প্রাক্তন লিভ-ইন সঙ্গীকে কুপিয়ে খুন, হবু স্বামীকে ফোনে বলল ‘শেষ করে দিয়েছি’, তারপর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার

By Suman Debnath

July 19, 2026 10:25 AM

প্রাক্তন লিভ-ইন সঙ্গীকে কুপিয়ে খুন, হবু স্বামীকে ফোনে বলল ‘শেষ করে দিয়েছি’, তারপর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার


মহারাষ্ট্রের নাসিকে সম্পর্কের টানাপোড়েন থেকে এক মর্মান্তিক ঘটনার সাক্ষী থাকল গোটা এলাকা। প্রাক্তন লিভ-ইন সঙ্গীকে ডেকে এনে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে এক যুবকের বিরুদ্ধে। অভিযোগ, হত্যাকাণ্ডের পর তরুণীর হবু স্বামীকে ফোন করে সে জানায়, ‘ওকে শেষ করে দিয়েছি’। পরে ঘটনাস্থল থেকে কিছু দূরে একটি গাছে ঝুলন্ত অবস্থায় অভিযুক্তের দেহ উদ্ধার করে পুলিশ। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, তরুণীকে হত্যার পর অভিযুক্ত আত্মহত্যা করেছে।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃত তরুণীর নাম বৈষ্ণবী আওয়াড় (২০)। তিনি কিছুদিন আগে পর্যন্ত সাহিল লাভার নামে এক যুবকের সঙ্গে লিভ-ইন সম্পর্কে ছিলেন। কিন্তু কয়েক মাস আগে তাঁদের সম্পর্ক ভেঙে যায়। এরপর বৈষ্ণবী ইন্দিরানগর ছেড়ে নাসিকে চলে যান এবং সাহিলের সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ করে দেন। এরই মধ্যে তাঁর বিয়েও ঠিক হয়।

আরও পড়ুন:  স্প্যাম কল ঠেকাতে বড় পদক্ষেপ, অচেনা নম্বর থেকে ফোন এলেই ভেসে উঠবে নাম

তদন্তে জানা গিয়েছে, শুক্রবার রাতে সাহিল নাসিকে এসে বৈষ্ণবীর সঙ্গে দেখা করার জন্য যোগাযোগ করে। নির্দিষ্ট জায়গায় দেখা হলে দু’জনের মধ্যে বচসা শুরু হয়। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে বৈষ্ণবী তাঁর হবু স্বামীকে ফোন করে দ্রুত ঘটনাস্থলে আসতে বলেন।

অভিযোগ, সেই সময়ই সাহিল ধারালো অস্ত্র দিয়ে বৈষ্ণবীর উপর একাধিকবার হামলা চালায়। পুলিশ জানিয়েছে, হামলার সময় ফোনটি চালু অবস্থায় ছিল। অভিযোগ অনুযায়ী, তরুণীর হবু স্বামীর সঙ্গে ফোনে কথা বলেই অভিযুক্ত জানায় যে সে বৈষ্ণবীকে হত্যা করেছে। এরপর সে ঘটনাস্থল ছেড়ে পালিয়ে যায়।

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে রক্তাক্ত অবস্থায় বৈষ্ণবীর দেহ উদ্ধার করে। পরে তল্লাশি চালিয়ে ঘটনাস্থল থেকে প্রায় এক কিলোমিটার দূরে একটি গাছে ঝুলন্ত অবস্থায় সাহিলের দেহ উদ্ধার হয়। প্রাথমিকভাবে তদন্তকারীদের ধারণা, হত্যাকাণ্ডের পর সে আত্মহত্যা করেছে। তবে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানতে দুই দেহই ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়েছে।

আরও পড়ুন:  ছাত্রীকে গণধর্ষণের অভিযোগে পাঞ্জাব বিশ্ববিদ্যালয় রণক্ষেত্র, রাত থেকে চলল জাতীয় সড়ক অবরোধ

পুলিশ গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। দুই পরিবারের সদস্যদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে এবং সম্পর্ক ভাঙার পর কী পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল, সেই দিকটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত ঘটনাকে ঘিরে সমস্ত দিক খোলা রেখেই এগোচ্ছেন তদন্তকারীরা।

Suman Debnath

Journalist

No comments to show.

Leave a Comment