---Advertisement---

পুলিশের বিশেষায়িত দুই ইউনিটের নাম পরিবর্তন

By Suman Debnath

September 26, 2026 5:50 PM

পুলিশের বিশেষায়িত দুই ইউনিটের নাম পরিবর্তন

---Advertisement---


বাংলাদেশ পুলিশের বিশেষায়িত দুটি সন্ত্রাসবিরোধী ইউনিটের নাম পরিবর্তন করা হয়েছে। এতে অ্যান্টি টেরোরিজম ইউনিটের (এটিইউ) নাম পরিবর্তন করে ‘স্পেশাল রেসপন্স ইউনিট’ (এসআরইউ) করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। নতুন কাঠামোর আওতায় দেশের বিভিন্ন মেট্রোপলিটন এলাকায় এসআরইউর শাখা থাকবে এবং এসব ইউনিট সংশ্লিষ্ট মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনারের কমান্ডে পরিচালিত হবে। তবে সামগ্রিক শৃঙ্খলা ও কেন্দ্রীয় কমান্ড থাকবে এসআরইউর দায়িত্বে থাকা অতিরিক্ত আইজিপির অধীনে।


অন্যদিকে, ডিএমপির কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) এখন এসআরইউ ডিএমপি নামে কার্যক্রম পরিচালনা করবে বলে জানা গেছে।


শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর রাজারবাগ পুলিশ অডিটোরিয়ামে পুলিশ সপ্তাহ ২০২৬-এর ‌‘পদক প্রদান অনুষ্ঠানে’ তিনি এসব কথা বলেন।


এসময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আগে এটিইউর সদর দপ্তরে থাকা কর্মকর্তাদের সারাদেশে এক্সট্রিমিস্ট কার্যক্রমের ক্ষেত্রে কাজ করার এখতিয়ার ছিল। এখন একটি সুশৃঙ্খল কাঠামোর মধ্যে এসআরইউকে নিয়ে আসা হচ্ছে।


স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, প্রত্যেক মেট্রোপলিটন এলাকায় প্রয়োজন অনুযায়ী এসআরইউর শাখা গঠন করা হবে এবং সেখানে প্রয়োজনীয় সংখ্যক সদস্য ও কর্মকর্তা নিয়োগ দেওয়া হবে। ঢাকায় কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) এখন এসআরইউ ডিএমপি নামে কার্যক্রম পরিচালনা করবে।


মন্ত্রী জানান, দেশের অন্য যেসব এলাকায় প্রয়োজন হবে সেখানেও এসআরইউর প্রয়োজনীয় ইউনিট গঠন করা হবে। কেন্দ্রীয় সমন্বয়ের জন্য এসআরইউর প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালনকারী অতিরিক্ত আইজিপির নেতৃত্বে এসব কার্যক্রম পরিচালিত হবে।


সালাহউদ্দিন আহমেদ আরও বলেছেন, সিটিটিসি আনুষ্ঠানিকভাবে আলাদা কোনো ইউনিট হিসেবে গঠিত ছিল না; এটি ডিএমপির অধীনেই কার্যক্রম পরিচালনা করত। এখন প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে পুরো ব্যবস্থা একটি অভিন্ন সাংগঠনিক কাঠামোর আওতায় আনা হচ্ছে।


এসআরইউর সদর দপ্তর আগারগাঁওয়ে নেওয়া হয়েছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ ও সমন্বয়ের জন্য এসআরইউর অতিরিক্ত আইজিপি সেখানেই থাকবেন। ইউনিটটির সাংগঠনিক কাঠামোর পাশাপাশি প্রয়োজনীয় অবকাঠামো, লজিস্টিক ও প্রযুক্তিনির্ভর সুবিধাও পর্যায়ক্রমে গড়ে তোলা হবে।


তিনি জানান, ফরেনসিক ও কেমিক্যাল ল্যাবের কার্যক্রমও আপাতত আগারগাঁওয়ে স্থানান্তরের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি দেশের জন্য কেন্দ্রীয়ভাবে একটি বড় ফরেনসিক ও কেমিক্যাল ল্যাব স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে।


বিভাগীয় পর্যায়েও ফরেনসিক ও কেমিক্যাল ল্যাব স্থাপনের কাজ চলছে উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, ইতোমধ্যে আটটি ল্যাবের কার্যক্রম চলছে এবং আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে চট্টগ্রাম বিভাগের ল্যাব উদ্বোধনের পরিকল্পনা রয়েছে।


এপিবিএনকে তদন্তের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, এপিবিএন রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে দায়িত্ব পালন করে। ৪০০’র মতো সাব-ইন্সপেক্টর সেখানে আছে। যাদের তদন্তের কোনো এখতিয়ার এতদিন ছিল না। কিন্তু ক্যাম্পগুলোতে যে সব অপরাধ সংঘটিত হয় বিশেষ করে রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে ড্রাগস, আর্মস এবং অন্যান্য কিডন্যাপিংসহ কিছু হেনিয়াস ক্রাইমের ক্ষেত্রে দুই থানার পক্ষে সেগুলো তদন্ত করে মামলার এফআইআর ও চার্জশিট দেওয়া এটা দুষ্কর।

---Advertisement---

Suman Debnath

Journalist

No comments to show.

Leave a Comment