---Advertisement---

অযোধ্যার রামমন্দিরের প্রণামী বিতর্কে নৃপেন্দ্রকে নিশানা চম্পতের 

By kolamkotha.com

August 22, 2026 9:17 AM

---Advertisement---


অযোধ্যার রামমন্দিরের প্রণামী বা দান নিয়ে অনিয়মের অভিযোগে বিশেষ তদন্তকারী দল বা সিটের রিপোর্ট প্রকাশের পরই নতুন করে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। এবার রামমন্দির নির্মাণ কমিটির চেয়ারম্যান তথা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর প্রাক্তন প্রধান সচিব নৃপেন্দ্র মিশ্রকে নিশানা করেছেন রামমন্দির ট্রাস্টের পদত্যাগী সাধারণ সম্পাদক চম্পত রায়। ন’পাতার একটি খোলা চিঠিতে তিনি দাবি করেছেন, মন্দির নির্মাণ সংক্রান্ত যাবতীয় গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নৃপেন্দ্রর নেতৃত্বাধীন কমিটির অনুমোদনেই হত।

চম্পতের অভিযোগ, নৃপেন্দ্র তাঁর পছন্দের লোকজনকে নির্মাণ কমিটিতে নিয়েছিলেন। তাঁদের মধ্যে এক জন ৬ বছরে মাত্র ২ বার অযোধ্যায় এসেছিলেন। অন্য এক জনের কাছ থেকে মূলত নিরাপত্তা সংক্রান্ত পরামর্শ নেওয়া হত। আর এক সদস্য নিয়মিত বৈঠকে উপস্থিত থাকতেন বলে দাবি চম্পতের। তাঁর আরও দাবি, কমিটির বৈঠক সাধারণত মাসে একবার, কখনও ১৫ দিন অন্তরও হত। কমিটির অনুমোদন ছাড়া কোনও কাজই করা যেত না বলেও চিঠিতে দাবি করেছেন তিনি।

রামমন্দিরের নকশা ও নির্মাণের কাজে নয়ডার একটি সংস্থাকে বাছাইয়ের ক্ষেত্রেও নৃপেন্দ্রর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল বলে দাবি চম্পতের। ওই সংস্থার প্রধান জয় কক্তিকরের সঙ্গে নৃপেন্দ্রর ঘনিষ্ঠতার কথাও চিঠিতে উল্লেখ করেছেন তিনি। তবে নৃপেন্দ্র এই অভিযোগ খারিজ করে বলেছেন, চিঠিটি না দেখে মন্তব্য করা সম্ভব নয়। তাঁর দাবি, তাঁকে ঘিরে যে ‘গল্প’ তৈরি করা হচ্ছে তা ভিত্তিহীন।

চম্পত অবশ্য নির্মাণকাজে নৃপেন্দ্রর ভূমিকার প্রশংসাও করেছেন। তাঁর দাবি, কোভিডের মধ্যেও ২০২০ সালে নির্মাণকাজ শুরু করা এবং সময়মতো মন্দিরের উদ্বোধন নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে নৃপেন্দ্রের ভূমিকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ ছিল। প্রযুক্তিগত বা সরবরাহ সংক্রান্ত সমস্যা দেখা দিলেও তিনি দ্রুত বিশেষজ্ঞদের সাহায্য নিতেন বলে জানিয়েছেন চম্পত।

অন্য দিকে, মন্দিরের দান নিয়ে অনিয়মের অভিযোগে উত্তরপ্রদেশ সরকারের গঠিত সিটের রিপোর্টে ট্রাস্টের আর্থিক ব্যবস্থাপনায় ‘গুরুতর ত্রুটি’র কথা বলা হলেও চম্পত রায় ও প্রাক্তন ট্রাস্টি অনিল মিশ্রের বিরুদ্ধে তছরুপের প্রমাণ মেলেনি। অভিযোগের জেরে দু’জনেই ২৫ জুন পদত্যাগ করেন। সিটের দাবি, রায়ের প্রাক্তন সহযোগী তথা চালক রামশঙ্কর যাদব ওরফে তিনু যাদবই তছরুপের মূল পরিকল্পনাকারী। এই ঘটনায় ৮ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: দিল্লির পেলেটকাণ্ডে জখম পড়ুয়াকে সঙ্গে নিয়ে থানার সামনে ধর্না রাহুল-প্রিয়াঙ্কার

এই বিতর্কের সূত্রপাত ৭ জুন সমাজবাদী পার্টি নেতা তেজ নারায়ণ ‘পবন’ পাণ্ডের ৫ থেকে সাড়ে ৭ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ ঘিরে। পরে তদন্তে দানের টাকা নির্ধারিত ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে জমা পড়ার আগেই আত্মসাতের অভিযোগ ওঠে। এসবিআইয়ের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে সিট। এর পাশাপাশি, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে পৃথক একটি সিটও বর্তমানে বিষয়টি তদন্ত করছে।

---Advertisement---

No comments to show.

Leave a Comment