---Advertisement---

রাত পোহালেই নয়াদিল্লি সফরে মুখ্যমন্ত্রী, শুভেন্দুর সঙ্গে এনসিপিআই নেতৃত্বের বৈঠক!

By Suman Debnath

July 27, 2026 6:45 PM

রাত পোহালেই নয়াদিল্লি সফরে মুখ্যমন্ত্রী, শুভেন্দুর সঙ্গে এনসিপিআই নেতৃত্বের বৈঠক!

---Advertisement---


নয়াদিল্লির রাজনীতিতে এবার গুরুত্ব পেতে চলেছে এনসিপিআই। তৃণমূল কংগ্রেস ভেঙে যে সাংসদরা এই দলে যোগ দিয়েছিলেন এবার তাঁরা এনডিএ-র বৈঠকে ডাক পেলেন। তবে মঙ্গলবার দুপুরে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে তাঁদের বৈঠক হতে পারে বলে সূত্রের খবর। নয়াদিল্লির বঙ্গভবনে বৈঠক হতে পারে বলেই জানান সাংসদ শতাব্দী রায়। তাহলে কি বিজেপিতেই মিশছে এনসিপিআই? উঠছে প্রশ্ন। রাত পোহালেই ওই বৈঠকে কী হয় সেটার দিকেই তাকিয়ে আছে সকলে। সদ্য ককরোচ জনতা পার্টির আন্দোলনে চাপে পড়ে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীকে পদত্যাগ করতে হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে দু’পক্ষের বৈঠক নিঃসন্দেহে তাৎপর্যপূর্ণ।

এদিকে মঙ্গলবার দুপুর ১টায় ২০ জন সাংসদের সঙ্গে বৈঠক করবেন শুভেন্দু অধিকারী। এদিন বেলা ৩টে নাগাদ এনসিপিআই সাংসদদের কাছে বার্তা পৌঁছয়, মঙ্গলবার দুপুর ১টা নাগাদ বৈঠক হবে। বীরভূমের সাংসদ শতাব্দী রায় বৈঠকের কথা নিশ্চিত করে বলেন, ‘মঙ্গলবার ১টার সময় বঙ্গভবনে বৈঠক আছে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী আমাদের সব সাংসদদের সঙ্গে বৈঠক করবেন। আমাদের কারও কিছু বলার আছে কিনা সেটা জানতে চাওয়া হবে। যা এতদিন বলা যেত না সেগুলি হয়তো বলতে পারব। আমরা নিয়ম মেনেই করেছি। আমার মনে হয় নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে একটা কাগজ আসবে। সবশেষে সিদ্ধান্ত নেবেন স্পিকার। ওই কাগজের জন্য মনে হয় অপেক্ষা করছেন।’

আরও পড়ুন:  লিপুলেখ ইস্যুতে ভারত-নেপাল উত্তেজনা, কাঠমান্ডুকে কড়া বার্তা দিল দিল্লি!

অন্যদিকে জুন মাসে তৃণমূল কংগ্রেসের সংসদীয় দল ভাঙার পর কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদবের বাড়ির একটি বৈঠকে যোগ দিয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। তবে এনসিপিআই-তে সুদীপ, শতাব্দী, দেব, ইউসুফ পাঠানদের মিশে যাওয়া বা এনডিএ-র শরিক হওয়ার পরে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক হয়নি। মঙ্গলবার সেই বৈঠকই বড় খবর হতে চলেছে। কদিন আগে স্পিকার ওম বিড়লার সঙ্গে দেখা করে নিজেদের আবেদন জানিয়েছিলেন সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ অন্যান্যরা। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গেও পৃথক বৈঠক করেন সুদীপ। তাঁদের এনসিপিআই সাংসদ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হোক বলে জানানো হয়েছিল। তাঁরা এনডিএ-র শরিক হতে চান বলেই লোকসভায় শরিকদলের পাশে আসন দেওয়া হোক বলে দাবি তাঁর।

তাছাড়া ইতিমধ্যেই তিনজন রাজ্যসভার তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ পদত্যাগ করে বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন। তারপর বিজেপির টিকিটে তাঁরা রাজ্যসভায় গিয়েছেন। কোয়েল মল্লিকও একই কাজ করেছেন। তবে এখনও বিজেপির সিলমোহর পড়েনি। বাদল অধিবেশনের আগেরদিন এনসিপিআই-কে চিঠি লিখে সর্বদলীয় বৈঠকে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছিলেন সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী কিরেণ রিজিজু। তাতে যোগদানও করেছিলেন তাঁরা। মঙ্গলবারও ফের বৈঠকে ডাকা হয়েছে এনসিপিআইকে।

আরও পড়ুন:  পাঁচজন পাকিস্তানি চরকে গ্রেপ্তার করল গুজরাত পুলিশ, বিরাট নাশকতার ছক ফাঁস!

---Advertisement---

Suman Debnath

Journalist

No comments to show.

Leave a Comment