---Advertisement---

সোনম ওয়াংচুককে তুলে নিয়ে যাওয়ার প্রতিবাদে অনির্দিষ্টকালের জন্য় অনশন অভিজিৎ দীপকের

By Suman Debnath

July 18, 2026 11:25 AM

সোনম ওয়াংচুককে তুলে নিয়ে যাওয়ার প্রতিবাদে অনির্দিষ্টকালের জন্য় অনশন অভিজিৎ দীপকের

---Advertisement---


সোনম ওয়াংচুককে বলপূর্বক ধরে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ তুলে পুলিশের বিরুদ্ধে ক্ষোভ জানিয়ে অনির্দিষ্টকালের জন্য অনশনের ঘোষণা করলেন ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে। নিটের প্রশ্নফাঁস-কাণ্ডে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার দাবিতে সোনম ওয়াংচুকের সঙ্গে যন্তরমন্তরে অনশনে বসেছিলেন ছাত্র সংগঠন আইসা-র ছয় প্রতিনিধি। শনিবার সকালে তাদের তুলতে আসে দিল্লি পুলিশের দল। খবর পেয়ে সেখানে পৌঁছন অভিজিৎ ও তাঁর দলের মুখপাত্র আশুতোষ রাঙ্কা।

তাঁদের অভিযোগ, পুলিশ জোর করে সোনমকে তুলে নিয়ে যায়। আইসার অনশনকারীদেরও নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। অভিজিৎ এক্স-বার্তায় বলেন, ‘আজ থেকে আমি অনির্দিষ্টকালের অনশন শুরু করছি। আমি সবাইকে অনুরোধ করছি, কেউ পিছিয়ে যাবেন না। পুলিশ খুব বড় ভুল করল। এতে আন্দোলন আরও জোরদার হবে। ২০ জুলাই আমাদের যে মিছিল হওয়ার কথা, তাও হবে।’

দিল্লি পুলিশ যে ভাবে অনশনরত সোনম ওয়াংচুককে যন্তর মন্তর থেকে নিয়ে গিয়েছে, তাকে সরকারের ‘গুন্ডামি’ বলে অভিযোগ করল আম আদমি পার্টি (আপ)। নিটের প্রশ্নফাঁস-কাণ্ডে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার দাবিতে সোনম ওয়াংচুকের সঙ্গে যন্তরমন্তরে অনশনে বসেছিলেন ছাত্র সংগঠন আইসা-র প্রতিনিধিরা। শনিবার সকালে তাদের তুলতে আসে দিল্লি পুলিশের দল। সোনমকে নিয়ে গিয়ে হাসপাতালে ভর্তি করায় পুলিশ। সেই ভিডিও পোস্ট করে এক্স হ্যান্ডলে আম আদমি পার্টির অভিযোগ, ‘প্রশ্নপত্র ফাঁসের বিরুদ্ধে সোনম ওয়াংচুক যে অনশন করছিলেন, তা শান্তিপূর্ণ আলোচনার মাধ্যমে প্রত্যাহার করানোর চেষ্টার বদলে সরকার বলপ্রয়োগ ও গুন্ডামির আশ্রয় নিল। এর থেকেই বোঝা যাচ্ছে তারা ছাত্রদের কণ্ঠস্বরকে ভয় পায়।’

আরও পড়ুন:  ভারতের রেলে নতুন ইতিহাস! প্রধানমন্ত্রীর হাত ধরে চালু দেশের প্রথম হাইড্রোজেন-চালিত ট্রেন

অন্যদিকে দিল্লি পুলিশ  দাবি করেছে, আদালতের নির্দেশে সোনমকে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দিতেই তাঁকে নিয়ে গিয়ে হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে। ডিসিপি নিউ দিল্লির এক্স অ্যাকাউন্ট থেকে দেওয়া বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘সোনম ওয়াংচুকের শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটায় দিল্লি হাইকোর্টের নির্দেশে ও বিশেষজ্ঞের পরামর্শ অনুযায়ী তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করে প্রয়োজনীয় চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে। হাইকোর্টের নির্দেশ বাস্তবায়িত করার সময় বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে সামান্য ধস্তাধস্তি হয়, তবে পুলিশ সর্বোচ্চ সংযম রেখে গোটা প্রক্রিয়া শেষ করে। বিক্ষোভকারীদের অনুরোধ, আপনারা যত দ্রুত সম্ভব যন্তর মন্তর খালি করে দিন।’

---Advertisement---

Suman Debnath

Journalist

Related Stories

No comments to show.

Leave a Comment