি-র কাছে হারার পর দ্বিতীয় ম্যাচে লাল-হলুদ শিবির ঘুরে দাঁড়ায় সিআইএসএফ দলের বিরুদ্ধে। তাদের বিরুদ্ধে আট গোলে জেতে স্প্যানিশ কোচ আন্তোনিও লোপেজ হাবাসের দল। এ দিনও যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে বড় ব্যবধানেই জিতল গতবারের আইএসএল চ্যাম্পিয়নরা।
প্রতিপক্ষ সাউথ ইউনাইটেডকে তাদের শেষ ম্যাচে ৮-০-র ব্যবধানেই হারিয়েছিল মোহনবাগান এসজি। যেহেতু গ্রুপ পর্ব থেকে গ্রুপসেরা দল সরাসরি নক আউট পর্বে চলে যাবে এবং ছটি গ্রুপের দ্বিতীয় স্থানাধিকারী দলগুলির মধ্যে সেরা দুটিও পৌঁছবে সেখানে, তাই এই ম্যাচে ইস্টবেঙ্গলের জয় ছাড়া কোনো রাস্তা ছিল না। এখন দেখার টানা দ্বিতীয় ম্যাচে বড় ব্যবধানে জেতার পর তাদের নক আউটে ওঠার সম্ভাবনা কতটা উজ্জ্বল হল।
Leave a Comment